রাজনৈতিক বিতর্ক

জাতীয় পতাকাকে অপমানকারীদের জন্য আলিপুরদুয়ারের হোটেলে প্রবেশ নিষিদ্ধ, রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র।
আলিপুরদুয়ারের হোটেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করা ব্যক্তিদের সেখানে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না। এই স্বাদু বিতর্কে একদিকে জাতীয়তাবাদের সমর্থন, অন্যদিকে রাজনীতির শিশু সুলভ বিচার—সত্যি কি আমাদের সমাজের মানসিকতার তবেনুবিভাগে চলছে? নেতাদের অভিনয় আর গণমানসে ক্ষোভ বৃদ্ধির মধ্যে, আমরা কি আসলে নতুন রূপের জাতীয়তাবাদে প্রবেশ করছি?

খাদিজা বিবির হত্যাকাণ্ড: আটক আতিকুর লস্করের বিরুদ্ধে তদন্তে নতুন মাত্রা, সমাজে ক্ষোভ বাড়ছে
মহিলার মৃত্যুতে জাতির কান্না, কিন্তু প্রশ্ন তোলে আমাদের শাসন ব্যবস্থার সত্যিকার মুখোশ। খাদিজা বিবির নাম ইতিহাসের পাতায় লিখা হবে, আর আতিকুর লস্করের আটক যেন গেমের একটা পেশা; হায় রে, নিগৃহীতের মুখে সমাজের ধিক্কার ঝরে। সত্য আর নীতি কোথায় হারিয়ে গেছে, নাকি এটাই নতুন নৈতিকতা?

দিলীপ ঘোষের তৃণমূলকে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ, হিন্দুদের প্রতি নিখুঁত দৃষ্টিভঙ্গির অভাব!
রাজনীতির এই রঙ্গমঞ্চে দিলীপ ঘোষের তোপ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি তৃণমূলের সংখ্যালঘু তোষণের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, সিরিয়ার ঘটনার সংবাদে মিছিল হয়, অথচ ওপার বাংলার হিন্দুদের জন্য তাদের আওয়াজ নেই। কী paradox! মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি প্রতিবিম্বিত এই রাজনৈতিক খেলা, সমাজের মানবিক সুরকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

গ্রন্থাগার মন্ত্রীর বক্তব্য: শিক্ষা না থাকলে নেতারা গালিগালাজই করবেন, ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ
বাংলার গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায়, বিজেপি নেতাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ যেন সুরে সুরে একটি নতুন নাট্যকাহিনী রচনা করছে। প্রণিধানীয় সাংবিধানিক জ্ঞানের অভাবে গালাগালির দৌরাত্ম্যের মাঝে, মহাভারত বা গীতার প্রতিধ্বনি নিশ্চয়ই নির্বাচনী নৈতিকতার একটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করবে—যেখানে পাঠ্যপুস্তক নয়, ধর্মীয় বর্ণনায় জাতির চরিত্র নির্মাণের যুক্তি শোনা যাবে। তবে, প্রশ্ন জাগে, এই পাঠদানে কি সত্যিই সভ্যতা ও নৈতিকতা ফিরে আসবে?

মালদার তৃণমূল নেতার মন্তব্য, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত খোলার প্রস্তাব ও সংখ্যালঘুর দাবির প্রতিবেদন
মালদার তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি টিঙ্কুর রহমান বিশ্বাসের সাম্প্রতিক মন্তব্য, 'পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘুরা বাংলাদেশ দখল করবে', যেন এক নতুন রাজনৈতিক নাটক রচনা করছে। উত্তপ্ত সীমান্তে রাজনীতির এই হাস্যকর উন্মোচন, সম্প্রদায়ের অনাসৃষ্টি কাঁপানোর পাশাপাশি, governance dynamics-এ প্রশ্ন তুলছে। রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণ যেন পলির শব্দে মিশে যাচ্ছে, আর সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—কতদিন এই অন্ধকারে হাঁটবো?

