সামাজিক সচেতনতা

সুপ্রিম কোর্টে সিবিআইয়ের দাবি: নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রশ্নে উত্তপ্ত বিতর্ক
সুপ্রিম কোর্টে আরজি শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার কথা শুনে মনে হলো, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রণা যেন একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট। নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি সামনে আসার পর বিচারক কেচ্ছার দিকে তাকালেন। সত্যি কি বিচার, নাকি কেবল প্যাঁচ? বৃন্দা গ্রোভার মনে করিয়ে দিলেন, সরকারের নৈতিকতার আকাশে ভারী মেঘ। কবে হবে সেই সুবর্ণ দিন?

২৫০০ কোটি টাকার ঋণে পশ্চিম চৌবাগার নিকাশা ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজনৈতিক মন্তব্য ও জনমত নিয়ে তোলপাড়
পশ্চিম চৌবাগা থেকে বেহালা পর্যন্ত অঞ্চলের জন্য নিকাশা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পে ২৫০০ কোটি টাকার এডিবি ঋণ, যেন এক মুর্ছনার সুরে যোগানদার বনাম ভোক্তার পালা। নেতাদের প্রতিশ্রুতি যেন ডাকের দায়িত্ব, কিন্তু বাস্তবতা কী? সমাজের স্তব্ধ মুখের মাঝে, কি তবে আমরা কেবল ব্যবস্থা নিয়ে তর্কে শাস্তি পেতে চাই?

রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি, কুণাল ঘোষের নেতৃত্বে পতাকা হাতে প্রতিবাদে সঙ্গী নাগেন্দ্র মিশন ও বাঙালি নাগরিক ফোরাম।
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ আজ ভারতের পতাকা নিয়ে মিছিলে হাঁটলেন, নাগেন্দ্র মিশন ও বাঙালি নাগরিক ফোরামের আয়োজনে। সমাজের সংকট ও রাজনীতির নাটকীয় কাহিনীতে, হাতে পতাকা নিয়ে হাঁটা যেন মনে করায়, অনড় গভর্নেন্সের মধ্যে কীভাবে একটি সভ্য সমাজ বাতাসের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করতে পারে। কিন্তু কি শেষ হবে এই হাস্যকর নাটকের?

কৃষকদের মাথায় হাত, বাঁকুড়ায় আধিকারিকের অদক্ষতায় পুড়ে গেল দামি বাদশাভোগ ধান ৫ বিঘা জমিতে
কৃষকের স্বপ্ন যেন আগুনের জলসা, জয়পুরের পর বাঁকুড়ার কোতুলপুরে বাদশাভোগ ধান পুড়ে ফেলল ৫ বিঘা জমির প্রাপ্তি। সরকারের উদাসীনতা কি প্রকৃতির গর্ভে, না তাদের নীতি আর মানুষের আশা—কোনটা বেশি বিপর্যয় নিয়ে আসে? রাজনীতির অন্তরালের এই খেলা আমাদের হৃদয়ের আকাশে বিষাদের কালো মেঘ বুনছে।

নারকেল গাছের ভবিষ্যৎবাংলা: পরিবেশ নিয়ে নতুন বিতর্ক, ঠাণ্ডা ছড়ালেও কি গাছ বাঁচবে জোয়ার–ভাটায়?
কী অদ্ভুত, নারকেল গাছ পরিবেশকে ঠাণ্ডা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে, অথচ আমাদের নেতারা পরিবেশের স্বার্থ রক্ষায় কি করছে তা দেখা যায় না। বিদেশের জলসীমায় নারকেলের শক্তি দেখতে পাবেন, কিন্তু এখানকার সরকারী নীতির তলানিতে কি কেবল শুকনো পাতা? জনতার প্রতিরোধের তরঙ্গ এবং রাজনৈতিক চালে, প্রকৃতির প্রজ্ঞা কি আর তাদের শুনতে পাবে?

