সামাজিক প্রতিক্রিয়া

ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জামিন পেয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল
তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ ও প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের জামিনের খবরে যেন এক নতুন রাজনৈতিক নাটকের সূচনা হল। সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ মিষ্টি আভাস দেয় বর্তমান শাসনের নৈতিকতায়। কেমন রহস্যময় এই সমাজ, যেখানে আইন ও ন্যায়ের চাবিকাঠি ক্রমশ অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে!

শিক্ষা সিলেবাসে পরিবর্তন: পড়ুয়াদের চাপ কমানোর নামেই কি চলছে রাজনৈতিক খেলা?
বাংলা ও ইংরেজি-সহ ১৯টি বিষয়ে সিলেবাসের পরিবর্তন, পড়ুয়াদের চাপ কমানোর অঙ্গীকার! কিন্তু শিক্ষার নামের পেছনে কি সরকারী তদারকির অভাব এই নতুন পাঠ্যক্রমের অন্তরাল? পরিবর্তন তো দরকার, কিন্তু বাস্তবে কি চাপ কমায়? নাকি কেবল নামমাত্র সংস্কারের খেলা?

বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে বজরং দলের প্রতিবাদ, ভারতীয় পতাকার অবমাননা আইনি জটিলতায় তিন গ্রেফতার।
বাংলাদেশে ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননার প্রতিবাদে বজরং দলের সদস্যরা নিজেদের মতামত জানায়, যা তথাকথিত ‘রাষ্ট্রের প্রতি সম্মান’ এর খোলসে অবলীলায় বেড়ে চলা রাজনৈতিক নাটকের একটি নতুন অধ্যায়। বারাসত পুলিশের হাতে তিনজন গ্রেফতার, অথচ প্রশ্ন উঠছে- এক দেশের পতাকা নিয়ে অন্য দেশের নাগরিকের এ আন্দোলন আমাদের রাজনৈতিক সচেতনতার আড়ালে কোন মঞ্চ সাজাচ্ছে? সভ্যতার এ চিত্রে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, রাজনীতি কবিতার মতোই, কোথাও একদা ফিরে আসেনি!

“পুরসভার উন্নয়নে নতুন উচ্চতা: কলকাতা-হাওড়া-শিলিগুড়িতে ক্রেশ তৈরির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত!”
পুলিশ ও প্রশাসনিক কৌশলে কলকাতা সহ সাতটি পুরসভায় ক্রেশ তৈরি করা হবে, এর মধ্য দিয়েই যেন বারবার শাসন ব্যবস্থা তাদের ওপর ভরসা করে চলছে। নেতাদের যুক্তি আর প্রশাসনের বিবৃতির মাঝে এক বিসদৃশ বিভক্তি তৈরি হয়েছে; যেন সরকার শুধুই বাস্তবতার ছদ্মবেশে আড়াল করতে চায় নাগরিকের মৌলিক চাহিদা। প্রশাসনের সভাগৃহে বৈঠকগুলো মানুষকে কতটা সুরক্ষা দেবে, তা নিয়ে তর্ক চলছে; মনে হচ্ছে, শাসনের গলপলির মধ্যে জনগণের আওয়াজ চাপা পড়ছে।

পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং: সৌমিত্রের শেষ সংকেত রেলপথে, রাজনীতিতে নতুন সংকটের উৎপত্তি!
পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং নাটক যেন বর্তমান রাজনৈতিক সুড়ঙ্গে এক নতুন অধ্যায়, যেখানে সৌমিত্রের ফোনের অবস্থান রেলপথে আবিষ্কৃত হয়েছে। শেষবার সালেমের দিকে, কিন্তু পরক্ষণেই সে নিখোঁজ! এই ঘটনার মাধ্যমে কি প্রমাণিত হচ্ছে আমাদের সরকারী ব্যবস্থার অকার্যকরতা, নাকি বিষয়টি অন্য কোন গোপন সংকেত? জনগণের চোখে তাই দেখছি, এক অশনি সংকেত যেন বৈশ্বিক রাজনীতির বলিরেখা।

