সামাজিক ন্যায়

আরজিকর মামলায় আইনজীবীর সরে যাওয়া, সরকারকে প্রশ্নে ফেলছে সমাজের নৈতিক দায়িত্ব ও ন্যায়ক্ষমতার বিশ্বাস।
আরজিকর মামলার নাটকীয় পরিবর্তনে, নির্যাতিতার আইনজীবী সরে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের কলঙ্কের কাহিনীর পৃষ্ঠায় আরেকটি অন্ধকার ছায়া পড়ল। রাজনৈতিক মহলে নানান প্রশ্ন উঠছে—কার ইচ্ছায় বন্ধ হলো ন্যায়ের সুতো? জনতার মনের আকাশে ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে বিক্ষোভের মেঘ। সত্যি কি আমরা গণতন্ত্রের এই ট্র্যাজেডিতেই বন্দী?

রাজ্যসভার শূন্য আসনে রাজনৈতিক নাটকের নতুন অধ্যায়, দীনেশ ত্রিবেদী ও জহর সরকারের ইস্তফার প্রভাব
রাজ্যসভার আসন শূন্য, আর পলিটিক্সের মাইলফলকে দীনেশ ত্রিবেদী ও জহর সরকারের ইস্তফা যেন এক বিবর্ণ নাটকের প্রতিফলন। বোঝা যায়, নেতা তো দূরে, জনগণের যাতনা নিয়ে কারও সত্যি কোনো দায়িত্ব নেই। গদিতে থাকা ওয়্যারলেসের মতো, দেশের শাসন যেন টুইটারে সিমিত। আর যদি জনমানসের উন্নতি চাও, তবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বেড়িয়ে এসে অন্তরের কথাগুলো শুনতে হবে।

সন্দেশখালিতে নতুন জেটির বিরুদ্ধে জনগণের আপত্তি, পুরনো জেটি পুনর্নির্মাণের দাবি উঠছে।
সন্দেশখালির নতুন জেটি নির্মাণ নিয়ে আবারও বিতর্কের বলয় ঘনীভূত হচ্ছে। শ্মশান ও সমাধির নিকটে যাতায়াতের আপত্তি জনতার মনে প্রাক্তন অগ্নিমুখিত স্মৃতির আঁচ টেনে আনে। পুরনো জেটি ভেঙে নতুন নির্মাণে যে সঙ্গতি আনা সম্ভব, তা বোধগম্য, কিন্তু রাজনীতি তখন কি? এদিকে, জনগণের মতামত কি আদৌ শোনা হচ্ছে, নাকি পরিকল্পনাকারীদের 'দর্শন' রূপকথার মতো?

ছয় মাসে ৮ লক্ষ টন আলু পাচার, রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বমুখী দাম বৃদ্ধির অভিযোগ
ক্রমেই ডাল-ভাতের দামও বেড়ে চলেছে, কারণ রাজ্যের অসাধু ব্যবসায়ীরা ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৯৪ মেট্রিক টন আলু গোপনে পাচার করছেন। এতে কৃষক এবং নাগরিকদের উদ্দেশ্যে আমাদের নেতাদের প্রতিশ্রুতির মুখে এক তীব্র বিদ্রূপ। আদর্শের বাণী শোনানো রাজনীতির মঞ্চে এখন শুধুই মন্দিরের প্রাসাদ এবং বাজারের ডিলারদের মুখোমুখি।

বিজেপির পক্ষে জন বার্লার ভূমিকা: আদিবাসী বিকাশের নেতার ক্ষমতা ও প্রভাবের নতুন অধ্যায়
একসময়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লার আদিবাসী বিকাশ পরিষদকে সামনে রেখে বিজেপির মদত দিতে থাকা ইতিহাস যেন একটি নাটকের মতো—যেখানে ক্ষমতার পালাবদল আর জনশ্রুতির শোকেসে আদিবাসীদের ভূমিকা উপেক্ষিত। সমাজের চিত্রপটে রাজনীতির উদ্বাস্তু হয়ে ওঠা এই নেতার উত্তরাধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কি সত্যিই প্রত্যাশার আলোকে সমাজে কোনো পরিবর্তন সম্ভব?

“রত্নগর্ভা সমাজের মূর্তি: জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে সরকারের শিরদাঁড়ায় শক্তি ও দুর্বলতার খেলা”
রাজ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদের অঙ্গ হিসাবে মূর্তিটি প্রদর্শন করা হচ্ছে, যেন একদিকে চলমান প্রশাসনিক উদাসীনতার নিন্দা করা হয়, অন্যদিকে সমাজের অসংবেদনশীলতা প্রকাশ পায়। মনে হচ্ছে, রাজনীতির ক্রীড়াঙ্গনে চিকিৎসার আশা আজ শুধুমাত্র অভিনেতাদের খেলার ক্ষেত্র। জনতার মনের অন্তর্দৃষ্টি কি এক সময়ে সত্যিই মূর্তি পাবে?

“রাজ্য বনাম দেশ: দুই স্কিমের পার্থক্যে বাজেটের খেলা, দেবাংশুর পোস্টে উঠল নতুন বিতর্ক!”
দেবাংশুর পোস্টের পর সবার মুখে একটাই প্রশ্ন—কীভাবে রাজ্যের জন্য বরাদ্দ আর কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দের মধ্যে এত বিস্তর ফারাক ঘটছে? একজন সদা সচেতন নেটিজেন অর্থের এই অদ্ভুত খেলা তুলে ধরার পর, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সরকারের নীতির প্রতি অসন্তোষ ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। কবিগুরু যেন বলেন, এই সরকার ও শাসকেরাই আমাদের ভবিষ্যৎ তৈরির কৌশলিদিলেন—তবে মনে হয়, সেই কৌশলটি আরও গভীরতার সঙ্গে ভাবার সময় এসেছে।

অমিত শাহর সঙ্গে দেখা না করে নির্যাতিত চিকিৎসকের পরিবারকে উপেক্ষা, কুণাল ঘোষের তীব্র সমালোচনা ও হতাশার সূচনা।
অমিত শাহ নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবামায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অস্বীকার করলেন, আর তা নিয়ে তৃণমূলের কুণাল ঘোষের তীব্র আক্রমণ, হতাশার অভিব্যক্তি যেন রাজনীতির চিরন্তন নাট্যাঙ্গনে এক নতুন গতি। নেতার শূন্যতা কতটা গভীরে পৌঁছেছে, তা বুঝতে রাজ্যের জনগণের সঙ্গে এক অব্যক্ত সংলাপ রচিত হচ্ছে, যেন ভদ্রলোকের রাজধানীতে মানবিকতার ন্যূনতম মানেরও অবক্ষয়।