রাজ্য সরকার

রাজ্য সরকারের আলু মজুত সময়সীমা বাড়ানো: ব্যবসায়ীদের সুবিধা, বাজারে অগ্নিমূল্য, দোষ কার?
রাজ্য সরকার আলু মজুতের সময়সীমা ৩০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর বাড়িয়ে ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিলেও, খুচরো বাজারে অগ্নিমূল্যের কারণে প্রশ্ন উঠেছে—আলুর ‘দোষ’ কার? প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নেপথ্যে নেতাদের কর্তৃত্বে যে অনিশ্চয়তা বিরাজমান, তা অনায়াসে জনগণের ওপর চাপ প্রস্থাপন করছে, যেন জনগণেই দায়ী। এই নাটকের মধ্যে আদর্শ-রাজনীতি হারিয়ে গেছে, আর জনগণের কষ্টে সরকার নিজেকেও অতিক্রম করছে।

“আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে পাঞ্জাব নির্ভরতাঃ বাংলায় বীজ উৎপাদনে নতুন উদ্যোগ ও রাজনৈতিক আলোচনা”
বাংলার কৃষির স্বনির্ভরতার গর্বে ভাসতে হলেও, আলুর বীজের জন্য পঞ্জাবের শরণাপন্ন হওয়ার দুঃখজনক সত্য আমাদের সামনে। বিধানসভায় যখন দাম বৃদ্ধির প্রশ্ন তুলে হতাশার স্তব্ধতা গড়াচ্ছিল, তখন সরকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে নিজস্ব বীজ উৎপাদনের। এই সদিচ্ছার মূলে কী আত্মবিশ্বাস, নাকি রাজনৈতিক আপ্তবাক্য? সময়ের দাবি কি প্রকৃত স্বাধীনতার, নাকি মাত্র হোঁচট খাওয়া আত্মমর্যাদার?

বিজ্ঞানী ও শিল্পপতিদের সম্মিলনে ২০২৪ জগতের বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন বাতিল, রাজ্য সরকারের প্রকল্প নিয়ে তীব্র আলোচনা।
রাজ্য সরকারের পরিকল্পনাগুলি নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক হলেও, ২০২৪ সালে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন বাতিল করা যেন বাণিজ্যিক স্বপ্নের শেষ। বিদেশী শিল্পপতিদের আদর যত্নের খোঁজে, প্রশ্ন উঠছে—প্রকল্পে সাফল্য না, অতিথি আপ্যায়নে বরং শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা? রাজনীতি ও সমাজের জায়গায় ক্রমশ এই আইপিসি যেন এক অদ্ভুত নাটক।

বাংলার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন নীতি: রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে চলেছে!
জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র সদর্থক বাণী কিন্তু প্রশ্ন উঁকি দেয়, এই উন্নতির প্রলোভনে কি সত্যিই আমরা পরিবর্তনের বীজ বপন করতে পারব, নাকি শুধু অথরিতির ফুল ফোটানোর আয়োজন? উন্নয়নের এই পথে জনগণের কপালের রেখা কি সত্যিই বদলাবে?

বাংলার আবাস প্রকল্পে কেন্দ্রের দুর্নীতি অভিযোগ, রাজ্যের উদ্যোগে স্বচ্ছতার নতুন নির্দেশনা!
বাংলার রাজনীতিতে যেন বছরের পর বছর ধরে দুর্নীতির কাঁটার মতো একটি ঊর্ধ্বগতি। কেন্দ্র সরকার আবাসের টাকার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সবার সামনে করে ফেলেছে সমসাময়িক ঢঙে খেলা। অথচ, রাজ্য সরকার ১০০ দিনের কাজের টাকা সরবরাহে সঙ্ঘাতের মাজেজা মাঠে নিয়ে এসেছে। পঞ্চায়েত দফতরের ১১ দফা নির্দেশনার শ্লাঘা আরও একবার ঠাট্টা করছে, যাতে স্বচ্ছতার নামে সমাজের সংকট বাড়ছে। সত্যি কথা বলতে, গরিবের হাতে সোনার চামচ ধরানো এখন শুধুই প্রতীক্ষার বন্দুক।

“কলকাতা হাইকোর্টে ৫ জনের বিচারযাত্রা: প্রকল্প সুবিধায় দুর্বৃত্তায়নের গল্পে সরকারের মানসিকতার চিত্র”
কলকাতা হাইকোর্টে পাঁচজন নাগরিক সরকার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে প্রকল্পের সুবিধা থেকে তাঁদের অনৈতিকভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। আদালতে রাজ্য সরকারের রিপোর্টের পর এই মামলার শুনানি চলাকালীন, প্রশ্ন ওঠে—গভীর দুর্ভাগ্যের মাঝে সরকার শুধু নিজস্ব আভিজাত্যই দেখায়, নাকি সত্যিকার অর্থে জনতার কল্যাণে কিছু করার চেষ্টা করে? সমাজের যন্ত্রণাকে কেন্দ্র করে এই বিচারবিভাগীয় নাটক আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের অন্ধকার দিকগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।