সামাজিক সংকট

কলকাতার মিনি বাংলাদেশে ব্যবসায় ডাউন; সম্প্রীতির আবার্তা, সংকট ও সমাজের চিত্র প্রকাশ পায় HT বাংলার প্রতিবেদনে।
কলকাতার মিনি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক বিরম্যতা আর আধপেটা জীবনের বাস্তবতায় খুব একটা সম্প্রীতির শিক্ষা মিলছে না। রাজনীতি সেখানে যেন খেলা, যেখানে নেতারাই নিজেদের স্বার্থে জনগণের দৃশ্যপটকে তাচ্ছিল্য করে চলেছেন। কিছু হলেও খবর চাউর হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথায় কি জনগণের ক্ষুধা মেটানো যাবে?

“মানবতার কথা বললেন চিকিৎসক: শত্রুর চিকিৎসা করাকেই ধর্ম বলে মনে করছেন তাঁরা”
সম্প্রতিকালে, চিকিৎসকের অমোঘ ধর্ম নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে শত্রুরও চিকিৎসা করতে হবে—এটাই মানবতার পরিচয়। তবে প্রশ্ন হলো, রাজনীতির সবখানে কি এই মানবতা বাতাসে ভাসছে? শাসকদের অতি মানুষের মুখোশ খুলে গেলে, সমস্যা ও লক্ষ্যবিহীন নীতিতে আমাদের সমাজের 'শত্রুর' চিকিৎসা কবে হবে? সভ্যতার এই দ্বন্দ্বে, মানবিকতার দিকে আমাদের চোখ কি সবসময় খোলা থাকে?

লামলুক শহরের ৩৫০ মহিলা লক্ষ্মী ভাণ্ডার থেকে টাকা পাচ্ছেন না, সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে!
তমলুক শহরের ৩৫০ মহিলার চোখে জল, লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা যেন এক অভিশপ্ত রূপকথা। ১৬ হাজারের মধ্য থেকে এদের তথাকথিত পূর্ণিমার চাঁদ দেখছেন বলতে গেলে কালি গায়ে। সরকারের লহরিতে আশার ফুল ফুটে ওঠার কথা, অথচ বাস্তবে চলছে দুর্ভিক্ষের যুগ—নেতাদের গালগল্প শুনতে শুনতে, সবার মুখোমুখি দেখতে যেন শাসনের প্রতি বিশ্বাসের বাতি নিভে যাচ্ছে।

বিধায়কের আবাস যোজনায় নাম নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ, সমীক্ষার অভাবে সৃষ্টি অস্থিরতা!
সাংসদর আবাস যোজনার তালিকা নিয়ে গঠিত বিতর্ক যেন এক নতুন নাটকের পর্দা উড়িয়ে দিল। স্থানীয়দের ক্ষোভ শুনে বিধায়ক দাবি করছেন, সেই তালিকা নিয়ে সমীক্ষা হচ্ছে না। একদিকে সরকারী প্রতিশ্রুতি, আরেকদিকে বাস্তবের অদৃশ্য দেয়াল—কারও বলেনি, 'আবাস' নয়, 'অবাস'। রাজনীতির এই চড়া খেলা যেন মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে করে উড়িয়ে, ঠেলে দেয় অন্ধকারের দিকে।

“স্বামীর বয়স নিয়ে পিএইচএস ফার্টিলিটি ক্লিনিকে বিতর্ক: কি বলছে সমাজের নৈতিক মূল্যবোধ?”
উন্নত সমাজের পথ চলায়, নীতি আর নিয়মের অবিচল কঠোরতা কিভাবে মানবিক আবেগকে রুদ্ধ করে, তার একটি দৃষ্টান্ত দেখা গেল পিএইচএস ফার্টিলিটি ক্লিনিকে। ৫৫ বয়সী স্বামীর অযোগ্যতা সত্ত্বেও, বঙ্গসন্তানের স্বপ্নে বাঁধা পড়েছে যুক্তির সীমানা। এমনকি চর্চিত গণতন্ত্রও ক্রমশ বিস্মৃত; কৃপণত্বের আড়ালে বিকৃত মানবিকতা ফুটে উঠছে।

