রাজনৈতিক সংঘাত

নরেন্দ্রপুরে দীপক রায় হত্যায় নেতৃত্বের অযোগ্যতা এবং সমাজের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি
দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরে দীপক রায় এবং তাঁর পরিবারের হত্যা দৃষ্টিকটু চিত্র তুলে ধরছে বর্তমান রাজনীতির। ক্ষমতার লোভে অন্ধ সমাজে, কাঁধে কাঁধ রেখে দাঁড়িয়ে থাকা নেতারা কি আদৌ মানুষের নিরাপত্তার দায়ভার নেবেন? সংসার ভাঙার হাহাকার বাড়ছে, তবে ক্ষমতার খেলোয়াড়রা যেন তাদের মিটিংয়ের ভিতরে হারিয়ে গেছে, গুম হয়ে গেছে মানবতা!

“রাজারহাটের নার্সারিতে বেড়া স্পর্শে যুবকের উৎখাত, রাজনৈতিক নৈতিকতার মুখোমুখি সমাজের ব্যাকরণ!”
রাজাহাটের নার্সারিতে ঘটে যাওয়া একটি যুবকের দুর্ঘটনা, বেড়ার স্পর্শ করতে গিয়ে ছিটকে পড়ার ঘটনা, যেন আমাদের সমাজের ওপর রাজনৈতিক বেড়াগুলোই স্পষ্ট করে চলে আসে। এতোদিনে কতো নেতা আমাদের নিরাপত্তার অঙ্গীকার করেছিলেন, অথচ বেড়ার প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা আঁকড়ে ধরলাম অসহায়ত্ব। গণতন্ত্রের আলোয় নিষ্প্রাণ হয়ে উঠছে প্রত্যাশাগুলি, অথচ আলোর উৎস আজ নিজেই আঁধারে। এ ভাবেই কি আমরা এগিয়ে যাব?

“কল্যাণের মেজাজ হারানো, জগদম্বিকার সামনেই ভাঙল বোতল – রাজনীতির নাটকে হাতের আঙুলও পেল চোট!”
কল্যাণের রাগে ভাঙা কাচের বোতল যেন রাজনৈতিক নাটকের এক উজ্জ্বল প্রতীক। জগদম্বিকা পালেন সামনে থাকাকালীন ভাঙা বোতল ছুঁড়ে মারার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার দুর্বলতার একটি দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। দুই আঙুলের চোটে সোহলাল সামাজিক চিত্রে এক নতুন অধ্যায়, যেখানে নেতাদের মাঝে সংঘাত এবং জনমানসে প্রশ্ন উঠছে, ‘কে আসলে নিশ্চিত করবে জনগণের নিরাপত্তা?’ এমন ভাঙন কি আদৌ আমাদের সভ্যতার প্রয়োজন?