সাংবাদিকতা

সুশান্তবাবুর ক্ষোভ: ‘লিপিকাদেবীকে জড়ানো মহাব্যাপক মিথ্যা; ভাঙচুরের যুক্তি খোঁজার তো কিছু নেই!’
সুশান্তবাবুর উদ্ভট মন্তব্যে রাজনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তির তাজা আলোচনায় তিনি জানালেন, লিপিকাদেবীকে নিয়ে অযথা কুৎসা বন্ধ করা উচিত। কিন্তু সত্যি কি, কাউন্সিলরের এড়ানো সত্ত্বেও সংশয়গুলো ঘূর্ণিত হতে থাকে। সামাজিক আন্দোলনের পতনের মতো, ভাঙচুরের যুক্তিতে কি আদৌ কোনো শুদ্ধি সম্ভব? মানুষ এখন প্রশ্ন করতে শিখছে, রাজনীতির তীরে-কাতারের খেলায়।

“কালী ঠাকুরের ভাসান: অপশাসনের অশ্লীল নাচে, জনগণের মননের অগ্নিসংযোগ!”
কালী ঠাকুরের ভাসান চলাকালীন ঘটে গেল অবাক করা কাণ্ড—যেন রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব। নেতারা নিজেদের মহিমা জাহিরে ব্যস্ত, অথচ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে উঠছে অসন্তোষের ঝড়। অযথা ছবি তোলার চেষ্টা আর জনতার শোক, যেন এক ভাস্কর্যের সামনে নৃত্য; কিন্তু সেই নৃত্যের অর্থ কি? জনগণের বিক্ষোভে কি গর্বের সংকেত খুঁজে পাবেন নেতারা, না কি আবারও কাটতে হবে রাজনীতির অন্ধকারে?

“চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে টানাপড়েনে তৃণমূল, বঙ্গ রাজনীতির নাট্যমঞ্চে নতুন অধ্যায়!”
মঙ্গলবার, আরজি করের প্রিন্সিপাল সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়ের পরীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই চিকিৎসকদের প্রতি তৃণমূলের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। আর যেন সমাজের স্বাস্থ্যকর রাজনীতির খোঁজে জনগণ অস্থির, প্রভূত বিতর্কের মধ্যে যেন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসাব্যবস্থা, আর নেতাদের কথার ফুলঝুরির মধ্যেও সাধারণ মানুষের আশঙ্কা ক্রমশ আরও গভীর হচ্ছে।

“সুবর্ণ গোস্বামীর আইনি নোটিশ: দেবাংশু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষমা চাওয়ার চাপ, রাজনীতির দূষিত রক্তের প্রতিচ্ছবি”
সুবর্ণ গোস্বামীর আইনি নোটিশে দেবাংশু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ ওঠেছে, যেন রাজনীতির জমিনে এক নতুন কাহীনি লেখা হচ্ছে। ক্ষমা প্রার্থনার চাপ এবং মানহানি মামলা—এতে সমাজের দোর-দোরান্তে রাজনৈতিক শ্লেষ আবার ফুটে উঠেছে। এই নিত্যনতুন নাটক কি আমাদের শাসকদের দুর্বলতা তুলে ধরছে, নাকি জনগণের বুদ্ধি ও অনুভূতির ওপর এক অজানা পরীক্ষা? ইতিহাসের পৃষ্ঠা উল্টোতে হতে পারে, কিন্তু কেমন আছে আমাদের আজকের রাজনৈতিক সচেতনতা?