রাজনৈতিক নীরবতা

শিল্পীদের পেনশনের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া ৭ বছর ধরে বন্ধ, সরকারের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ অষ্টকশিল্পীরা
সপ্তবর্ণা অষ্টকশিল্পীরা, সাত বছরের অপেক্ষা শেষে, সরকারের নীরবতা ও স্বাধীনতার মৌলিকানুকে উস্কে দিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের সংকটে। শিল্পীর কলমের আঁচর এবং কষ্টের সুর যেন শুনতে পাচ্ছে কেবল রাজনৈতিক নেতাদের শুন্য কথাবার্তা, অথচ তাঁদের প্রতিশ্রুতি কবে বাস্তবে রূপ নেবে, সে প্রশ্নে রয়েছে বিকেলের সূর্যের মত ধূসরতা।

শাসনের অন্ধকার: ২২০টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টে সরকারের প্রকল্পের টাকা পাচারের ঘটনা, জনগণের আস্থা হারাতে শুরু করেছে কি ক্ষমতাসীনরা?
রাজ্যের শাসকদের এক অদ্ভুত নাটকে, সাম্প্রতিক তদন্তে জানা গেছে, হ্যাকাররা সরকারি পোর্টালের তথ্য পাল্টে ফেলেছে, ফলে ২২০টি ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় সদ্য ফ্রিজ করা ৮৪টি অ্যাকাউন্ট যেন টাকার পাহাড়ের ওপর বসে থাকা শাসকদের জন্য এক নির্মম আয়নায়। বাহবা, সত্ত্বেও জনসাধারণের মুখোমুখি প্রশ্নগুলোর পত্তন কেন হচ্ছে, সে কথা তো আর কেউ শোনে না।

নাবালিকার পরিবারকে হুমকি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ: সমাজের অন্ধকারে সঠিক governance-এর অভাব কি আমাদের চিরকালীন নিয়তি?
বাংলাদেশের সমাজে আজকাল যা ঘটছে, তা দেখে মনে হয় যেন মনুষ্যত্বের মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে। নাবালিকার পরিবার অভিযোগ করেছে যে, প্রতিবেশী সুনীল রায়ের হাত থেকে নিঃশঙ্কন উচিত ছিল, কিন্ত সে তো স্রষ্টার মতোই হুমকি দিয়ে গেছে। কোথায় গেছে আইন, প্রশাসনের প্রহরী? প্রতিবাদ তো কেবল শব্দ, বাস্তবের শৃঙ্খল নয়। এ যেন আবারো প্রমাণিত হলো, সমাজ আর রাজনীতির অদৃশ্য দোলাচলে ন্যায় যেন চুপ করে সারা রাতের অন্ধকারে।