শিক্ষিকার দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন: বরাহনগরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করছে স্বশাসনের প্রশ্ন
বরাহনগরের মাতৃমন্দির লেনের শিক্ষিকা জসবীর কউরের কাহিনী যেন ক্ষোভের একটি মেঘলা কনার। ২০০৩ সালে স্বামীর মৃতুকালে প্রাথমিক শিক্ষার মঞ্চে দাঁড়িয়ে, তিনি নতুন ব্যবস্থাপনা ও প্রিন্সিপালের দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। সমাজের কল্যাণের জন্য এক অবিচল পথিক, কিন্তু রাজনৈতিক দুষ্টচক্রের নগ্ন সত্য উদ্ঘাটন করে সমাজের গলিতে গলিতে বিস্ফোরণের সুর বাজছে। শিক্ষার জগতের সুরের সাথে সমাজের অন্ধকারের প্রতি তাঁর দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা, রাজনীতির নাটকের নিপুণ শিল্পের মাঝে এক পুঞ্জীভূত প্রশ্ন রেখে যায়; কি আদৌ একদিন আমাদের শিক্ষার মঞ্চের পরিবেশ বদলাবে?

পুনর্মূল্যায়নের আবেদনে সময়সীমা নিয়ে আদালতে শিক্ষার্থীর মামলা, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মুশকিল!
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও অসুস্থতার অজুহাতে, এক পরীক্ষার্থী যখন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন, তখন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সময়সীমার কঠোরতার দিকে হাস্যকরভাবে লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত হতে হয়। এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রশাসনিক জটিলতা আর মানবিক হতাশার মাঝে শিক্ষা ব্যবস্থা কিভাবে আমাদের আশা ও আস্থা দুটোকেই প্রশ্নের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। আদর্শ আর বাস্তবতার এই দ্বন্দ্বে, আমাদের সমাজ কি আরও সচেতন হতে পারবে, নাকি প্রশাসনের খোলসেই আটকে থাকবে?

অধ্যায় পাঞ্চোলির দেহদান: সত্যিকারের মানবতার জন্য একটি অনন্য উদাহরণ
বলিউড অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি তার দেহ চিকিৎসা বিজ্ঞানকে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা মানবতার প্রতি তার দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করে। ১৩ ডিসেম্বর লাইঅন গোল্ড অ্যাওয়ার্ডসে এই ঘোষণাটি করবেন তিনি। পাঞ্চোলি বলেছেন, “আমি সমাজের কাছে কিছু ফেরত দিতে চাই।” তার স্ত্রী জরিনা ওয়াহাব মেনে নিয়েছেন, তার স্বামী কখনোই অত্যাচারী নন এবং একাধিক অভিযোগের পেছনে ব্যবহৃত হয়েছে পুরনো সম্পর্কের থিম। এই ধরনের সাহসী সিদ্ধান্ত এবং সম্পর্কের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে সহানুভূতির গুরুত্ব বাড়ায়।

নেতৃত্বের পরীক্ষা: ধূপগুড়ির ভাষণে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনার স্রোত, ভোটের আগে সমাজের অন্তর্নিহিত আন্দোলন উন্মোচিত!
বর্তমান রাজনৈতিক নাট্যে, ধূপগুড়ির জটিলতার প্রেক্ষাপটে কিছু নেতৃবৃন্দের আত্মবিশ্বাস যেন একেবারে অদ্ভুত; নৈহাটি থেকে মাদারিহাটে ভোটের ঘোষণায় জনগণের আশা ও অধিকার নিয়ে খেলা চলছে। সংস্কৃতি ও সমাজের মৌলিক অধিকারগুলি ক্রমেই গৌণ হয়ে যাচ্ছে, আর মিডিয়া যেন নিরব দর্শক। জনগণের চিন্তাভাবনায় যে পরিবর্তন হচ্ছেও, তার প্রতিবেদন হচ্ছে যেন কেবল একটি হাস্যকর নাটক।

“নির্যাতিতার স্বামীকে দীক্ষা দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, সমাজে প্রতিক্রিয়া ও সরকারের আইনি পদক্ষেপের দাবি বাড়ছে”
নির্যাতনের নৃশংস তত্ত্ববোধ নিয়ে উজ্জ্বল নামক সদর্থক নেতা, দীক্ষার নামে এক মহিলার। স্বামীকে ডেকে পাঠিয়ে, কপট মুরুণতার আড়ালে ঘরের চার দেওয়ালের মাঝে ঘটে তার কলঙ্কজনক অপরাধ। এ ঘটনা প্রকাশ্যে আনার পর প্রশাসনিক উদ্যোগে উঠেছে প্রশ্ন—শক্তির অমলিন আবরণে কি কেবল ধোঁকা, না বাস্তব বিপ্লবের সম্ভাবনা?