সামাজিক অস্থিরতা

মেদিনীপুরের নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ: প্রশিক্ষণ শেষ, কিন্তু পদের জন্য কারা নেবে দায়িত্ব?
মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ নিয়ে গুঞ্জন নতুন মাত্রা পেয়েছে, যখন ৭৪ জন প্রার্থীর প্রশিক্ষণের পরও তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার পালা স্থবির হয়ে উঠল। কী বিচিত্র, একদিকে সরকার চাকরি দেবে, অন্যদিকে প্রয়োজনে লোকজনের আগ্রহও টানতে পারছে না! যেন নাদান নাটকের পাণ্ডিত্য; এখানে নেতৃত্বের গুণাবলী পরীক্ষার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিবাদ ও ডাক্তারদের দ্বন্দ্ব: রাজনীতির খেলার মধ্যে মানবিকতা হারিয়ে যাচ্ছে?”
সংসারবাসী জুনিয়র চিকিৎসকদের আরজি ও প্রেসমিটের তর্কে পণ্ডিতদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যেন বুদ্ধির সংকট প্রকাশ পায়। আন্দোলনের অঙ্গনে এঁদের বিরোধিতা করে যারা, তারা কি মানবতার সেবার আদর্শে উজ্জ্বল, না কি স্বার্থের শিখরে আত্মবিসর্জন? সমাজের নীতি তলানিতে, আর সরব উক্তি যেন শূন্য নয়ন।

“বৈষ্ণবনগরে বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর: তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক খণ্ডযুদ্ধের নতুন অধ্যায়”
বৈষ্ণবনগর থানার বেদরাবাদ ঘটনার ভিডিও সামনে আসতেই বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীর সাথে মারধরের নাটক সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। বিজেপি তৃণমূলকে আক্রমণ করতে দ্বিধা করছে না, যেন রাজনীতি একটি অসমাপ্ত গদ্য। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে governance এর জটিলতা আর জনমানসে নেতাদের প্রতি বিভ্ৰান্তি আরও স্পষ্ট হচ্ছে, যে সংস্কৃতিবোধ আমাদের রাজনীতিকে পঙ্কিল অবস্থায় ঠেলে দিচ্ছে।

শুভেন্দু বাবুর দাবিতে অন্ধকারে মমতা: ১৪ তারিখের ভাঙচুর কি রাজনৈতিক নাটকের নতুন কিস্তি?
শুভেন্দুবাবুর মন্তব্যে উঠে এসেছে এক রাজনৈতিক নাটকের কাহিনি, যেখানে রাজ্যের শাসক দল এবং বিরোধী পক্ষের মধ্যে বেড়ে চলেছে চাপানউতোর। তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আরজি করের ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এভাবে কি চলবে governance? সমাজে অস্থিরতা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যগুলি আরও গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে সৎ নেতৃত্বের অভাব জনগণের বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।