সামাজিক নিরাপত্তা

রাজধানীতে চন্দ্রবোড়া সাপের উৎপাত, জনমনে আতঙ্ক ও প্রশাসনকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।
রাজধানীর নারায়ণপুর ও গোপালপুরে চন্দ্রবোড়া সাপের আতঙ্ক যেন শুধু প্রকৃতিরই খেলা নয়, সরকারের অবহেলারও এক নগ্ন সাক্ষী। বিষধর সাপগুলির উৎপাত নাটকীয় ভাবে আমাদের বাস্তবতায় ঝুঁকি, যেখানে প্রশাসনিক অক্ষমতা আর জনমনে ভীতি হাত ধরাধরি করে বাড়ছে। সমাজের অন্তর্গত রাজনীতি ও ব্যবস্থাপনার খুঁতগুলো খোলামেলা দৃশ্যে এসে দাঁড়িয়েছে, যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে—সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আদৌ কাদের হাতে?

সেতু নির্মাণে কৃষকদের জীবন পাল্টাবে, সরকারী উদ্যোগে যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হবে
জগৎপুর ও ধান্যঘোরি পঞ্চায়েতকে যুক্ত করতে একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ সম্ভাবনার দ্বার খুললেও, এ প্রশ্নে সরকারের কার্যকলাপের সুষ্ঠু প্রতিফলন কি? বন্যার ক্ষতিপূরণ না হলে কৃষকের দুর্দশা তো একই রয়ে যাবে। সেতুর চেয়ে প্রয়োজন বাস্তবসম্মত ও দূরদর্শী পরিকল্পনা; নয়তো আন্দোলন তো বাকি থেকেই যাবে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মাদকসন্ত্রাসের ধাক্কায় শাসক জোটের শীর্ষ নেতাদের উপর চাপ, চিন্তায় জনতা।
এই বছরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিশাল মাদক এবং সোনা-রূপোর পাচার ধরার চিত্র যেন আমাদের সমাজের গভীর অন্ধকারকে প্রকাশ করে। ১১ হাজার ৮৬৬ কেজি মাদক এবং ১৩০০ কোটি টাকার সোনা-রূপো উদ্ধার হলেও, কি পরিমাণ দুর্নীতি এবং শাসনের উদাসীনতা আমাদের কর্তাদের চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে? পাচারকারীদের বিনাশে নেওয়া কঠোর পদক্ষেপ, সত্যিই কি সামাজিক অবক্ষয় বন্ধ করতে সক্ষম হবে? সরকারের গৌরবময় বাহস চলাকালে, সাধারণ মানুষের জীবনে নৈতিকতা এবং নিরাপত্তার আবির্ভাবের আশায় কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, তা ভাবনার উদ্রেক করে।

বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে যুবকের উপর হামলা: সমাজে নিরাপত্তার সংকট ও মানবতার অভাব!
বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে এক যুবকের উপর নির্মম হামলা ঘটেছে, যেখানে তাঁর মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি ছুরি ও পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সমাজের নিস্পৃহতা অবাক করে, যেন নীরবতা একটি খেলা। রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে সমাজের এই অব্যবস্থার অন্ধকার প্রকাশ করোনা, তবে প্রত্যেকে তাঁদের নিজস্ব স্বার্থে জাগার অপেক্ষায়।

বাইসনের হামলায় গুরুতর আহত নৃপেন: স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা সৃষ্টিকারী
নৃপেন বর্মনের উপর বাইসনের হামলা যেমন আমাদের সমাজের প্রাণীজগতের চিত্র উল্কার মতো স্পষ্ট করে তুলেছে, তেমনই রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি অদৃশ্য দায়িত্বহীনতারও রূপক। সমাজের এই অবক্ষয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা বাড়ার বদলে, নেতাদের হাত পরিবর্তনের খেলা এক ভিন্ন আঙিনায় প্রবাহিত হতে থাকে। কোথায় আমাদের মনুষ্যত্ব, যখন মানুষ তাঁদেরই সামনে নিপীড়িত?

“যুবকের রহস্যময় মৃত্যু: সিঙুরের রাজনীতিতে আবারও প্রশ্নের ঝড়, সরকারের দায়িত্বের সঙ্কট তুলে ধরা!”
ঘটনার মাঝে রাজনৈতিক নাটকের এক নতুন পর্বে, যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুতে সিঙুরের সিডরবিভাগে প্রশাসনের অনীহা স্পষ্ট। গলায় কাটা দাগের চিহ্ন বলতে কি বোঝায়—আবর্জনার ভিতরে মানবিকতার ক্রমহাসন? পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ, কিন্তু সমাজের অসুখের তীব্রতা কি স্থানান্তরিত করবে এক অন্য রূপে? কবে থামবে এই অদেখা পঙক্তির খেলা?

“যান নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে পুজোর ধ্বংসাত্মক শব্দবাজিতে সরকারের কড়া অপারেশন – সমাজের শান্তি, কোথায়?”
শহরের রাস্তার যান নিয়ন্ত্রণের কথা উঠেছে যেন পুজোর আনন্দ নষ্ট না হয়, কিন্তু বাস্তবে কি এ সব ‘নিয়ন্ত্রণ’ আর ‘আইন’ জনগণের নিরাপত্তা, নাকি রাজনৈতিক নাটকের লেবাস? ছোট লরির শব্দবাজি, প্রশাসনের উদ্দেশ্যহীন সতর্কতা—এসব কি কেবল আবহমানের খেলা, যেখানে রাজনীতির বায়োস্কোপ দেখানো হয়, আর সাধারণ মানুষ শুধুই দর্শক?

“রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো প্যাডে টাকা হাতানোর কাহিনি: কার্ড দুর্নীতিতে নৈতিকতাহীনতার এক নতুন অধ্যায়!”
বাংলার মানুষজন এখন কাটাকাটি করছে যে কিভাবে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের পিন নম্বর চুরি হয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ভুয়ো মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে টাকা হাতানোর বিচিত্র কাহিনী। সামাজিক নিরাপত্তার অভাব এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা সামনে এসে দাঁড়িয়ে। এই দুর্নীতির ভেতর দিয়ে আমাদের সমাজের গাঢ় সংকট, অর্থনীতির পৃষ্ঠপোষকতা এবং জনগণের অসহায়ত্ব প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। সরকারী ও বেসরকারি স্তরে কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরোপিত হচ্ছে না; ফলে, সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্থিরতা বাড়ছে, যেন একটি সাংস্কৃতিক দুর্বলতা আমাদের চেতনাকে আচ্ছন্ন করছে।

জব্বার মোল্লার হত্যা: রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বা ব্যক্তিগত শত্রুতার ঘননাখানি? স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে!
রাজনীতি ও সমাজের অধ্বসনান্তরকালে জব্বার মোল্লার হৃৎপিণ্ডহীন দুর্ভাগ্যের দেহ উদ্ধার, সন্দেশের মতো ছড়িয়েছে আতঙ্ক। পুলিশ তদন্তে হাত দিয়েছে, কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—কেন রাজনীতির অঙ্গনে শান্তি নেই? ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে শুরু করে সমাজের গলվող নৈতিকতা, সব কিছুই যেন এক সুতোয় বাঁধা। গণমানুষের গুণগানে দিনের শেষে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে শুধুই শববাহী গাড়ির আওয়াজ।