বিধাননগরের জল সমস্যা সমাধানে নতুন প্রকল্প, তবে গরমকালে জলের সংকট ভয়াবহ!
বিধাননগরে জল সমস্যা কিছুটা কমেছে, কিন্তু গরমকালে তা আবার ভয়াবহ হয়ে ওঠে! কেষ্টপুরের নতুন জল প্রকল্প, যা প্রত্যাশিতভাবে শহরের বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহারের ওপর প্রভাব ফেলার কথা, তা আদৌ জনগণের আশা পূরণ করবে কিনা—এমন বিতর্কে এখন রাজনীতির আসর জমে উঠছে। সরকারি উদ্যোগের সার্থকতা এবং নেতাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের মধ্যে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে কি আদৌ সমস্যার মূলে প্রবেশ করা সম্ভব? রাজনৈতিক শূন্যতার মাঝে স্বচ্ছতার সন্ধানে, জল আবিষ্কারের এই অভিযাত্রা আমাদের সমাজের গভীরতাকে আবারো উন্মোচন করছে।

ঢাকায় প্রাক্তন সামরিক সদস্যদের হুমকি, কলকাতা দখলের দাবি জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করছে
ঢাকায় সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের অভিব্যক্তি যেমন বাংলাদেশের ঐকি ও ভ্রাতৃত্বের কথা বলে, ঠিক তেমনই তাদের বিতর্কিত বক্তব্য ভারতসহ বিশ্ব রাজনীতির প্রতি এক ধরনের তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে। চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখলের আহ্বান যেন প্রগতির পরিবর্তে অন্ধকার যুগের পুনরাবৃত্তি—এমন ক্লিষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কে কার পাশে, সেটাই প্রশ্ন।

কালীপুজো নিয়ে বিতর্ক: গ্রামে আমন্ত্রণের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপের আলোচনায় ক্ষুদিরামের উপস্থিতি
শনিবার একটি কালীপুজোর অনুষ্ঠানে ক্ষুদিরামের উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। গর্বিত সংস্কৃতির এই প্রদর্শনীতে, সাধারন মানুষের ভেতরকার মৌলিক বিশ্বাস এবং প্রথার প্রতি একটি গভীর কৌতূহল ফুটে উঠেছে। কিন্তু কি করে কালীপুজোকে শুধু ধর্মীয় উৎসব মনে রেখে চলার মাঝে, আমাদের নেতাদের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক দুর্গন্ধ? যে আলোচনাগুলি আমাদের সমাজকে সজ্জিত করার পরিবর্তে বিভক্ত করছে, তা কি আদৌ কালীদেবীর আশীর্বাদ পান?

ধর্না মঞ্চে বিধায়ক লাভলি মৈত্রের কুরুচিকর মন্তব্যে উত্তাল সোনারপুর, তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
রবিবার সন্ধ্যায় সোনারপুরে তৃণমূলের দাবি সমর্থন করে ধর্না কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনতাকে আবারও কষ্টের কথা মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র। তাঁর কুরুচিকর মন্তব্য যেন এক আধা-শিক্ষিত সভ্যতার বিরোধী গানের সুর, যেখানে অবস্থান বদলালেও সেই পুরাতন নাটকই চলছে, ক্রমশ তৈরী হচ্ছে নতুন সমাজের সিংহাসন।

“হাসপাতাল টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের গ্রেফতার, governance-এর প্রতি জনজনের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ!”
স্বরবিজ্ঞানের এই যুগে, স্বাস্থ্যের সুরক্ষকরা যখন নিজেই সন্দেহের তীরে, তখন সিবিআই-এর হাতে ধরা পড়া হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও তার সহযোগী চিকিৎসকের মতো চিত্রকল্প যেন একটা নারীদের স্বপ্নে রূপান্তরিত হচ্ছে। কোথায় গেল সরকারের নিয়ম কানুন, যখন টেন্ডারের বিলি চলছিল দিনের আলোতে? সমাজের এই অতলার্থে প্রশ্ন তো উঠবেই, কোথায় শেষ হবে এই দায়িত্বহীনতার খেলা?