রাজনৈতিক নেতৃত্ব

নির্যাতিতার বাবা-মার প্রতি শ্রদ্ধা, রাজনৈতিক স্বার্থের বিরুদ্ধে কুণাল ঘোষের কঠোর সঙ্কেত
রাষ্ট্রের সংকটের কালাত্মক চেহারায় কুণাল ঘোষের কথায় মিলেছে এক ভয়াবহ সনাক্ত—নির্যাতিতার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অপূরণীয় দায়িত্বের বোধ। শাসকের রাজনৈতিক খেলোয়াড়ি যেন ফাঁকা গৌরবের অবসান ঘটিয়েছে, যেখানে স্বার্থান্বেষী জোটের আদর্শ চাপা পড়ে গেছে মানবতার নিদারুণ চাহিদার নিচে। আমাদের নিঃশব্দ প্রবাহে কী এক হতাশা, রাষ্ট্রনায়করা হাতজোড় করে দায় মেটাতে নারাজ, যোগ্যতা ভুলে স্বার্থের ভিড়ে তলিয়ে।

মমতার অভিনন্দন রাজ্য পুলিশের, নির্যাতিতার পরিবারের প্রতি সমর্থন, রাজনীতিতে নতুন আলোচনা ও ভাবনা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনন্দন বার্তায় রাজ্য পুলিশের কাজের প্রশংসা, অথচ মানবিক দিকগুলো যেন চাপা পড়ছে। বিচারপ্রক্রিয়া ও নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বক্তৃতায় রাজনীতির খেলায় কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সাহসী উদ্যোক্তা। আমরা কি আসলেই পরিবর্তনের পথ যাত্রা করছি, নাকি কেবল কথার ফুলঝুরি?

“চিরবিদায় পঙ্কজ দত্ত: রাজনীতিতে স্থানীয় নেতৃত্বের অকাল প্রস্থানে কী প্রভাব ফেলবে সমাজে?”
প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করে চিরবিদায় নিলেন পঙ্কজ দত্ত, যিনি সমাজের মধ্য দিয়ে চলতে চলতে অসুস্থতার দংশন সহ্য করলেন দীর্ঘদিন। তাঁর মৃত্যু যেন আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অক্ষমতায় এক নতুন প্রতিফলন। চূড়ান্ত রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে আমরা কি বুঝতে পারছি, স্বপ্নের সিঁড়ি গড়ার জন্য কি মূল্য দিতে হবে সমাজকে? বিচ্যয়িত নীতির ব্যর্থতা যত বেড়ে চলেছে, নাগরিক সমাজের প্রবাহে সে রক্ত প্রবাহের মত গভীরতর হচ্ছে।

পতি-বন্ধুরা প্রকাশ্যে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, পুলিশের তল্লাশি জারি!
এক গৃহবধূর পুড়ে যাওয়া দুঃখজনক ঘটনা আবারো সমাজের অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কতটা ব্যর্থ আমরা, যখন একটি নারী প্রকাশ্যে দগ্ধ হন স্বামী ও বন্ধুদের হাতে! এ কাহিনী যেন গল্প-কথার রঙিন টেলিভিশন পর্দায়, কিন্তু বাস্তবে আমাদের সমাজের গভীর অস্থিরতার চিত্র হাজির করছে। প্রশাসনের তৎবিরোধক মুল্যায়ন কি কখনো হবে?

সঞ্জয়কে রোজ আদালতে হাজিরা, আরজি কর মামলায় নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি!
এই সপ্তাহে আদালতে আরজি কর মামলায় সঞ্জয়কে সশরীরে হাজির করার সম্ভাবনা, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই তাকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে হবে। রাজনীতির এই নাটকীয় পর্বে, আমাদের সমাজের শাসনব্যবস্থা যেন কারা অন্তরায় আর বিচারব্যবস্থা হচ্ছে একটি অপরূপ অহংকার। কে জানে, এই অবস্থায় জনগণের মনে কি গোপন ক্ষোভ জমা হচ্ছে!

