সুশাসন

লামলুক শহরের ৩৫০ মহিলা লক্ষ্মী ভাণ্ডার থেকে টাকা পাচ্ছেন না, সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে!
তমলুক শহরের ৩৫০ মহিলার চোখে জল, লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা যেন এক অভিশপ্ত রূপকথা। ১৬ হাজারের মধ্য থেকে এদের তথাকথিত পূর্ণিমার চাঁদ দেখছেন বলতে গেলে কালি গায়ে। সরকারের লহরিতে আশার ফুল ফুটে ওঠার কথা, অথচ বাস্তবে চলছে দুর্ভিক্ষের যুগ—নেতাদের গালগল্প শুনতে শুনতে, সবার মুখোমুখি দেখতে যেন শাসনের প্রতি বিশ্বাসের বাতি নিভে যাচ্ছে।

“তৃণমূলের বিপুল জয়ে বদলে যাচ্ছে রাজনীতির সমীকরণ, নবনির্বাচিতদের শপথগ্রহণে জনগণের আশার আলো?”
রাজ্যের ছয় কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচন দেখল তৃণমূলের ত্বরিত বিজয়, যেন পুলিশে চাকরি পাওয়ার লটারি। সোমবার থেকে বসবে বিধানসভা, নব নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণকে ধরা যাক এক নূতন নাটকের প্রথম আয়োজক। তবে এ জয় কি রাজনীতির মঞ্চে নতুন কাহিনী রচনা করবে, নাকি পুরনো ঢাকের তালেরই পুনরাবৃত্তি?

“পথ দুর্ঘটনায় শুদ্ধসত্ত্বের গ্রেপ্তার; রাজনৈতিক প্রভাব ও জনমত তুলে ধরল টানাপড়েন!”
শুদ্ধসত্ত্বের গাড়ির একটি দুর্ঘটনা আবারো আমাদের সামনে এনে দিলো সমাজের আদর্শ ও রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রশ্ন। এক মহিলা গাড়ির সামনে এসে পড়তেই, হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল। নেতাদের ছত্রছায়ায় যেমন পুলিশের কার্যকলাপ, তেমনি গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেই শেষ হলো কি? এভাবেই কি আমরা সুশাসন খুঁজে পাবো?

দূষণের বাতাসে উৎসবের আনন্দ, শাসকদল কি ভুলে গেল জনগণের সুস্থতা?
উৎসবের মরশুমে কলকাতার বাতাসের শুদ্ধতা নিয়ে গরম আলোচনা চলছে, যখন নেতৃবৃন্দ পরিবেশের কথা বলছেন, কিন্তু চুপ করে মেনে নিচ্ছেন নিজেদের দায়বদ্ধতা। গবেশনানো প্রলাপ, আর সাধারণ মানুষের কষ্ট যেন মাধুরী পেতে পেয়ে গিয়ে গরজে বাজিতেছে। সমাজের স্বাস্থ্য ও রাজনীতির অপদার্থতা, এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বের নাটক।