সামাজিক আন্দোলন

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের অসুস্থতা: জামিন ও স্বাস্থ্য সংকটের রাজনীতি নিয়ে উঠছে নতুন প্রশ্ন
রাজনীতির সভাসদে যখন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের জীবন-মরণ যাত্রা চলে তখন সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাও নিভে যেতে বসেছে। শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বিভ্রান্তি বাড়াচ্ছেন তিনি। ২৫ নভেম্বরের জামিন যেন গভীর রাজনৈতিক খেলার একটি পণ্ডিত নাটক; কিন্তু পেটের সংক্রমণ গুরুতর হয়ে উঠলে রাজনীতির পালে নতুন হাওয়া লাগায়। এই পরিস্থিতিতে গবর্নেন্সের গণ্ডিতে বড়াইয়ের চেয়ে কীভাবে সভ্যতা সমর্থন খুঁজে পাবে, তা ভাবতে হলেও যেন ভয় লাগে।

শিলিগুড়িতে বিক্ষোভ: বিক্রমাদিত্য মণ্ডলের বাংলাদেশি পণ্য বন্ধের আহ্বান রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে
বিক্রমাদিত্য মণ্ডল শিলিগুড়ির বাজারে বিক্ষোভের সময় দোকানদারদের বাংলাদেশি পণ্য ছাঁটাইয়ের আহ্বান জানিয়ে বলছেন, যেন ভৌতিক কার্যকলাপের ওপর দেশের শাসকদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়। প্রসঙ্গত, প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে রাজনীতির লোভ ও বাজারের অস্থিরতা দেশের সংস্কৃতিকে চিরসূত্রবদ্ধ করছে, যখন এ ধরনের স্লোগানে সমাজের মননের পরিচয় যাচ্ছে।

“পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: ডাকাত ধরেও কড়া হাতে কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি?”
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে, যখন ডাকাত মানিককে কড়া হাতের পরিবর্তে অতি সাধারণভাবে আদালতে হাজির করা হলো। সরকারী শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পতন রীতিমতো নাটকীয়, আর জনগণের মধ্যে নিরাপত্তার অভাবের অনুভূতি ক্রমশ বাড়ছে। প্রশাসনের এই দ্বিচারিতা শুধু নজির হয়ে থাকবে, নাকি বিবেকের তোলোয় পরিণত হবে?

ঘুম রেলস্টেশন: পর্যটনে গতি, নেতৃত্বে অস্থিরতা ও পাহাড়ের সংস্কৃতির উন্মেষ।
ঘুম স্টেশনের চূড়ায় দাঁড়িয়ে, যেখানে ইতিহাস ও পর্যটনের মেলবন্ধন, গভীর ভাবে প্রশ্ন জাগে—আমাদের উন্নয়নের ট্রেন কি সত্যিই সঠিক পঙ্ক্তিতে চলছে? দার্জিলিংয়ের হেরিটেজের প্রতি সরকারের মনোযোগ, নিকটবর্তী সাংস্কৃতিক উন্মোচন কি জাতির টয়ট্রেনের মতোই প্রকৃত পরিবর্তন আনতে সক্ষম? সমাজের ভূতিকেন্দ্রের কাহিনী কি আসলেই আমাদের নৃত্য-গানে রূপায়িত হচ্ছে, না পৌরাণিক কল্পনার পৃষ্ঠায় লুকানো?

বাড়িতে গুলির ঘটনায় স্বামী পলাতক: নারী নির্যাতনের বর্ষণে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু!
ব্যান্ডেলের মানসপুরে স্বামী কিষাণ মালির এক নারียের মানবজীবনের চিত্র যেন সমাজের অন্ধকার দিকের একটি আড়ি—অটো চালক অন্যকে পার্যন্ত রাখার বদলে নিজের স্ত্রীর জীবন নিয়ে খেলা করলো। গুলির শব্দ যেন রাজনৈতিক শূন্যতার প্রতিধ্বনি, যেখানে মানবতা ও শাসনের বেঞ্চে টলমল গভীর সংকট। আমাদের সভ্যতা কি নতুন শুয়োরে ঢুকছে না?

বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব রক্ষায় শুভেন্দুবাবুর দাবি,今晚 বেহালায় মশাল মিছিল।
শুভেন্দুবাবুর টানাপড়েনের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই এখন টানটান। কৃষ্ণদাস প্রভুর মুক্তির দাবি তুলে আজ বেহালায় মশাল মিছিল উন্মোচন হবে, সেই পথে হাঁটার সাহস কি ভাগ্যবিধাতার? সংবাদমাধ্যমে এই রাজনৈতিক নাটকের রঙ্গমঞ্চ চলছে, যেখানে नेतृत्वের প্রতিশ্রুতি এবং জনতার আকাঙ্ক্ষা এক বৈপরীত্য সৃষ্টি করছে। আমরা কি সত্যিই আশা করতে পারি, সন্ন্যাসী মুক্তির দাবির সঙ্গে প্রগতির সুর গুনগুনাবে?

“বিপজ্জনক সময়: কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি সংবিধান পাল্টাতে পারে, শীতকালীন অধিবেশন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ”
কংগ্রেসের নতুন উদ্যোগটি যেন একটি নাটকীয় পালা, বিপরীত প্রান্তে বিজেপির সংবিধান পাল্টানোর শঙ্কার মেঘ জমে আছে, ঠিক যেমন বাজে আবহাওয়ায় কপালে ভাঁজ চেপে বসে। শীতকালীন অধিবেশনে কামারংকা কর্তার দলীয় ঐক্যের নাম করে সরকারী চালচিত্রকে সমালোচনা থেকে রক্ষা করা সহজ হবে না; জনগণের চেতনায় স্বাধীনতার বীজ এক্ষণও ফুলে উঠছে।

পুলিশের নীচুতলা কর্মীদের ফিরিয়ে আনার দাবিতে প্রতিবাদ: রাজনীতি ও প্রশাসনে নতুন সঙ্কটের ইঙ্গিত?
গত সেপ্টেম্বর মাসে ভবানী ভবনের সামনে পুলিশকর্মীদের পরিবারের দাবির উচ্চারণ লৈয়া রাজনৈতিক গতি আরো ত্বরান্বিত হয়েছে। যখন রদবদলের শব্দে রাজনীতি গুলিয়ে যায়, তখন আসলে সত্যিই কী বদল হয়? জনগণের আশা এবং নেতা-মানুষের বিবর্ণ মুখ, দুটোই যেন আমাদের প্রত্যাশায় একটি নতুন সুরের খোঁজে।

“মমতার সভায় ইটাহারের মোশারফ হোসেনের প্রস্তুতি: কি বলতে চলেছেন সংখ্যালঘু সেল?”
এবার ৬ ডিসেম্বর ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি শহিদ মিনারের ছায়ায় নতুন রাজনৈতিক রঙ্গমঞ্চ হিসেবে আলোর মুখ দেখবে। ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হলেও কার্যবিবরণী নির্ধারিত না হওয়ায় জনসমক্ষে ঐতিহ্যের সম্ভাবনা আর রহস্যের ভূবন অব্যাহত। এ এক বিচিত্র রাজনৈতিক নাট্যরচনা, যেখানে প্রতিটি বক্তব্যে গঠন এবং ভাঙনের সূক্ষ্ম প্রতিচ্ছবি উঁকি দিচ্ছে।

মমতার নেতৃত্বের শক্তি নিয়ে ফিরহাদের মন্তব্য: নির্বাচনে জয় প্রমাণ করুক সমালোচকেরা!
মমতা বন্দ্যোপাধ्यায়ের ওপর নানা সমালোচনা চললেও ফিরহাদ বলছেন, “যারা নানা কথা বলে, তারা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেখাক।” এই সময়ের রাজনৈতিক চিত্র যেন এক নাটকের আসর, যেখানে নেতার পরিশ্রম আর জনসমর্থনের মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্ব ফুটে উঠছে। সঠিক নেতৃত্বের অভাবে সমাজের চিত্রের কি পরিবর্তন ঘটছে তা ভাবতে বাধ্য করে।