সমাজ সচেতনতা

দুষ্টু যুবকের হাতে শিশুরা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সমাজে।
সম্প্রতি একটি গভীর উদ্বেগের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রতিবেশীরা এক যুবককে ধরেন শিশুর জন্য অশালীন কাজ করতে গিয়ে। এ ঘটনা শাসকদের কার্যকলাপের প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে, সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে মূল বিষয়বস্তুর আলো ফেলছে। আমাদের নেতারা কি এসবের দায় মেনে নেবেন, নাকি চোখে বালির ঝাপড়ায় সন্ত্রাসী, নিরীহদের ভুল বুঝবেন?

“নমাজের স্থানকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলায় বিজেপির তীব্র প্রতিক্রিয়া: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে ওঠে নতুন বিতর্ক”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, 'যেখানে নমাজ পড়বে, সেটাই ওয়াকফ সম্পত্তি হবে', রাজনীতির স্রোতের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিজেপি নেতারা ক্ষুব্ধ, যেন সমাজের সুকুমার বৃত্তি ধরে রাখার অঙ্গীকারে ভঙ্গ ঘটছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, রাজনৈতিক বক্তব্যের মাঝে মিশ্রিত হয় গভীর সমাজ সচেতনতা ও হালকা রসিকতা, যেখানে জনগণের মনের মণিকাঞ্চন খুঁজে পেতে রাজনৈতিক নেতাদের আরও সচেতন হতে হবে।

“পঞ্চায়েতের পথে প্রাণহানি: নিহতের মায়ের আহাজারি, রাজনীতির অন্ধকারে মৃত্যু যন্ত্রণার সংবাদ!”
মাঠে সভা শেষ হতে না হতেই এক মায়েবাবু জানালেন, পঞ্চায়েত যাওয়ার আগে তাঁর ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। স্ত্রীর কথায়, “শত্রু তো ছিলই না”, কিন্তু আমাদের রাজনীতির খেলার মাঠে কি সদ্ভাবের স্থান? সমাজে শান্তি খুঁজতে গিয়ে কি আমরা নিহতের মায়ের কান্না ম্লান করতে পারব? নেতাদের প্রতিশ্রুতি, আর ঘটনাবলী যেন বিচিত্র এক নাটকের কাহিনী, যেখানে মানবতা কেবল একটি পর্দার পেছনে ঢেকে থাকে।