রাজনৈতিক নাটক

ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জামিন পেয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল
তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ ও প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের জামিনের খবরে যেন এক নতুন রাজনৈতিক নাটকের সূচনা হল। সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ মিষ্টি আভাস দেয় বর্তমান শাসনের নৈতিকতায়। কেমন রহস্যময় এই সমাজ, যেখানে আইন ও ন্যায়ের চাবিকাঠি ক্রমশ অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে!

নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো পরিদর্শন: সরকার ও জনগণের মধ্যে নতুন আশা এবং বিতর্কের সূচনা
কলকাতা মেট্রোর ইয়েলো লাইনের নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট অংশের প্রস্তুতিমূলক দৌড়ে যেন এক নতুন ক্লাসিকের আবহ বিরাজমান। সোমবারের পরিদর্শনে মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি আসছেন, সেই কাহিনি পুরো শহরের রাজনৈতিক নাটকের মধ্যে এক চিত্কারের মতো। সাধারণ মানুষের যানবাহনের দুর্ভোগের মাঝে কীভাবে সরকারের নানামুখী প্রতিশ্রুতি রূপ নেয়, তা খুঁজে পাওয়ার জন্য এই দৌড়ের চেয়ে আহ্লাদী কি আর কিছু হতে পারে? সমাজের প্রগতির গতিতে নেতাদের পদক্ষেপের গতি, যেন এক অমলিন কবিতার ছন্দে—হাসির আড়ালে রয়ে যায় গভীর বিষাদ।

নির্বাচনের খরচ কমবে, তবে রাজ্যগুলোর মেয়াদ পার্থক্যে সরকারের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর?
সকলেই জানে, সরকারের যুক্তি হলো একত্রিত নির্বাচনের মাধ্যমে খরচ কমানো ও নির্বাচনী বিধিনিষেধের ঝক্কি থেকে মুক্তি। তবে বিরোধীরা জানিয়ে দিচ্ছে, প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ আলাদা, যে কারণে রাজনীতির চক্কর থেকে সমাজের উন্নয়ন কার্যত থমকে থাকছে। এই গেম-অফ-থ্রোনসের মাঝে, উন্নয়নের বুলি গাওয়া নেতাদের খালি কথার সাজ সজ্জা ছাড়া কিছুই নয়। জনগণের ভোগান্তি যেন রাজনৈতিক নাটকের একটি অংশ হয়ে পড়েছে।

তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, পুলিশ গ্রেফতার করতে অস্বীকার করায় জনগণের ক্ষোভ বেড়ে গেছে
তৃণমূল নেতা বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরেও গ্রেফতার না হওয়া পুলিশী আচরণ যেন রাজনৈতিক নাটকের একটি অভিজ্ঞতা। কটনাস্থল থেকে আটক হলেও মুক্তির স্রোতে আবারও প্রশ্ন উঠছে সরকারের নীতি ও চাহিদা, একদিকে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব, অন্যদিকে জনতার আবেগ—এ যেন সবার জন্য় একটি নতুন নাট্যরূপ।

রাজ্যপালকে সায় দিয়েও উপাচার্য নিয়োগের বিষয় নিয়ে মমতার রাজভবনে উত্তেজনা
রাজ্যপালের সায় পাওয়ার পর, রাজভবনে মমতার উপস্থিতি যেন একটি নাট্যশালার দৃশ্য। প্রশাসনের খেলা, যেখানে উপাচার্য নিয়োগের সুত্রে রাজনৈতিক ফাঁদ পাতার খেলা আর মঞ্চে দুই নাটিকার কাহিনী। Governance-এর এই দোলাচলে, জনগণের সমস্যা কি শুধুই অন্তর্দৃষ্টি নয়, বরং উদ্ভূত সংকটের মূল? নেতৃত্বের সক্ষমতা কি সত্যিই জনগণকে আলোহীন করে দিচ্ছে, নাকি বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি?

