সমাজ পরিবর্তন

মমতার বাণী, বাংলার মাটি ছাড়বে না; শাসন আর দায়িত্বের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক দেখা দিল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বাংলার প্রতি তার অটুট ভালোবাসার ছাপ ফেলে; তবে প্রশ্ন উঠছে, সেই ভালোবাসার সুরে কি সত্যি জনগণের কল্যাণ নিহিত? ক্ষমতার জন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর খেলা চলছে, আর জনগণ যেন এক দৃষ্টিহীন দর্শক। স্বদেশের মাটিতেই তার শেষ নিশ্বাস শেষ হবে, কিন্তু কবে ফিরবে সেই স্বার্থপরতা ছাড়া রাজনীতি?

শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক, হাইকোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে সন্ন্যাসীদের কর্মসূচি রানি রাসমণিতে
শুভেন্দুর বক্তব্যে ফুটে উঠেছে রাজনীতির চেহারা, যেখানে হাইকোর্টের অনুমতি—একদিকে চলমান তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের মিটিং, অপর দিকে হিন্দু সন্ন্যাসীদের কর্মসূচি নিয়ে অনুমতি চাওয়ার আবস্থা। সমাজের নৈতিকতা, নেতৃত্বের কার্যকারিতা এবং গণমানুষের সংবেদনশীলতা যেন এ এক অসার নাটক, যেখানে সরকার ও ধর্মের গোলদাঁড়ি একই পথে। রাজনীতি যেন রবীন্দ্রনাথের গানে 'অন্ধের বাণী', যেন এক নতুন কাব্য রচনা করতে চলেছে।

তুহিন দে’র সম্মান: সমাজের জন্য নতুন জাগরণ ও নেতৃত্বের গুরুত্ব অবলম্বন করছে খড়গপুর।
বিশেষভাবে সক্ষম তুহিন দে খড়গপুরের গর্বে পরিণত হয়েছেন, তাঁর অবিচলিত জীবনযুদ্ধে সরকার কিংবা নেতাদের সাহসী পদক্ষেপের অভাব যেন বার্তা দেয়। সমাজের অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা কীভাবে আলোতে উদ্ভাসিত হতে পারে, সেই কথাই যেন আমাদের মলিন রাজনৈতিক নীতির প্রতি এক হাস্যকর আঙ্গুলি নির্দেশ করে।

ইডি-র তদন্তে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা: সিবিআইয়ের এফআইআর কি বদলাবে দুর্নীতির চিত্র?
সম্প্রতি সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর অনুসরণে, ইডি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় নেতাদের শুদ্ধাচারের কথা শুনে মনে হয়, নীলকন্ঠের মতই তাঁরা কখনো গর্জন করেন, আবার কখনো শান্তিতে নিমজ্জিত। জনগণের হতাশা কি শুধু কল্পনার রঙেই চিত্রিত?

“বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: এক বছরের অসন্তোষ, সরকারী নীতির বিভেদ ও জনগণের নিরাপত্তা সংকট”
রাজনীতির পটে রঙ বদলে গেছে, কিন্তু দুঃখের সুরগুলো যেন অতীতের আগুনের ছাঁই। বাংলাদেশ-বিষয়ক আলোচনায় আমাদের নেতারা কথা বলছেন, অথচ নাগরিকদের ভেতরে চলছে এক শূন্যতা। কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিভাজনে বিভ্রান্তি, আর গণমাধ্যমের সৌন্দর্যবোধের কাছে সাধারণ মানুষের আর্তনাদ চাপা পড়ে যাচ্ছে। সমাজের এই পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে, নেতা হিসেবে তাঁদের পারফরম্যান্স কি শুধু আমাদের দুঃখের আধার?

ফারুক মণ্ডলের গ্রেফতার: রাজনীতির অন্ধকারে প্রশ্নবিদ্ধ নেতৃত্ব ও সমাজের হতাশা বেড়ে চলেছে
ফারুক মণ্ডল আবারও সন্দেহের সংকীর্ণ পথে। পুলিশ যখন তাকে গ্রেফতার করে, তখন তাঁর মুখ থেকে বের হয়ে আসে নানা প্রশ্ন, খাদ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলো যখন তরল রাজনীতির উৎসব। সমাজের পরিবর্তনশীল গতি কি সত্যিই নেতাদের জন্য দায়বদ্ধতা বাড়াতে পারে, নাকি এভাবেই চলে অকাল গ্রেফতারির নাটক?

