রাজনৈতিক সংকট

ঢাকায় প্রাক্তন সামরিক সদস্যদের হুমকি, কলকাতা দখলের দাবি জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করছে
ঢাকায় সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের অভিব্যক্তি যেমন বাংলাদেশের ঐকি ও ভ্রাতৃত্বের কথা বলে, ঠিক তেমনই তাদের বিতর্কিত বক্তব্য ভারতসহ বিশ্ব রাজনীতির প্রতি এক ধরনের তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে। চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখলের আহ্বান যেন প্রগতির পরিবর্তে অন্ধকার যুগের পুনরাবৃত্তি—এমন ক্লিষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কে কার পাশে, সেটাই প্রশ্ন।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মাদকসন্ত্রাসের ধাক্কায় শাসক জোটের শীর্ষ নেতাদের উপর চাপ, চিন্তায় জনতা।
এই বছরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিশাল মাদক এবং সোনা-রূপোর পাচার ধরার চিত্র যেন আমাদের সমাজের গভীর অন্ধকারকে প্রকাশ করে। ১১ হাজার ৮৬৬ কেজি মাদক এবং ১৩০০ কোটি টাকার সোনা-রূপো উদ্ধার হলেও, কি পরিমাণ দুর্নীতি এবং শাসনের উদাসীনতা আমাদের কর্তাদের চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে? পাচারকারীদের বিনাশে নেওয়া কঠোর পদক্ষেপ, সত্যিই কি সামাজিক অবক্ষয় বন্ধ করতে সক্ষম হবে? সরকারের গৌরবময় বাহস চলাকালে, সাধারণ মানুষের জীবনে নৈতিকতা এবং নিরাপত্তার আবির্ভাবের আশায় কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, তা ভাবনার উদ্রেক করে।

হুমায়ূনের বিস্ফোরক অভিযোগ, দলের ভেতরে ফেরিঘাটের দখল নিয়ে নৈরাজ্য চলবে না
বাংলার রাজনীতিতে আবারও হুমায়ূনের তোপের মুখে পড়েছে দলের একাংশ। ফেরিঘাটের দখলদারি নিয়ে অর্থ গোজামি করার অভিযোগ তুলে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘আমি থাকতে তা হতে দেব না।’ এর মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক নৈতিকতা ও কর্পোরেট শোষণের এক শ্লীলতাহানির গল্প শুনিয়ে দিয়ে সমাজের নৈতিক পতনকে তুলে ধরেছেন, যেন আমাদের আরেকবার ভাবাতে চাচ্ছেন, এই প্রবাহিত নদীর তীরে দাঁড়িয়ে, কি ভীষণ বিস্ফোরক আমাদের চৎকৃতির নৌকায়!

সুনামগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হামলা, বিপ্র দাসের গ্রেফতার; ধর্মীয় সহিংসতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম।
গত বুধবার সুনামগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হামলা, কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর নৃশংসতার এক নতুন দৃষ্টান্ত। বিদ্রূপের মতোই, ভিডিওটি সচেতনতা বাড়ানোর পরিবর্তে বিশ্বজুড়ে বিভাজনের রাজনীতির নগ্ন ছবি ফেলে। বিপ্র দাসের গ্রেফতার, তথ্যের স্বাধীনতা ও সরকারের কার্যকারিতার প্রশ্ন নাটকীয়ভাবে উত্থাপন করে, যেন মানবতা আজও ভাসছে অর্থহীন নীরবতায়।

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের অসুস্থতা: জামিন ও স্বাস্থ্য সংকটের রাজনীতি নিয়ে উঠছে নতুন প্রশ্ন
রাজনীতির সভাসদে যখন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের জীবন-মরণ যাত্রা চলে তখন সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাও নিভে যেতে বসেছে। শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বিভ্রান্তি বাড়াচ্ছেন তিনি। ২৫ নভেম্বরের জামিন যেন গভীর রাজনৈতিক খেলার একটি পণ্ডিত নাটক; কিন্তু পেটের সংক্রমণ গুরুতর হয়ে উঠলে রাজনীতির পালে নতুন হাওয়া লাগায়। এই পরিস্থিতিতে গবর্নেন্সের গণ্ডিতে বড়াইয়ের চেয়ে কীভাবে সভ্যতা সমর্থন খুঁজে পাবে, তা ভাবতে হলেও যেন ভয় লাগে।

শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি, তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারী বিপদের কারণ!
শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগে জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত দরজা খুলে দিয়েছে, যেন বাস্তবে বিপদের বলিরেখা। রাজনীতির গাদাগাদি, যেখানে নীতির পরিবর্তে স্বার্থই বড়, সমাজের শান্তি যেন এক অদৃশ্য তাঁবুর নীচে আবৃত।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে আতঙ্ক: যাত্রীদের মুখে শঙ্কা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
গতকাল ভারত থেকে বাংলাদেশে যাত্রা করা কয়েকজন যাত্রীর মুখে আতঙ্কের ছাপ; একেবারে যেন এক আয়না, যেখানে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার মুখোশ উন্মোচন হচ্ছে। নেতাদের প্রতিশ্রুতির ফাঁকা আওয়াজ ও জনতার নিরব কান্না, এক অভিনব নাটক যা সমসাময়িক সমাজের রাজনৈতিক চিত্রকে poignantly চিত্রিত করছে। সত্যিই কি আমাদের ভাবনা শুধুই পথের গোলযোগ আর সীমান্তের বৈরি?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের বাহিনী পাঠানোর দাবি, ইঙ্গিত সংঘাতের এবং ইউনুসের সরকারের অক্ষমতার দিকে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ বাহিনী পাঠানোর জন্য, যা মনে করিয়ে দেয় আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের দূরদর্শিতা কতোটা ক্ষীণ। যখন মহম্মদ ইউনুসের সরকারের গলার নালির অবস্থা সংকটাপন্ন, তখনই দেখা যায়, পাশের দেশে সংঘাতের প্রেক্ষাপট তৈরি হতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে, আমাদের নিজের সমস্যা সমাধানের বদলে তারা বিদেশী হাতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যেন রাজনীতির খেলা শুধুই একটি নাটক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব আর নেতৃত্বের মৌলিকত্বের সমস্যা এখানে স্পষ্ট, যেখানে জনগণই একটি বড় প্রশ্ন চিহ্ন।

বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে যুবকের উপর হামলা: সমাজে নিরাপত্তার সংকট ও মানবতার অভাব!
বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে এক যুবকের উপর নির্মম হামলা ঘটেছে, যেখানে তাঁর মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি ছুরি ও পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সমাজের নিস্পৃহতা অবাক করে, যেন নীরবতা একটি খেলা। রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে সমাজের এই অব্যবস্থার অন্ধকার প্রকাশ করোনা, তবে প্রত্যেকে তাঁদের নিজস্ব স্বার্থে জাগার অপেক্ষায়।

কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে উত্তেজনা: ভারত সরকারের কাছে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি, সরকার উদ্বিগ্ন!
সম্প্রতি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে ধুন্ধুমার কাণ্ড তৈরি হলে সরকারিভাবে উদ্বেগ প্রকাশের চিত্র যেন রাজনীতির নাটক। ভারতে নিরাপত্তা বাড়ে, অথচ সমাজের মধ্যে আতঙ্কের রাজনীতি! এ যেন নেতাদের উদ্যোগ নয়, বরং জনগণের উদ্বেগের প্রতীক। আমাদের চোখের সামনে পরিবর্তনের মাঝে পরিবর্তন—কিন্তু সুরক্ষার নামে যেন চলছে এক অন্তহীন খেল।