বড়দিনের উৎসবে বন্ধ চা-বাগান খুলে সরকারী উদ্যোগে শ্রমিকদের নতুন আশা, তবে কী আছে রাজনৈতিক দিক?
দেশের চা-বাগানগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি, একদিকে নির্বাচনী লাভের আশায় রাজ্যের মন্ত্রীগোষ্ঠীর উদ্যোগ, অন্যদিকে শ্রমিকদের হাতে কাজের সন্ধান। উৎসবের মৌলিকতায় যেমন নতুন করে উদ্যমের ছোঁয়া, এতসব পট পরিবর্তনে রাজনৈতিক নাটকের অভিনয়টাই ফুটে ওঠে; তবুও সামাজিক অবস্থা কী নতুন চা পাতায় বেঁচে উঠবে, তা সবার তীব্র প্রশ্ন।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঋতব্রতকে বিজেপির সমালোচনা, বালিশ নেতা অভিধার বিতর্ক ছড়াচ্ছে রাজনীতিতে
তৃণমূল কংগ্রেস ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যসভায় প্রার্থী করতেই বিজেপির তৎপরতায় তাঁর অতীত খোঁছানোর খেলায় নতুন এক নাটক শুরু হয়েছে। "বালিশ নেতা" সম্বোধন করে কেয়া ঘোষের কটাক্ষ যেন আবার প্রমাণ করে দিল, আমাদের নেতাদের মধ্যে সত্য-মিথ্যা নির্ভয়ের প্রবাহ কোথায় গিয়েছিল। এ যেন বর্তমান রাজনৈতিক নাটকের মঞ্চে অভিনীত এক নতুন এক্ট, যেখানে সভ্যতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক নেতাদের অত্যাচারিত আত্মা কাতর করছে।

মমতার দাবি, ২০২৬ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল; রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি।
বাংলার রাজনৈতিক চিত্র যেন এক নাটক, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরুত্থান হবে। কিন্তু অতীতের আসন্ন নায়করা, যাঁরা একসময় বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের ফিরে আসার খেলা কি এবারও চলবে? গণতন্ত্রের এ এক অদ্ভুত নাট্যাভিনয়, যেখানে ভোটের রঙ্গমঞ্চে সবাই যেন নিজেদের স্বার্থের পালা করছে, আর জনগণের বোধ-বুদ্ধি ক্রমশ তালুবন্দী হয়ে যাচ্ছে।

মমতার ঘোষণার আগে সিবিআই হাতে মামলার তদন্ত, রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে আদালতের কাছে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছিলেন, তা রাজনৈতিক নাটকের সাক্ষী। একদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অপরদিকে জনগণের দৃষ্টিতে কতটা গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব! সত্যি, এ ধরণের ঘটনাবলিতে সমাজের প্রতিচ্ছবি মহৎ বা অমার্জিত, তবে রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাসে কখনো কখনো শাসকের পরিবেশিত প্রতিশ্রুতির সুর বদলায়, যা কাহিনীর মোড়ে একটি নতুন দিক নিয়ে আসে।

রাজ্যসভার শূন্য আসনে রাজনৈতিক নাটকের নতুন অধ্যায়, দীনেশ ত্রিবেদী ও জহর সরকারের ইস্তফার প্রভাব
রাজ্যসভার আসন শূন্য, আর পলিটিক্সের মাইলফলকে দীনেশ ত্রিবেদী ও জহর সরকারের ইস্তফা যেন এক বিবর্ণ নাটকের প্রতিফলন। বোঝা যায়, নেতা তো দূরে, জনগণের যাতনা নিয়ে কারও সত্যি কোনো দায়িত্ব নেই। গদিতে থাকা ওয়্যারলেসের মতো, দেশের শাসন যেন টুইটারে সিমিত। আর যদি জনমানসের উন্নতি চাও, তবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বেড়িয়ে এসে অন্তরের কথাগুলো শুনতে হবে।