রাজনৈতিক মন্তব্য

মহুয়া মৈত্রের পোস্ট: সামাজিক ইস্যুর মিছিলের আহ্বান ও রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন দিগন্ত
মহুয়া মৈত্রর পোস্টের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন জনের নানা মন্তব্য, এক জ্যোতির্ময় কৌতুক। কেউ বলছেন, বাংলা ছাড়িয়ে বিশ্বদরবারে একবার বিক্ষোভ দেখান। এমন প্রশ্ন দেখা দেয়, আমাদের রাজনৈতিক মঞ্চে স্থানীয় কেচ্ছা ছাড়া কি সত্যি কিছু রয়েছে? নাগরিক সমাজের কর্তব্য কি কেবল ব্যাঙ্গের জালে আটকা? রাজনৈতিক রহস্যের গলদা চিংড়ির মতো, আমরা কি কখনো এই সরল সত্যদের আদ্যোপান্ত বিশ্লেষণ করতে পারব?

শুভেন্দু অধিকারী ইউনুস সরকারকে ‘তালিবানি’ আখ্যা দিয়ে মমতার সঙ্গেও তুলনা করলেন, আজ রানি রাসমণিতে ধর্মীয় সভা।
শুভেন্দু অধিকারী, ইউনুস সরকারকে 'তালিবানি' আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালের উদাহরণ টানলেন, যেন রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব শুরু হয়েছে। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে বাংলাদেশ ইস্যুতে সভায় তাঁর উপস্থিতির মাধ্যমে আবার যেন একবার নজর কাড়ার চেষ্টা, সত্তর ছুঁয়ে যে দেশীয় গুণাবলির ক্ষয়, তা উন্মোচনে। রাজনীতির অঙ্গনে এ যেন একটি করুণ কলোসিয়াম, যেখানে নেতারা নিজেদের নামের প্রতি কর্মফল টানতেই ব্যস্ত।

“অর্জুন সিংয়ের বিষাক্ত কেমিক্যাল মন্তব্য: সমাজে উদ্বেগ এবং সরকারের অক্ষমতার প্রতিবিম্ব!”
অর্জুন সিংয়ের সমালোচনামূলক মন্তব্য সমাজের স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, যা রাজনৈতিক নেতৃত্বের অক্ষমতার সাক্ষী। বিষাক্ত কেমিক্যালের প্রভাব যেন ক্ষমতার অপব্যবহারের রূপান্তর, যেখানে জনস্বার্থকে তুচ্ছ করে চলা সরকারের কর্পোরেট দাসত্বই বেশি স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নেতাদের দায়িত্বহীনতা কেমন করে সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিপন্নতা সৃষ্টি করছে, তা নিয়ে ভাবনা ন্যয়।