হাওড়া

হাওড়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার সংকট: নেতা ও প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি, জনগণের অপেক্ষা!
হাওড়ার বাসিন্দারা যেন অন্ধকারে অপেক্ষামান, তাদের জীবনযাত্রা যখন সুখের সিংহদ্বার থেকে দূরে, তখন সরকার প্রতিধ্বনিত করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা সাবস্টেশন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত, অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—এই বিদ্যুৎসঞ্চার কতটা বাস্তবে আসবে আর কতটা রাজনৈতিক আশ্বাস? পার্থপ্রতিম দত্তের অভিযানকে মনে হয়, বিষণ্ণ জনগণের লোভোল্টেজ থেকে মুক্তি দেওয়ার একটি নাটক, তবে সঠিক সমাধান কি আসবে এদের কষ্টের?

“হাওড়ার ট্রেন দুর্ঘটনা: নেতৃত্বের অস্থিরতা, প্রশাসনের অক্ষমতা, সমাজের অনুন্নতি!”
হাওড়ার স্টেশনে ট্রেনের ব্রেক বিকল হয়ে গেলে যেন পুরো সমাজও দাঁড়িয়ে যায়, গন্তব্যের কুহেলিকা যেন এক অদ্ভুত রূপ নেয়। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি মন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে গোপন কোনো কিসসা, অথচ জনগণের দুর্ভোগেরে কেউ দেখছে না। এ যেন আমাদের রাজনীতির পরিচয়—একমাত্র মালিকানা নিয়ে গৌরবিত তাদের সাফল্য, কিন্তু বোঝা যাচ্ছে, চাকা পেছনের দিকে ঘুরে বন্ধুর পথে।

হাওড়ার জলবন্দি রাজনীতির খেলা: এক সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে সরকারের গাফিলতিতে উঠে এল সমাজের সংকটময় চিত্র
হাওড়ার রাস্তায় জমা জল, যেখানে একজনের জীবনই ঝরে গেল, তা যেন আমাদের শাসকদের অগোছালো কার্যকলাপের প্রতীক। নেতৃত্বের মহাকাব্যে জনতার আর্তি শুনতে কি পাব? কি ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখবে সমাজ এই মর্মান্তিক ঘটনার পরে? নাকি, আবারও দোষারোপের খেলা শুরু হবে? হে শাসক, তোমার সরকারের অযত্নের জলেই কি হারাতে হবে আরেকটি জীবন?