সংস্কৃতি

হানি সিংয়ের অজানা জীবনের কাহিনী, নাটকীয় আগমন ও ফিরে আসার গল্প, ২০ ডিসেম্বর নেটফ্লিক্সে!
১২ ডিসেম্বর নেটফ্লিক্সে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে "ইও ইও হানি সিং: ফেমাস", একটি তথ্যচিত্র যা ভারতীয় হিপ-হপ কিংবদন্তি হানি সিংয়ের জীবন তুলে ধরে। পরিচালক মোজেজ সিংয়ের মাধ্যমে রচিত এ ডকু-ফিল্মে একদিকে তাঁর সাফল্যের গল্প, অন্যদিকে সংগ্রামের নানা দিক প্রকাশ পাবে। শিল্পের পেছনের মানুষের গভীরতা ও প্রতিভা বোঝার সুযোগ পাওয়া যাবে এই তথ্যচিত্রে, যা শুধুমাত্র বিনোদনই নয়, বরং অনুপ্রেরণার বড় কারণ হতে পারে।

কালীপুজো নিয়ে বিতর্ক: গ্রামে আমন্ত্রণের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপের আলোচনায় ক্ষুদিরামের উপস্থিতি
শনিবার একটি কালীপুজোর অনুষ্ঠানে ক্ষুদিরামের উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। গর্বিত সংস্কৃতির এই প্রদর্শনীতে, সাধারন মানুষের ভেতরকার মৌলিক বিশ্বাস এবং প্রথার প্রতি একটি গভীর কৌতূহল ফুটে উঠেছে। কিন্তু কি করে কালীপুজোকে শুধু ধর্মীয় উৎসব মনে রেখে চলার মাঝে, আমাদের নেতাদের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক দুর্গন্ধ? যে আলোচনাগুলি আমাদের সমাজকে সজ্জিত করার পরিবর্তে বিভক্ত করছে, তা কি আদৌ কালীদেবীর আশীর্বাদ পান?

হলং বনবাংলোর পুনর্গঠন: ঐতিহ্য রক্ষায় বন দফতরের নতুন উদ্যোগ এবং পর্যটকদের আবেগের প্রতিফলন
হলং বনবাংলোর ঐতিহ্য রক্ষার দাবিতে নোভল শৈলীতে লেখা চিঠি যেন বর্তমান শাসনের অসহায় দশার একটি গূঢ় প্রতিবিম্ব। ষাটের দশকের স্মৃতিবিজড়িত এই বাংলোর পুনর্নির্মাণে বন দফতরের উদ্ধব, কতটা বিশ্বাসযোগ্য তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পর্যটকদের দুঃখ তাঁদের স্বার্থে কবে সুরাহা পাবে, কিন্তু সরকারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সংস্কৃতির চিরন্তন সম্পর্ক কেমন?

স্ট্যানফোর্ডের মেডিসিন ও অর্থনীতির পিএইচডি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সমাজে পরিবর্তনের চিত্র।
রাজনীতির আসন্ন স্রোতে, সেই খুড়তুতো ভাইয়ের কথায় শুনি, জড়ানো অঙ্কের মতোই, নেতা আর জনগণের সম্পর্ক বিচিত্র। চন্দননগরের সেই বাড়িতে যখন শিক্ষার আলো ছড়িয়েছিলেন, তখন কি জানতেন, সময়ের হালচালে শাসকের দাওয়াইয়ের অঙ্ক গুলোর চেয়ে, সন্তুষ্ট মানুষের হাসি দ্রুত মিলিয়ে যাবে?

“আইএফএফআই’র রঙিন সমাপ্তি: শিল্পীর বিচ্ছুরণে উজ্জ্বল হবে চলচ্চিত্রের নতুন অধ্যায়!”
গোয়ায় অনুষ্ঠিত 55তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আইএফফির শেষ অনুষ্ঠানটি নিয়ে উন্মাদনা বাড়ছে। ভারতীয় সুপারস্টার অলু অরজন এবং তার সহযোগী রাশমিকা মন্দানা সেই অনুষ্ঠানকে আলোকিত করবেন। দর্শকদের জন্য নতুন গল্প ও বিনোদন দিয়ে ভরা এই উৎসবের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পের পরিবর্তন এবং দর্শকদের রুচির পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ভুরিভোজ সমিতির পুরস্কার নিয়ে উন্মাদনা: সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের বাস্তবতা উন্মোচন করছে সাধারণের চাওয়া-পাওয়া।
ভুরিভোজ সমিতির পুরস্কার ঘোষণায় সাধারণ মানুষের উত্তেজনা দেখে মনে হয়, বিস্তীর্ণ গভীরের সুরেলা জলরাশি যেন স্রোতে ভেসে চলেছে। সরকারী নীতির মিষ্টি ফাঁদে রাজনৈতিক নেতাদের কার্যকলাপ, জনসাধারণের হতাশা, এবং মিডিয়ার ধোঁকাবাজি—এসবে যেন এক মহাবিলাসের খেলা। সমাজের অনেক স্তরের মানুষের মনে নতুন প্রশ্ন জাগ্রত হচ্ছে: সত্যিই কি পুরস্কারই সব? না কি মুখোশের আড়ালে লুকানো রয়েছে আদর্শ-নিষ্ঠার অবক্ষয়?

