রাজনৈতিক সমস্যা

ধর্মঘটের কারণে রাজ্যে আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শাসকের ব্যর্থতা স্পষ্ট হচ্ছে।
রাজ্যের আলুর দাম এক মাস্তিতে বেড়ে চলেছে, যখন মুখ্যমন্ত্রী দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ভিনরাজ্যে রফতানি বন্ধ করলেন। জনগণের ক্ষোভে ধর্মঘটের ডাক, যেন অসহায় কৃষকরা দাম বাড়ানোর নতুন কৌশল। এখানে শাসকের কর্মসূচি আর জনতার ভাবনার মধ্যে বিস্তীর্ণ একটি শূন্যতা, যা গভীর হাস্যরসের দ্বারা ফুটে ওঠে। কতটা অদ্ভুত যে, কৃষকের হাতের আলু এখন যেন রাজনৈতিক খেলার প্যাদানি!

লামলুক শহরের ৩৫০ মহিলা লক্ষ্মী ভাণ্ডার থেকে টাকা পাচ্ছেন না, সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে!
তমলুক শহরের ৩৫০ মহিলার চোখে জল, লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা যেন এক অভিশপ্ত রূপকথা। ১৬ হাজারের মধ্য থেকে এদের তথাকথিত পূর্ণিমার চাঁদ দেখছেন বলতে গেলে কালি গায়ে। সরকারের লহরিতে আশার ফুল ফুটে ওঠার কথা, অথচ বাস্তবে চলছে দুর্ভিক্ষের যুগ—নেতাদের গালগল্প শুনতে শুনতে, সবার মুখোমুখি দেখতে যেন শাসনের প্রতি বিশ্বাসের বাতি নিভে যাচ্ছে।

সিঙ্গুরের নতুন শৌচালয়: প্রশাসন দাবি করছে, অপরাধ কমবে আর সামাজিক সচেতনতা বাড়বে!
সিঙ্গুরের বেড়াবেড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শৌচালয়ের সূচনা দেখে মনে হচ্ছে, শৌচকর্মের সমস্যা শুরুর দিকেই ছিল, তবে এখন নতুন শৌচালয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের নজরদারী যেন আমাদের সমাজের শৌচতার প্রতি এক নতুন মানসিকতার জন্ম দেবে। কিন্তু, প্রশাসনের এই উদ্যোগ কি সত্যিই জনগণের মধ্যে শুচিতা গড়বে, না কি শুধু রাজনৈতিক প্রদর্শনী হয়ে দাঁড়াবে?

“বাংলা পক্ষের ক্লাসে আইসিসের নৃশংস ভিডিয়ো: রাজনীতির অন্ধকারে মানবতার গলতি!”
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা পক্ষের ক্লাসে আইসিসের নৃশংস ভিডিও প্রদর্শনের ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গণে আগুন লেগেছে। সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অশুভ প্রদর্শন সম্ভব। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আমাদের সমাজের তলানিতে লুকানো অমানবিকতা এবং শাসক দলের দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে হারিয়ে গেছে মানবিক মুল্যবোধের চিহ্ন।

“আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ৫০ সিসিটিভি: ৩ লক্ষ ৫২ হাজারে স্বচ্ছতার আড়ালে অস্বচ্ছতার মিছিল!”
আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ৫০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর জন্য ১ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের খবরটি শুধু আর্থিক অপচয়ের গল্প নয়, বরং শাসনের অদৃশ্য হাতের পরিচয়। তিন লক্ষ ৫২ হাজার টাকা প্রতি ক্যামেরায়, আমরা কি নিরাপত্তা পাচ্ছি, নাকি রাজনৈতিক দৃষ্টিক্ষেপ? প্রশ্ন জাগে, ক্যামেরার পেছনে কি আমাদের বিশ্বাসের অভাব নাকি নেতৃত্বের অযোগ্যতা?

গ্রামীণ আন্দোলনের দিকে চোখ মেলছে চিকিৎসকদের, শহরের সুরক্ষা এখন কৃষকের হাতে: নতুন রাজনৈতিক নাটক চলছে!
শহরকেন্দ্রিক আন্দোলনের রাশ খানিকটা গ্রামের দিকে মোড়ে, চিকিৎসকদের গণকনভেনশনে থমথমে আলোচনা হলো। আরজি করের গোল্ডেন জুবিলি ভবনে কিছু অদ্ভুত পরিকল্পনা নিয়ে সমবেত হলেন সকলে, যেন শহরের গুড ক্লাবে গুঁজে রাখা এক বোতল ফিরেছে গ্রামীণ পল্লিতে; রাজনৈতিক নাটক অব্যাহত, সমাজের গতি রুদ্ধ হয়ে চলছে।