অভিষেকের অফিসে সুশান্তের গোপন বৈঠক, রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন জল্পনার জন্ম!
গতকাল সন্ধ্যায় ক্যামাক স্ট্রিটে সুশান্তের অভিষেকের অফিসে প্রবেশ এবং বের হওয়ার ঘটনাটি একটি রাজনৈতিক নাটকের অংশ। পূর্ববতী সভার দানা থেকে বেরিয়ে আসা এই তৎপরতা যেন সমাজের মনের অন্ধকারে আলো ফেলার চেষ্টা। সুশান্তের মুখে বিব্রত নিঃশ্বাস, অভিষেকের অভিধানে ক্রমবর্ধমান দম্ভ, এই সবই আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতার গোলকধাঁধার অঙ্গীকার—সমসাময়িক শাসন ব্যবস্থার অঙ্গীকারের চেয়ে বেশি বোধ এবং কম ক্রোধের সংকেত।

গোপালনগরে দৃষ্টিহীন শিক্ষিকার চাকরি: প্রশাসনের মানবিকতার গল্প নাকি রাজনৈতিক নাটক?
পূর্ব মেদিনীপুরের গোপালনগরে সদ্য চাকরির সুপারিশপত্র হাতে পাওয়া সরস্বতী কর, যিনি ৭৫ শতাংশ দৃষ্টিহীনতায় ভুগছেন, তাঁর শিক্ষাদানের মাধ্যমে সমাজে একটি নতুন আলো জ্বালানোর লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। সরকার যে গোপনে অক্ষমতার সীমারেখা দ্বীর্ণ করেছে, তা যেন আবার একবার স্পষ্ট হচ্ছে; যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও, সাফল্যের ঝলক দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র সুবিধাবাদীর রাজনৈতিক খেলার অন্ধ গলিতে।

“নকল রশিদ আর টাকার খেলায় নেতাদের উধাও দায়িত্ববোধ: প্রশাসনের অন্ধকারে সমাজের ক্ষতি কতটুকু?”
এতদূর এসে আমাদের সমাজে কি ঘটছে! নকল রশিদ আর টাকা তোলার রাহাজানি যেন এখন দৈনন্দিনের খেলা। প্রশাসন থেকে নেতাদের অবলীলায় দরিদ্র জনগণের সাথে এই প্রতারণা যেন একটি নাটকের দৃশ্য। নেতা-নেত্রীরা সব কিছু জানেন, তবুও ভন্ডামির মাস্তানিতে রাশ নেই। এই দুর্নীতি শুধু অর্থের লুট নয়, আমাদের নৈতিকতারও মৃত্যু।

মমতার উত্তরবঙ্গ সফরে ভোটযুদ্ধের প্রস্তুতি; উপনির্বাচনে শাসকের আবেদন: জনগণের আসল মুখচ্ছবি কী?
উত্তরবঙ্গের পল্লিগ্রামগুলো এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদধ্বনিতে মগ্ন, যিনি ১৩ নভেম্বরের উপনির্বাচনে জনতার মন জয় করতে সদা প্রস্তুত। কিন্তু এই কার্যক্রমের মাঝে তার আবেদন যেন রাজনৈতিক নাটকের এক বিস্তৃত স্ক্রিপ্ট। নির্বাচনের ফলাফল ২৩ নভেম্বর প্রকাশ হবে, সেইসঙ্গে গণমানুষের আশা আর হতাশার ঝিলমিল। কি নির্মম! নির্বাচনী তপ্ত বাতাসে তার বার্তা যেন প্রতিশ্রুতির মায়াজাল, যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লড়াইয়ের আকুতিও ভাসমান। কতটুকু পরিবর্তন আসবে এই সাধনার মাধ্যমে? কষ্টে লেখার সময়ে, আমাদের রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে বন্দী থাকা কি সত্যিই নতুন পথের সূচনা?