দিলীপ ঘোষের মন্তব্য: তৃণমূলকে কোম্পানি হিসেবে অভিহিত, রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের নতুন দ্বন্দ্ব!
দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তৃণমূলের কর্মসমিতিকে কোম্পানির তুলনায় আনা যেন রাজনৈতিক পারদর্শিতার বিকৃত রূপ। তিনি বলছেন, মালিকই ঠিক করবেন কর্মচারীর ভাগ্য, অথচ এই 'কোম্পানি' অগণন প্রান্তিক মানুষের স্বপ্ন, স্বজাতিকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক জীবনের পটভূমিতে, যেভাবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা গুমরে যায়, তাতে জনগণের আশা হতাশায় মিলেমিশে পলিমাটির মতো হয়ে যায়।

মুর্শিদাবাদে সংঘর্ষের জেরে ইন্টারনেট বন্ধ: ১৭ জন গ্রেফতার, সমাজে অশান্তির স্রোত বয়ে চলছে!
বাংলার বেলডাঙায় সংঘর্ষের মধ্যে মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে মানবিকতা, প্রশাসনের ইন্টারনেট বন্ধের অন্ধকারে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার ফলস্বরূপ, হিংসা ও আতঙ্কের খেলায় ১৭ জন গ্রেফতার, কিন্তু শান্তির বার্তা কোথায়? সমাজের প্রতিচ্ছবি এমনকি প্রযুক্তির জালে বন্দী হয়ে উঠছে, ভাবুন, কোথায় গেল শান্তির গান?

“গোভারগার মোড়ে মদ্যপ যুবকদের হাতে নিরীহ যুবকের দংশন: সমাজের শৃঙ্খলা কি হারাতে বসেছে?”
গত ৩ নভেম্বর রাতে কালীপুজোর ভাসান শেষে এক যুবক বাড়ি ফেরার সময় ফাঁকা রাস্তায় মদ্যপ যুবকদের মুখোমুখি হন। ক্ষমতার এ এক অদ্ভুত সমন্বয়, যেখানে আনন্দের রাত রূপ নেয় ভয়ের জালে। সমাজের এই কদর্য চিত্র কি সরকারের চোখে পড়ছে? কিংবা তারা কি কেবল উৎসবের আলো বাতাসে গা জুড়াতে অভ্যস্ত? মানবতানির্ভর রাষ্ট্রে আমরা যেন ভোলেনি উদর্ক নির্মাণে নিজেদের হাত থেকে বেঁচে থাকার শিক্ষা নিতে!

“দুর্গাপ্রসাদের গাফিলতির প্রতিবাদে স্থানীয়দের ক্রোধ: প্রাণহানির মূল্যহীনতা ও দায়িত্বের প্রশ্নবোধক”
দুর্গাপ্রসাদের গাফিলতি যেমন বিপত্তাড়নের প্রাণ বাঁচাতে পারল না, তেমনি স্থানীয়দের ক্ষোভে যখন গ্যাস বেলুনের লাইসেন্সহীনতা প্রকাশ পায়, তখন মনে হয়, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিবেকও এর নির্মম চিত্রায়ণে হারিয়ে গেছে। অথচ, সম্ভাবনার আকাশে বেলুনের মতো উড়তে চাওয়ার যুগে, নিরাপত্তা যেন শুধুই একটি হাস্যকর কল্পনা।

মমতার শব্দে জোরদার ডিজে ও বাজির বিপক্ষে সিনিয়র নাগরিকদের আর্জি: ক্ষমতার হাওয়ায় নিখোঁজ সংবেদনশীলতা!
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উক্তি অসহায় সিনিয়র সিটিজেনদের প্রতি একটি গভীর দৃষ্টিপাত, যেখানে চলমান ডিজে এবং বাজির নগ্ন উদযাপন সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। নেত্রীর কথায় আছেও সমাজের প্রতি নেতাদের দায়বদ্ধতা—পিতৃতন্ত্রের চাদরেই চাপা পড়েছে অসংখের কষ্ট, যেন রাজনীতির নতুন ভারসাম্য নেই।