রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি

২৫০০ কোটি টাকার ঋণে পশ্চিম চৌবাগার নিকাশা ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজনৈতিক মন্তব্য ও জনমত নিয়ে তোলপাড়
পশ্চিম চৌবাগা থেকে বেহালা পর্যন্ত অঞ্চলের জন্য নিকাশা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পে ২৫০০ কোটি টাকার এডিবি ঋণ, যেন এক মুর্ছনার সুরে যোগানদার বনাম ভোক্তার পালা। নেতাদের প্রতিশ্রুতি যেন ডাকের দায়িত্ব, কিন্তু বাস্তবতা কী? সমাজের স্তব্ধ মুখের মাঝে, কি তবে আমরা কেবল ব্যবস্থা নিয়ে তর্কে শাস্তি পেতে চাই?

চুঁচুড়ায় শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু, সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির বিরুদ্ধে উঠছে প্রশ্ন
অস্বাভাবিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যখন ময়নাতদন্তের আগে প্রমাণহীন গাফিলতির দায় চাপানো হচ্ছে। বাবা-মায়ের অবহেলার গল্প শুনে মনে হচ্ছে, সমাজের কাছে নিরাপত্তার নমনীয়তার খোঁজ পাওয়া অসম্ভব। রাজনীতির উনাগুঁতি ও প্রতিশ্রুতি আজ কি আর আমাদের বাচ্চাদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম?

ছয় মাসে ৮ লক্ষ টন আলু পাচার, রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বমুখী দাম বৃদ্ধির অভিযোগ
ক্রমেই ডাল-ভাতের দামও বেড়ে চলেছে, কারণ রাজ্যের অসাধু ব্যবসায়ীরা ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৯৪ মেট্রিক টন আলু গোপনে পাচার করছেন। এতে কৃষক এবং নাগরিকদের উদ্দেশ্যে আমাদের নেতাদের প্রতিশ্রুতির মুখে এক তীব্র বিদ্রূপ। আদর্শের বাণী শোনানো রাজনীতির মঞ্চে এখন শুধুই মন্দিরের প্রাসাদ এবং বাজারের ডিলারদের মুখোমুখি।

শিক্ষার্থীদের খাবারে ডিমের দাম বৃদ্ধি, সরকারের বরাদ্দে ঘাটতি ও শাসনের অক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সমাজ
শিশুদের জন্য মিডডে মিলের বরাদ্দ বাড়ানো হলো, অথচ ডিমের দামে উর্ধ্বগতিতে পেটের ক্ষুধা মেটাতে পারছে না শিশুরা। সরকারি নীতির অস্বস্তিকর বিরোধীপাত, উল্লেখ করে মনে পড়ে যায় রবীন্দ্রনাথের সেই কথা—শাসক আর হিতৈষী, দুই বুড়োই নিজেদের কাজ করে যাবে, আর আমাদের চোখের সামনে খাবারের দাম বেড়ে যাবে রোজ।

হাওড়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার সংকট: নেতা ও প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি, জনগণের অপেক্ষা!
হাওড়ার বাসিন্দারা যেন অন্ধকারে অপেক্ষামান, তাদের জীবনযাত্রা যখন সুখের সিংহদ্বার থেকে দূরে, তখন সরকার প্রতিধ্বনিত করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা সাবস্টেশন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত, অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—এই বিদ্যুৎসঞ্চার কতটা বাস্তবে আসবে আর কতটা রাজনৈতিক আশ্বাস? পার্থপ্রতিম দত্তের অভিযানকে মনে হয়, বিষণ্ণ জনগণের লোভোল্টেজ থেকে মুক্তি দেওয়ার একটি নাটক, তবে সঠিক সমাধান কি আসবে এদের কষ্টের?

“পাহাড়ি পর্যটকরা জেগে উঠলেও, রাজনৈতিক সমীকরণে কি বদলাবে সুকনার মোমোর ভাগ্য?”
এখন পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় টয় ট্রেন চালুর উদ্যোগ যেন সুকনা ও রংটংয়ের দোকানিদের জন্য একটি সুসংবাদ। কিন্তু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার মাঝে যে দূরত্ব, তা কি শুধুই পর্যটন কেন্দ্র রক্ষায় সীমাবদ্ধ? নেতাদের শাসনকৌশল ও জনমানসে সৃষ্ট খুশির উন্মাদনা কিভাবে স্থায়ী হবে, তা ভাবনার বিষয়।

“মমতার নতুন উদ্যোগ: পাহাড়ের প্রতিভা বিকাশের পথে সরকারি পোর্টাল ও স্কিল সেন্টার, কিন্তু রাজনৈতিক নাটকের পর্দা উঠবে কবে?”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাক্য বাজছে পাহাড়ের করুণ সুরে, যেন প্রতিভার ঢেউয়ে তলিয়ে যাচ্ছে বেকারত্বের ভদ্রতাসহকারে। সরকারি পোর্টালের প্রতিশ্রুতি আর স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের স্বপ্নের মাঝে, কি তবে সমাজের এই কাঠগড়ায় এক নতুন আশা খুঁজে পাবে? নাকি এই পদক্ষেপগুলো কেবল রাজনৈতিক কথা, যেই ঠুনকো যানবাহনে চলায় শুধুই খুঁতখুঁত শুনতে পাওয়া যাবে?

অভিযোগের তথ্য জানিয়ে দেবে মেসেজ, আদালতে কৃত্রিম যুক্তির নাটক শেষে কি মিলবে ন্যায়?
অভিযোগকারীর প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব ও আদালতের চক্করে কেটেছে সময়, যেন কোনো নাটকের চরিত্র। প্রশাসনের এই অব্যবস্থাপনা সত্যিই ভাবায়, যেখানে তদন্তকারী ও অভিযোগকারী উভয়েই প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে নিশ্চিত নয়। সরকারী ব্যবস্থার এই উদাসীনতা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির এক নগ্ন চিত্র, যা সুধীজনদের মনে গভীর প্রশ্ন শূন্য করে।

আয়ুষ্মান ভারত: অমিত শাহের আশ্বাস, কবে পাবেন বাংলার মানুষ, বা এটাই কি এক রাজনীতি?
অমিত শাহের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলার মানুষ ২০২৬ সাল থেকে আয়ুষ্মান ভারত কার্যক্রমের সুফল পাবেন, যার অর্থ চাকরির জন্য ঘুষ আর সুপারিশের দরকার হবে না। তবে, এই প্রতিশ্রুতির আঁকার পিছনে কি সত্যিই পরিবর্তনের বাতাবরণ রয়েছে, নাকি এটি স্রেফ রাজনৈতিক মোহ? সমাজের পরিবর্তন চাই, কিন্তু সরকারের প্রতিশ্রুতির অমলিন পথচলা কি সঠিক দিকেই?