স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

সিবিআইয়ের উদ্যোগে ময়নাতদন্তের মান পরীক্ষা, তরুণীর হত্যার ঘটনায় নতুন পরিণতি!
সিবিআইয়ের উদ্যোগে ময়নাতদন্তের মান পরীক্ষার উদ্যোগ নতুন করে আলোচনা জন্ম দিয়েছে। খুন হওয়া তরুণীর کیسটি সামনে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ১০টি মৃতদেহের রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ এসেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এ ময়নাতদন্তের রাজনীতির আসল মুখোশ খুলতে পেরে কতটা সক্ষম হবে, তা নিয়ে সৃষ্ট জনমনে প্রশ্ন উঠছে। মানব জীবন ও সরকারের মাঝে ‘রাষ্ট্রীয় বিশ্লেষণের’ এমন সমান্তরাল চিত্র, যে কোনও আলোকিত মনকে ভাবাতে বাধ্য করে।

“রোগীর আশঙ্কাজনক হামলা: স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংকট ও সামাজিক সুরক্ষার চ্যালেঞ্জ”
রাতের অন্ধকারে জানালার বাইরে মানবিক সম্পর্কের সমস্ত স্নেহভাষার ছিন্নবিচ্ছিন্নতা। প্রকাশের কাঁচির খোঁজে রোগী ও নার্সদের মাঝে যে ভীতি, তা কি সমাজের গভীরে গেঁথে থাকা অব্যবস্থার কাহিনী নয়? যেখানে শাসকত্বের অযোগ্যতা ও মানবিকতার সংকট একে অপরকে ছাড়িয়ে যায়, সেখানে শুধুই নির্মমতম বাস্তবতা।

“ত্রিধারার হুমকি: ডাক্তারদের জবাবদিহি নিয়ে তৃণমূলের রাজনীতির উজ্জ্বল বিস্ময়!”
তৃণমূল নেতাদের হুমকির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেবজিৎ ভৌমিক ও লতিফুল শেখকে শোকজ করায়, রাজনৈতিক চাপের নাটক আবারো স্পষ্ট। কি অদ্ভুত কথা! চিকিৎসকরা যেন ভিক্ষা চাইছেন, অথচ রোগীর পাশে থাকার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের হাতে শৃঙ্খলার মুখোশ, সমাজে নীতির বরজা, এ কী পরিহাস?

“রেফারেল সিস্টেমের পরিবর্তন: রোগীর অধিকার, সরকারী ব্যবস্থার অমানবিকতার পালা!”
বর্তমান সরকার রোগীদের রেফারেল সিস্টেমের খোলনলচে বদলানোর চেষ্টায় রয়েছে, যেন বেহালা থেকে বাহারী হাসপাতালের পথে রোগীদের হয়রানির পাঁকে পড়তে না হয়। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, কি তবে এই সকল বদলাচ্ছে—শুধু নীতির শ্রীবৃদ্ধি, না নীতির আড়ালে লুকানো পুরনো ভাঁওতাবাজি? বাস্তবতা জানে, ব্যবস্থা কেবল দেখতে সুন্দর হলেই তো হয় না।