সামাজিক প্রতিবাদ

অধ্যাপকদের আন্দোলনে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ১০০ জনের জোড়ে তীব্র প্রতিবাদ, সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ।
প্রকৃতির অমানবিক চাহিদার মাঝে ১০০ জন অধ্যাপক প্রশাসনিক ভবনের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ করে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। তাঁদের এই প্রতিবাদ যেমন সরকারের প্রতি আক্রোশের প্রতীক, তেমনি দেশের বিদ্যাচর্চার মানের দুরবস্থা ও গবেষণার সংকটের করুণ ছবি তুলে ধরছে। গোটা জাতির দৃষ্টিভঙ্গি কি শুধুই মুখরোচক কথায় সীমাবদ্ধ থাকবে, না কি গহনে প্রবাহিত চিন্তার তরঙ্গে বহমান হবে?

“বিকাশ মিশ্রের চিৎকার: ‘আমাকে মারার চক্রান্ত চলছে’, সরকারের প্রতি জনমানসে বেড়েছে উত্তেজনা!”
বিকাশ মিশ্রের চিৎকার, "মারার চক্রান্ত চলছে", রাজনীতির ভেতরে এক অদ্ভুত নাটক তৈরি করে। এই সরকারের অশান্তি যেন এক দুঃস্বপ্ন, যেখানে নেতা তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গণমানসে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে। সমাজ কীভাবে এই ত্রিমাত্রিক নাটকের দৃশ্যায়নে চুপ করে থাকতে পারে? যিনি মুখ খুলবেন, তাকেই শহীদের মর্যাদা!

“দিলজিৎ দোসাঞ্জের কনসার্টে অ্যালকোহল নিষেধাজ্ঞা: সঙ্গীত ও সমাজের সংযুক্তির নতুন অধ্যায়”
পুনেতে অভিনেতা-গায়ক দিলজিত দোসাঞ্জের কনসার্টে মদ বিক্রির অনুমতি বাতিল হওয়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিবাদের ফলশ্রুতিতে ঘটেছে। এই ঘটনা মাদক এবং বিশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা বাড়িয়েছে, যা সমাজে বিক্ষোভ ও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। দিলজিতের এই কনসার্ট বাস্তবে শিল্পের সামাজিক প্রভাব এবং সম্প্রদায়ের চলমান দ্বন্দ্বের প্রতিফলন।

“পদক্ষেপের অভাবে মন্দারমণি যেন নো-ম্যান্স ল্যান্ড: সরকারের অবহেলায় পর্যটকদের নিঃশব্দ প্রত্যাহার”
মন্দারমণির সৈকত আজ এক ধূসর কাহিনী, যেখানে ভ্রমণপিপাসুরা ঝুঁকি নিতে ভয় পাচ্ছেন। দখলে চলে যাওয়া এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখন নো–ম্যান্স ল্যান্ডে, বেকারত্বের আক্রোশ নিয়ে বসে আছে হতাশ ব্যবসায়ীরা। কেমন মজার, পর্যটনের মরসুমে গোধূলির সময়েও নিরাপত্তার নামে নিরাপত্তাহীনতা! কি আশ্চর্য, কিসের উন্নয়ন, যেখানে সৈকতের বিরূপ পরিণতি 'রাজনৈতিক' অভিযানকে তুলে ধরছে। কী রকম বিদ্রুপ, রূপালী বাক্যে ফুরফুরে আচারের মতো, অথচ বাস্তবের মর্মান্তিক চিত্র!

“কালীর প্রতিমার করুণ বীরত্ব: উৎসবের আগে দুর্ভোগের দাগ, রাজনীতির নাটকে পুজো উদ্যোক্তাদের হতাশা!”
কালীপুজোর প্রাক্কালে প্রতিমা পড়ে যাওয়াটা শুধু দুর্ঘটনা নয়, বরং একটি সমাজের অসংরক্ষিত আত্মার ক্রন্দন, যেখানে ধর্ম ও সংস্কৃতির বাণী রাজনৈতিক বাস্তবতা দ্বিধাবিভক্ত। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পুজো বন্ধ হোক এ অপিৎ, কিন্তু প্রশ্ন করতেই হবে—কীভাবে চলছে আমাদের শাসনব্যবস্থা? এ এক নৈরাজ্য, যেখানে দেবীর সাথে আমরা নিজের মৌলিক অধিকারকেও চড়ে বলি, আমরা সব সহ্য করব।