শিক্ষাব্যবস্থা

শিক্ষার্থীদের খাবারে ডিমের দাম বৃদ্ধি, সরকারের বরাদ্দে ঘাটতি ও শাসনের অক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সমাজ
শিশুদের জন্য মিডডে মিলের বরাদ্দ বাড়ানো হলো, অথচ ডিমের দামে উর্ধ্বগতিতে পেটের ক্ষুধা মেটাতে পারছে না শিশুরা। সরকারি নীতির অস্বস্তিকর বিরোধীপাত, উল্লেখ করে মনে পড়ে যায় রবীন্দ্রনাথের সেই কথা—শাসক আর হিতৈষী, দুই বুড়োই নিজেদের কাজ করে যাবে, আর আমাদের চোখের সামনে খাবারের দাম বেড়ে যাবে রোজ।

“২০২৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা আগেভাগে, বিদ্যালয় পর্ষদের বিপরীতে ছাত্র-ছাত্রীদের চিৎকারে গলদঘর্ম রাজনৈতিক নাটক!”
আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে, যা তারিখের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরছে, যেন governance’র সঠিক পথ খোঁজার মরিয়া চেষ্টা। শিক্ষার এই চতুর খেলায়, কর্তৃপক্ষের কঠোর আচরণ সত্ত্বেও, সমাজের উৎকণ্ঠার মাঝে কি শিক্ষা কেবল পরীক্ষার খাতায় সীমাবদ্ধ? জ্ঞানের চাইতে সমালোচনার রাস্তা কি উন্মুক্ত?

“মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন: ছাত্রদের সাফল্যে সূচনা, রাজনীতির মুখোশের আড়ালে কি আবারও কৌতূহল?”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফল্যের ঝলক তুলে ধরে বলছেন, রাজ্যের গর্ব ২০২৩ সালের অল ইন্ডিয়া ট্রেড টেস্টে নতুন সাফল্য এসেছে। কিন্তু এই সাফল্য কি সত্যিই শাসনব্যবস্থার উন্নতির নিদর্শন, না কি স্রেফ রাজনীতির খেলার আড়ালে জনশক্তির একমাত্র আশা? সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে কি এগুলো যথেষ্ট?