রাষ্ট্রের দায়িত্ব

আন্দোলনের গুরুত্ব নিয়ে অভিযুক্তের মায়ের সতর্কবার্তা, সিবিআইয়ের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
গতকাল একটি আন্দোলনে নির্যাতিতার মায়ের আকুতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের নীতির প্রতি প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেছিলেন, যদি আন্দোলন থেমে যায়, তাহলে সত্যিকার তদন্তের আশা কি? এই প্রশ্ন বিজ্ঞতা ও বিদ্রূপের মিশ্রণে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকে আঙ্গুল তোলেছে, যেখানে ক্ষমতা কার্যকরীভাবে অগ্রসর হচ্ছে, কিন্তু জনগণের কণ্ঠস্বর কোথায়?

পুলিশের হাতে গ্রেফতারি: জনগণের নিরাপত্তা বা শাসনের ফালতু ব্যবহার?
রাজনীতির মঞ্চে নাটকীয়তা যেন নতুন করে রঙিন হচ্ছে, যেখানে মানুষ আর পুলিশ, দুই পক্ষই যেন ভীতির খাঁচায় বন্দি। দুলালের অভিযোগ, এক দিনের জন্যও ভাবেনি যে প্রশাসন এমন নৃশংস হতে পারে। সমাজের এই ভয়াবহ পরিবর্তনে কি কেবল নেতা ও তাদের শাসনের দোষ, নাকি জনগণের নিষ্ক্রিয়তাও দায়ী?

পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং: সৌমিত্রের শেষ সংকেত রেলপথে, রাজনীতিতে নতুন সংকটের উৎপত্তি!
পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং নাটক যেন বর্তমান রাজনৈতিক সুড়ঙ্গে এক নতুন অধ্যায়, যেখানে সৌমিত্রের ফোনের অবস্থান রেলপথে আবিষ্কৃত হয়েছে। শেষবার সালেমের দিকে, কিন্তু পরক্ষণেই সে নিখোঁজ! এই ঘটনার মাধ্যমে কি প্রমাণিত হচ্ছে আমাদের সরকারী ব্যবস্থার অকার্যকরতা, নাকি বিষয়টি অন্য কোন গোপন সংকেত? জনগণের চোখে তাই দেখছি, এক অশনি সংকেত যেন বৈশ্বিক রাজনীতির বলিরেখা।

কলকাতায় বাংলা ভাষার বিলুপ্তি: রাজনৈতিক নেতাদের মূর্খতা নাকি সামাজিক উদাসীনতা?
কলকাতার হৃদয়ে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব যেন আজ বিলীন হতে বসেছে, যেখানে রাস্তার নামকরণেও ইংরেজির ছাপ; রাজনৈতিক নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ ছাড়া এ যেন সভ্যতার এক নতুন সদগতি নয়। শব্দগুলো যখন একসময় শোনেনি, আজও কি শুনতে পাবে দেশবাসী? অসমীয়া, বিহারী এসব নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু বাংলা ভাষার প্রতি কেন এই নির্লিপ্ততা?