“বারাবনির অফিসার ইন চার্জ মনোরঞ্জন বাবুর সাসপেনশন: শাসন ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ ও জনগণের ক্ষোভ!”
বারাবনি থানার অফিসার ইন চার্জ মনোরঞ্জন বাবুর সাসপেনশন চিঠি হাতে পেয়ে তিনি বুঝতে পারলেন, রাজনীতির এই খড়কুটোর মধ্যে পেশাদারিত্বের ধারকাটার খেলা চলছে। কয়লা ও বালি ব্যবহারের চাতুরীতে মানুষের স্বার্থের কেয়ার কোথায়? সমাজের দূর্বলতম স্তরে যখন নিশ্বাস নিতে দেখা যায় প্রভাবশালী মহলের ছলনাকে, তখন হাসির আড়ালে কেঁদে উঠে মানবিকতার খোঁজে।

বাংলার আবাস প্রকল্পে কেন্দ্রের দুর্নীতি অভিযোগ, রাজ্যের উদ্যোগে স্বচ্ছতার নতুন নির্দেশনা!
বাংলার রাজনীতিতে যেন বছরের পর বছর ধরে দুর্নীতির কাঁটার মতো একটি ঊর্ধ্বগতি। কেন্দ্র সরকার আবাসের টাকার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সবার সামনে করে ফেলেছে সমসাময়িক ঢঙে খেলা। অথচ, রাজ্য সরকার ১০০ দিনের কাজের টাকা সরবরাহে সঙ্ঘাতের মাজেজা মাঠে নিয়ে এসেছে। পঞ্চায়েত দফতরের ১১ দফা নির্দেশনার শ্লাঘা আরও একবার ঠাট্টা করছে, যাতে স্বচ্ছতার নামে সমাজের সংকট বাড়ছে। সত্যি কথা বলতে, গরিবের হাতে সোনার চামচ ধরানো এখন শুধুই প্রতীক্ষার বন্দুক।

বঙ্গবিভাগ থেকে অনুপ্রবেশ: জাল নথির জালে আটক বাংলাদেশিরা, চিত্রদুর্গে স্থানীয়দের সন্দেহের ফলে তোলপাড় রাজনৈতিক আলোচনা।
কর্নাটক পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকরা চিত্রদুর্গে জাল নথি নিয়ে কাজের খোঁজে গিয়েছিল, যা স্থানীয়দের সন্দেহের সৃষ্টি করে। প্রশ্ন উঠেছে, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আমাদের শাসনের কতটুকু জবাবদিহিতা রয়েছে? আর ওপার বাংলার তরুণেরা আমাদের বৈদেশিক নীতি বা সামাজিক ন্যায়ের ধারণাকে কতটুকু পরীক্ষা দিচ্ছে? গল্প যেন এখন কেবল সীমানা পেরোতেই শেষ হয়, অথচ আসলে তা আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

“রিজেন্ট পার্কে গোলমালে পুলিশের ওপর হামলা: সমাজের অস্থিতিশীলতার করুণ ছবি ফুটে ওঠে”
রিজেন্ট পার্কের গলফগ্রিনের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পেয়িং গেস্টদের তুমুল বিবাদে এক প্রমাণিত সাংস্কৃতিক সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে। পুলিশ যখন শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, তখন গোলমালের মুখে তাদের উপর চড়াও হয়ে যাচ্ছে কিছু মানুষ, যেন তাঁরা সরকারের সাহায্য পাওয়ার চেয়ে আরও অশান্তির জন্ম দিতে আগ্রহী। এই পরিস্থিতি এমন প্রশ্ন তুলছে—আসলে আমাদের সমাজের ‘শান্তি’ কতটা ভঙ্গুর?

বাংলাদেশ কায়দায় ‘হিন্দু নিধন’ জরুরি প্রশ্ন: মমতাকে সুকান্তের চ্যালেঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গ কি সত্যিই বাংলাদেশে বদলে যাচ্ছে?
সুকান্তর বিস্ফোরক অভিযোগে সাড়া দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে; তিনি দাবি করেছেন, বেলডাঙায় হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, যা বাংলাদেশের তালুর ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। মমতার প্রতি প্রশ্ন উঠেছে, সরকার কি এক অজানা কৌশলে বাংলাকে বাংলাদেশ বানানোর পাঁয়তারা করছে? রাজনীতির এই নাটকীয়তার পেছনে জনগণের অসন্তোষ রয়েছে, যা সময়ের সাথে সাথে ফুঁসে উঠছে।