জন বারলার বিদ্রোহ: দলে পরামর্শ ছাড়া প্রার্থী নিয়ে তোলপাড়, ভাইকে নির্দল প্রার্থী করে বিরোধিতা!
উপ নির্বাচনের প্রচারে জন বারলার মুখ খোলার সাথে সাথে রাজনৈতিক নাটক শুরু হয়েছে। নিজের ভাইকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে রেখে তিনি ক্ষমতার অভাবনীয় নাটক তৈরি করছেন, যেন শাসকগোষ্ঠীর চলনশীলতার দিকে আঙ্গুল তোলার জন্য এক সুদৃঢ় যুক্তি দরকার। রাজনীতির এই রঙ্গমঞ্চে, জনতার আবেগ আর নেতৃত্বের চেহারা কাল্পনিক হয়, কিন্তু বাস্তবতা কখনোই ছেড়ে যায় না।

চা-বাগানের এলাকায় হাতির উপস্থিতিতে অবাক স্থানীয়রা, বন দফতরের দায়িত্বহীনতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন!
অরণ্যের রাজনীতির খেলা যেন টিকটিকির মতন; হাতির দলছুট হওয়ার ঘটনায় সরকার আবারও অক্ষমতার ছবি তুলে ধরেছে। দুটি সাইলি চা-বাগানের প্রান্তে জনতার মোড়লরা স্মার্টফোনে বন্দি করেছে হাতির কাণ্ড, অথচ সরকারী কর্মীরা ঠোঁটকাঁপানো আশ্বাস ছাড়া কিছুই দিতে পারছে না। খুবই দুঃখজনক, তবে এ যেন প্রতিবাদের এক নতুন রূপ; জনতা হাতির আনন্দে বুঁদ, আর শাসকগণ বসে দেখছে তাদের নৈশভোজ।

উত্তরবঙ্গে লেডিস স্পেশাল বাস চালুর পেছনে সরকারী নীতির প্রভাব ও নারীদের চলাফেরার নতুন দিগন্ত খুলছে!
উত্তরবঙ্গে লেডিস স্পেশাল বাসের উদ্বোধন যেন এক নতুন সূর্যের আলোর মতো, কিন্তু এর পিছনে কি সত্যিই রয়েছে ন্যায্যতার উপলব্ধি, নাকি এটি রাজনৈতিক সাজ পোশাকের জাদু? যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতাকে নারীর হাতে তুলে দেওয়া, নাকি মনোরঞ্জক প্রদর্শনী, এ নিয়ে সমাজে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা আলোচনা। বিচিত্র রাজনৈতিক মহল চঞ্চল, প্রশ্ন জাগছে, প্রকৃতিই বেশি গুরুত্ব পাবে নাকি, রাজনৈতিক ছল-চাতুরীর দৃশ্য?

“প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির মূর্তি: জনগণের টানে বসার স্থান, রাজনীতির চিত্রে হাসির মঞ্চ!”
প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির নতুন মূর্তি রেলগেট থেকে পূর্ণিয়া মোড়ের মাঝখানে, এক নতুন সেলফি জোনের উদ্ভব ঘটাতে চলেছে। মানুষের জন্য বসার ব্যবস্থা থাকলেও, রাজনীতির ক্ষণে সৈন্যশাহী দর্শকরাই কেবল বিনোদনের তরে আবারও যেন অতিথি, ভুলে যাচ্ছেন নীতির মৌলিকতা। রাজনীতি বাদ দিয়ে, সেলফি গুছানোর এই সংস্কৃতিতে, জনতার হৃদয়ে তৃণমূলের প্রতিফলনই কি শুধুই সুরের সঙ্গ?

“পাহাড়ি পর্যটকরা জেগে উঠলেও, রাজনৈতিক সমীকরণে কি বদলাবে সুকনার মোমোর ভাগ্য?”
এখন পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় টয় ট্রেন চালুর উদ্যোগ যেন সুকনা ও রংটংয়ের দোকানিদের জন্য একটি সুসংবাদ। কিন্তু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার মাঝে যে দূরত্ব, তা কি শুধুই পর্যটন কেন্দ্র রক্ষায় সীমাবদ্ধ? নেতাদের শাসনকৌশল ও জনমানসে সৃষ্ট খুশির উন্মাদনা কিভাবে স্থায়ী হবে, তা ভাবনার বিষয়।