সিবিআই তদন্ত

মমতার ঘোষণার আগে সিবিআই হাতে মামলার তদন্ত, রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে আদালতের কাছে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছিলেন, তা রাজনৈতিক নাটকের সাক্ষী। একদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অপরদিকে জনগণের দৃষ্টিতে কতটা গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব! সত্যি, এ ধরণের ঘটনাবলিতে সমাজের প্রতিচ্ছবি মহৎ বা অমার্জিত, তবে রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাসে কখনো কখনো শাসকের পরিবেশিত প্রতিশ্রুতির সুর বদলায়, যা কাহিনীর মোড়ে একটি নতুন দিক নিয়ে আসে।

“হাসপাতাল টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের গ্রেফতার, governance-এর প্রতি জনজনের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ!”
স্বরবিজ্ঞানের এই যুগে, স্বাস্থ্যের সুরক্ষকরা যখন নিজেই সন্দেহের তীরে, তখন সিবিআই-এর হাতে ধরা পড়া হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও তার সহযোগী চিকিৎসকের মতো চিত্রকল্প যেন একটা নারীদের স্বপ্নে রূপান্তরিত হচ্ছে। কোথায় গেল সরকারের নিয়ম কানুন, যখন টেন্ডারের বিলি চলছিল দিনের আলোতে? সমাজের এই অতলার্থে প্রশ্ন তো উঠবেই, কোথায় শেষ হবে এই দায়িত্বহীনতার খেলা?

কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে বিকাশ মিশ্রের অনুপস্থিতি, আদালতে হাজির ৪৮ অভিযুক্ত: নতুন অরাজকতার ইঙ্গিত!
আদালতে হাজির ৪৯ অভিযুক্ত, তবে বিকাশ মিশ্রের অনুপস্থিতি যেন সুশাসনের নাটকের একটি মঞ্চস্থ দৃশ্য। কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে জড়িত, অথচ রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় সে নিশ্চুপ—এটাই কি আমাদের গণতন্ত্রের আসল লীলাখেলা? জনতার চোখের সামনে, সিবিআইয়ের ক্ষুরধার তদন্ত কিন্তু সরকারের অন্তরালে চলছে এক খেলা। রাজনৈতিক নেতাদের বিভ্রান্তি বা অদূরদর্শিতা কি হচ্ছে নিজেদের দুর্নীতির বিষয়? প্রশ্নগুলো আকাশে, উত্তরগুলো গন্ধহীন।

সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন মমতা? তৃণমূলের দাবি নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
সিবিআই তদন্তের আবরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক 'সুবিধা' প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নীলাঞ্জন দাসের দাবি আয়নার মত প্রতিফলিত করেছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপট। সত্য-মিথ্যার মিছিলে নাগরিকের বার্তা কি সরকার বুঝতে পারছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নথির ঝলক দেখিয়ে নতুন কথার তালটি খুলে দেওয়া এই রাজনৈতিক নাটকে কিসে কি হবে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছেই। তখন মনে হয়, নেতারা ক্ষমতার চাঁদে যখন খোঁজে, সাধারণ মানুষের পথ হারাবার ভয় কি আরও বাড়ছে?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক তোলপাড়: ৩ IPS কর্মকর্তার দ্বারা তদন্তের নির্দেশ, সিবিআই তদন্ত অগ্রাহ্য!
সোমবার বিচারপতি সূর্যকান্ত ও উজ্জ্বল ভুয়ানের নির্দেশ প্রসঙ্গে, সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন না মেনে পশ্চিমবঙ্গের ভিনরাজ্যের তিন IPS আধিকারিকের উপর দায়িত্ব পড়েছে। এখানে সদা বিরোধীশক্তির মুখে, আইনশৃঙ্খলার দদবদল যেন শাসকের নীরব হাসির রহস্য। জনগণের প্রতি এই নিশ্চয়তা আসলে কতটা আস্থার, সমাজের গূঢ় সংকটকে যদি আমাদের নেতারা দেখেন।

টালা থানার প্রাক্তন ওসি ও কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চার্জশিট তৈরির আগে পুলিশের ডাকে সিবিআই অভিযুক্তের মুখোমুখি!
আপনারা জানেন, টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট তৈরির জurgে এক পুলিশ অফিসারকে আবার ডাকা হল। সিবিআইয়ের কাছ থেকে পূর্বেও জেরার সম্মুখীন হওয়ার পরে, প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতার এই মায়াবী জালে সত্যের অনুসন্ধান কতো দূর এগোবে? আমাদের রাজনৈতিক বাতাবরণ যেন প্রতিদিনই নতুন নাটক রচনা করে, কিন্তু জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সিনেমা কি কখনো মুক্তি পাবে?