রাজনৈতিক পরিবর্তন

দেবাংশুর অভিযোগ, পুরনো বন্ধুদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টে কি রাজনৈতিক ফাঁদ?
দেবাংশুর অদ্ভুত আবিষ্কার সারাদেশে গুঞ্জন ফেলেছে—তিনি অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে ৫০ জনের বেশি পরিচিত মুখ তাঁকে নতুন করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে! তাহলে কি পুরনো বন্ধুদের বিশ্বাসের অভাব, না কি রাজনৈতির পালাবদলে সহানুভূতির খোঁজ? সমাজে সম্পর্কের এই বিভ্রান্তি আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের একটি সীমাহীন প্রতিফলন; যেখানে মুখোশ বদলানো থেকে শুরু করে স্রোতের সাথে ভেসে যাওয়াই যেন এখন সঙ্গতি।

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীতা, সুখেন্দুর জন্য বিপদে সিট বজায় রাখার চাপ
রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনঃপ্রবেশে রাজনৈতিক খেলার বাঁশি বাজছে, যেখানে সুখেন্দুর মত নেতারা নিজেদের স্থান ধরে রাখতে মরিয়া। ২০ ডিসেম্বরের উপনির্বাচন যে কেবল ভোটের খেলা নয়, বরং অতীতের কালো ছবির চাদর উড়িয়ে দেয়া এক ভক্তি প্রকাশ। জনচেতনায় নেতাদের বদলে গিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠছে—ক্ষমতার খেলা কি আদৌ জনহিতকর?

কমরেডদের আধুনিক ক্লাসে পুরনো মার্কসীয় তত্ত্বের অভাব, কৃষক সমাজের কাছে কার্যকর নেতৃত্বের প্রশ্ন!
সাম্প্রতিক একটি আধুনিক ক্লাসে কমরেডদের সামনে তুলে ধরা হলো, অতীতের ভুল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কৌশলগত রিয়েকশন কেমন হবে। তবে পুরনো মার্কসীয় তত্ত্ব অচল হয়ে গেছে, কারণ গ্রামবাংলার মানুষের কাছে তা অবান্তর। এই মানসিকতা কি আমাদের রাজনৈতিক বিবর্তনকে সুরক্ষিত রাখবে, না নতুন সংকট ডেকে আনবে?

শিক্ষিকার দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন: বরাহনগরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করছে স্বশাসনের প্রশ্ন
বরাহনগরের মাতৃমন্দির লেনের শিক্ষিকা জসবীর কউরের কাহিনী যেন ক্ষোভের একটি মেঘলা কনার। ২০০৩ সালে স্বামীর মৃতুকালে প্রাথমিক শিক্ষার মঞ্চে দাঁড়িয়ে, তিনি নতুন ব্যবস্থাপনা ও প্রিন্সিপালের দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। সমাজের কল্যাণের জন্য এক অবিচল পথিক, কিন্তু রাজনৈতিক দুষ্টচক্রের নগ্ন সত্য উদ্ঘাটন করে সমাজের গলিতে গলিতে বিস্ফোরণের সুর বাজছে। শিক্ষার জগতের সুরের সাথে সমাজের অন্ধকারের প্রতি তাঁর দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা, রাজনীতির নাটকের নিপুণ শিল্পের মাঝে এক পুঞ্জীভূত প্রশ্ন রেখে যায়; কি আদৌ একদিন আমাদের শিক্ষার মঞ্চের পরিবেশ বদলাবে?

রাজশেখরের পদত্যাগ: রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা প্রধানের বদল নিয়ে শোরগোল बढ़ছে রাজনৈতিক মহলে
রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রাজশেখরের পদচ্যুতির পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক সুতো। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল তাঁর দিন গোনা চলছে; বুধবার সেই ‘সময়সীমা’ পূর্ণ হলো। গাইডলাইন বদল নয়, বরং রাজনৈতিক নাট্যমঞ্চের নতুন দৃশ্য—সামাজিক স্রোতে ক্ষমতার বিচিত্র রূপায়ণ। এখন প্রশ্ন, কেমন হবে governance-এর সূচনা?

ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়কের টিকে থাকার লড়াই: রাজনীতি ও নির্বাচনের আগে নরম সুরে নতুন দৃষ্টি
আগামী বিধানসভা নির্বাচনের তর্জন-গর্জনে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যেন ভোটের বীণা বাজিয়ে গেলেন। প্রাক্তন বিধায়কের তকমা লাগালে যে রাজনৈতিক সুরের সঙ্গম হবে, সেটা বুঝতে পেরে তিনি নরম সুরে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই সুরের পরিবর্তন পূর্বের শীতল রাজনীতির কেন? সংসারের রসায়নে পাল্টে যাওয়া উপলব্ধির মাঝে, নেতাদের চাহিদার এবং জনতার আকাঙ্ক্ষার মধ্যেকার দ্বন্দ্ব যেন খুঁজে বের করার অপেক্ষায়।

মেডিক্যাল কলেজে রোগী কল্যাণ সমিতির পদে রদবদল; সুদীপ্ত-শান্তনুর ক্ষতির মধ্য দিয়ে ক্ষমতার কূটনীতি প্রকাশিত
মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতিতে সদ্য ঘটে যাওয়া রদবদল যেন রাজনৈতিক নাটকের এক অধ্যায়, যেখানে সুদীপ্ত ও শান্তনুর মতো চরিত্রগুলো নেপথ্যে থাকলেও জনগণের দৃষ্টির আড়ালে সরে যাচ্ছে। এই বদলিয়া খেলায় governance-এর দুর্বলতা ও নেতৃত্বের আসন্ন সংকট ফুটে উঠছে, যেন সমাজের স্বাস্থ্য যেন রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে গেছে—এতটা অদ্ভুত, যে কল্যাণের নামে চলছে কুটনৈতিক রমণলীলা!

মাদারিহাট উপনির্বাচনে বিজেপির হারের পরবর্তী প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও জনমতের পরিবর্তন: নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা!
মাদারিহাট উপনির্বাচনে বিজেপির পয়সা ও প্রচারণার বুদবুদ ফুটিয়ে ওঠেছে তাদের জনবিচ্ছিন্নতা। ভোটের আসরে তারা কার্যত কুপোকাত, আর জনগণের মন থেকে দুর্বলতা বুঝতে পেরে ভাবছি, সত্যি কি এই রাজনৈতিক নাটকের চরিত্র নিয়ে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, নাকি তাদের ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটাই সবার অন্ধকারে ঢেকে রেখেছে?

“তৃণমূলের বিপুল জয়ে বদলে যাচ্ছে রাজনীতির সমীকরণ, নবনির্বাচিতদের শপথগ্রহণে জনগণের আশার আলো?”
রাজ্যের ছয় কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচন দেখল তৃণমূলের ত্বরিত বিজয়, যেন পুলিশে চাকরি পাওয়ার লটারি। সোমবার থেকে বসবে বিধানসভা, নব নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণকে ধরা যাক এক নূতন নাটকের প্রথম আয়োজক। তবে এ জয় কি রাজনীতির মঞ্চে নতুন কাহিনী রচনা করবে, নাকি পুরনো ঢাকের তালেরই পুনরাবৃত্তি?

ঝাউপাথরা সমবায়ে বিজেপির প্রথম জয়, তৃণমূলের দীর্ঘ দিনের আধিপত্য অক্ষত!
ঝাউপাথরা সমবায়, যা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের দখলে ছিল, এবার বিজেপির নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। মহিষাদল বিধানসভায় শাসকদল হলেও এই নির্বাচনে তাদের হার স্বীকার করে নিয়ে গেরুয়া আবিরে মেতে উঠেছে বিজেপি। governance-এ কী পরিবর্তন, আর দলের মধ্যে কোন সংস্কারের প্রয়োজন তা যেন বাক্যের চেয়ে বেশি অসংলগ্ন। মানুষের চেতনা কি আদৌ পরিবর্তিত হচ্ছে, নাকি মিষ্টির স্বাদে মিলিয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক পরিবর্তনের অনুভূতি?