স্থানীয় নেতৃত্ব

উত্তরবঙ্গে শিল্প প্রসারে সরকারের নতুন উদ্যোগ, জনমত ও নেতৃবৃন্দের পারফরম্যান্সের প্রভাব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে
উত্তরবঙ্গে শিল্প প্রসারের নতুন উদ্যোগ শুনে মনে হয়, রাজনীতির পাতা আবার ঘুরতে শুরু করেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, আসল উদ্দেশ্য কি নাকি ভোটের আগের রসিকতা? সরকারের এই দানবীয় উপহার কি উন্নয়ন সম্ভব করবে, না বৈহ্যিক সাজগোজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা পুরনো ব্যর্থতা? জনতার আশা আর নেতাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে থাকা ভারসাম্যটাই হলো আজকের আলোচনার মূল বিষয়।

নির্বাচনী প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ড: স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের অকার্যকর ব্যবস্থা!
প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ডের ঘটনার মাধ্যমে আমাদের সমাজের অদ্ভুত রাজনীতির নাটক খোলসে আসে। স্থানীয়দের বিডিওকে লেখা চিঠি যেন শুধুই একটি হাস্যকর দৃশ্যে পরিণত, যেখানে ক্ষমতার খেলায় জনগণের জন্য কোনো বাস্তব পরিবর্তন হয়নি। এই সংকট সত্যিই ঠুনকো, অথচ আমাদের নেতাদের গৌরবময় মুখাবরণে ফোটে বিতৃষ্ণার ফুল।

ঝাউপাথরা সমবায়ে বিজেপির প্রথম জয়, তৃণমূলের দীর্ঘ দিনের আধিপত্য অক্ষত!
ঝাউপাথরা সমবায়, যা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের দখলে ছিল, এবার বিজেপির নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। মহিষাদল বিধানসভায় শাসকদল হলেও এই নির্বাচনে তাদের হার স্বীকার করে নিয়ে গেরুয়া আবিরে মেতে উঠেছে বিজেপি। governance-এ কী পরিবর্তন, আর দলের মধ্যে কোন সংস্কারের প্রয়োজন তা যেন বাক্যের চেয়ে বেশি অসংলগ্ন। মানুষের চেতনা কি আদৌ পরিবর্তিত হচ্ছে, নাকি মিষ্টির স্বাদে মিলিয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক পরিবর্তনের অনুভূতি?

পঞ্চায়েতের সালিশিতে নারী নির্যাতন: সম্পত্তির বিবাদে নেতৃত্বের দায়িত্বে প্রশ্ন, সমাজের চিত্রের অঙ্গবিকৃতি!
সম্পত্তির প্রশ্নে সালিশি সভায় নারীদের ওপর নির্যাতন, সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত মেম্বার রমজান মোল্লার নাম জড়ানো—এ তো এক অদ্ভুত পরিহাস! প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা পালন না করে স্থানীয় নেতাদের এই প্রহসন, সামাজিক নৈতিকতার চূড়ায় তোলা প্রশ্ন—আসলে আমরা কেমন নেতৃত্ব চাই? যেখানে সালিশирাই মানবাধিকারের অবক্ষয়, সেখানে রাজনৈতিক আদর্শের খেয়ে ফেলে দেওয়া কথাধিকারের বাণী শুনতে শুনতে আমরা এক গভীর নীরবতার মধ্যে আটকে যাচ্ছি।

“বসিরহাটে বিজেপি প্রার্থী নির্বাচন: টাকা আর নেতাদের অলি-গলির রাজনীতি, স্থানীয় জনগণের পাশে নেই বিমান!”
বসিরহাটে বিজেপির প্রার্থী বিমল দাসকে নিয়ে স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে—শুধু টাকার বিনিময়ে প্রার্থী নিয়োগ। কর্মীরা বলছেন, এলাকার মানুষের পাশে তিনি কখনোই দাঁড়িয়ে দেখেননি। এ যেন রাজনৈতিক এক অপারেশন থিয়েটার, যেখানে নেতৃত্বের অন্তর্দৃষ্টি হারিয়ে যেতে বসেছে; জনগণের হৃদয়ে আবার বিদ্রূপ—কবে আসবে সেই দিন, যখন নেতা হবে জনতার সেবক, না যে হবে কেবল পকেটের রক্ষক?