“সিনেমার জগতে নতুন দিগন্ত: সিটারা মাল্টিপ্লেক্সের মাধ্যমে রূপান্তরিত হবে Tier-2 ও Tier-3 শহরের বিনোদন!”
প্রযোজক টুটু শর্মার নতুন উদ্যোগ সিতারা উদ্বোধিত হতে যাচ্ছে, যা সিনেমা কেন্দ্রিক আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি হবে। এই মাল্টিপ্লেক্স সিটিতে সিনেমার পাশাপাশি ক্যাফে, সেলুন ও শিশুদের জন্য জায়গা থাকবে, স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসকে সম্মান দিয়ে। টুটু শর্মা জানিয়েছেন, সিনমার ব্যবসায় ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য এই বিনোদন কেন্দ্রগুলি ব্যবহার উপযোগী হবে, যেখানে সস্তা টিকিট ও খাবারের সাথে পাবেন নতুন প্রতিভার সুযোগ। তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে—অবশ্যই কি এই উদ্যোগ তারুণ্যের কল্পনাকে উজ্জ্বল করবে, নাকি কেবল চাহিদার বাজারে বিজ্ঞাপন বাণিজ্যের আরো বিস্তার ঘটাবে?

“টয় ট্রেনের যাত্রা: বিদেশি পর্যটকদের আগমনে সরকারের উন্নয়নের নেপথ্যে কী লুকিয়ে আছে?”
আজ ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে দার্জিলিঙের উদ্দেশে টয় ট্রেনের যাত্রা শুরু হল, যেখানে বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত। তবে এই উদ্ভাসিত ছবির আড়ালে প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত ঘাটতির বিবর্ণ কাহিনী লুকিয়ে। রাজনীতির নাট্য মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সাফল্য ও সমকালীন অসঙ্গতি নিয়ে ভাবনার আহ্বান তুলে এনে, বার্তা দিচ্ছে, সবুজ পতাকা তুলে ধরার সাথে সাথে কি আদৌ পরিবর্তনের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে?

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগে গোপন চক্রান্তের ছায়া, কি হচ্ছে শিক্ষার মুক্ত আকাশে?
রাজ্যের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে যখন সরকার ঢালাও বক্তব্যে ব্যস্ত, তখন শুধু দুটি বিশ্ববিদ্যালয় আটকে রইল, সেখানেও কি অদ্ভুত খেলা চলছে! মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে জমা হয়েছে নামের লিস্ট, কিন্তু সেখানেও কি নিয়মের নিপুণ অলঙ্কার। ভেদাভেদে, সৃষ্টির পরিধি সংকুচিত হচ্ছে, সংস্কৃতির স্রোতে আমাদের শুভবুদ্ধির বৃদ্ধিও কি অন্ধকারে?

“ছটপুজোয় মমতার সুর, বাংলা পক্ষের তীর্থযাত্রা: সরকারের প্রতি ক্ষোভের সুর কি গেয়ে উঠবে জনগণ?”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছটপুজোর উপলক্ষে নিজের লেখা একটি গান প্রকাশ করে সংস্কৃতির বাহাসে জড়িয়ে পড়লেও, বাংলা পক্ষ তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছে। যেন এক হালকা ঝোরো হাওয়ার মাঝে, রাজনীতির মাঠে আপাত সমরস্স্যের পর্দায় প্রকৃত অসঙ্গতির জঙ্গল ফুটে উঠেছে; তা দেখেই মনে হতে পারে, এলোমেলো সুরের মধ্যে নতুন কোনো বাস্তবতা খুঁজছেন সকলে।