সরকারের প্রতিশ্রুতি

“পূর্তমন্ত্রীর দাবি: ২০২৫-এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জল সরবরাহ, অধ্যক্ষের নির্দেশনায় রাজনৈতিক সঙ্কটের আবহ!”
বিধায়ক ও পূর্তমন্ত্রীর মধ্যে কথোপকথনে স্বচ্ছতার আহ্বান, আর অধ্যক্ষ বিমানের আন্তরিক পরামর্শে প্রকল্পের সীমাবদ্ধতা ফুটে ওঠে। রাজ্য সরকারের জল সরবরাহ প্রকল্পে ৫৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন, কিন্তু ২০২৫ পর্যন্ত অপেক্ষা! যেন শূন্যে আবারও এক নতুন আশা, তবে জনগণের খরিদে কি এ জলের মূল্য কত? সভ্যতার স্রোতে রাজনীতির মিতুর আলোছায়া; প্রতিশ্রুতির রঙিন জালের মাঝে লুকিয়ে রইল জনপদের বাস্তবতা।

বিধায়কের আবাস যোজনায় নাম নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ, সমীক্ষার অভাবে সৃষ্টি অস্থিরতা!
সাংসদর আবাস যোজনার তালিকা নিয়ে গঠিত বিতর্ক যেন এক নতুন নাটকের পর্দা উড়িয়ে দিল। স্থানীয়দের ক্ষোভ শুনে বিধায়ক দাবি করছেন, সেই তালিকা নিয়ে সমীক্ষা হচ্ছে না। একদিকে সরকারী প্রতিশ্রুতি, আরেকদিকে বাস্তবের অদৃশ্য দেয়াল—কারও বলেনি, 'আবাস' নয়, 'অবাস'। রাজনীতির এই চড়া খেলা যেন মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে করে উড়িয়ে, ঠেলে দেয় অন্ধকারের দিকে।

রাজস্ব ঘাটতি: কলকাতা পুরসভার আয়ে ৭৮ কোটি টাকার পতন, কি বলবে নেতারা?
কলকাতা পুরসভার রাজস্ব আদায়ে ভাঁটা পড়েছে, নির্মম সত্য ফুটে উঠেছে যে, ৭৮ কোটি টাকা আয় কমেছে। এই সংকটে কি আর্থিক শৃঙ্খলার অভাব, নাকি নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গির অন্ধকার? জনমানসে প্রতিফলিত হচ্ছে শাসনের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা, যেখানে সরকারী খরচের অলঙ্কারে জনগণের আশা করজালে জড়িয়ে যাচ্ছে। সত্যিই কি লালসার মোহে আমাদের নেতারা অন্ধ হয়ে পড়ছেন?

রাজ্যের নিজস্ব অর্থে আবাস প্রকল্পে মমতা প্রশাসনের বিতর্কিত পদক্ষেপ: ঘরে ঢুকে আসে সমাজের সত্তা!
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এবার আবাস প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের টাকায় ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, কিন্তু নবান্নের মুখের কথা ও ভুরি ভুরি অভিযোগের মাঝে কি আদৌ সাধারণ মানুষের উন্নতি হবে? রাজনীতির নতুন নাটকীয়তার অন্তরালে, সরকার ও জনগণের মাঝে সম্পর্কের জটিলতা যেন শুদ্ধ কবিতার মতো, আক্রমণাত্মক অন্তর্নিহিত প্রশ্ন তুলে ধরছে।