রাজনৈতিক দায়িত্ব

কলকাতায় গভীর নলকূপের উদ্বেগ: জলস্তরের সংকটে সরকারের নীরবতা কি বিপর্যয়ের কারণ হবে?
কলকাতার জলস্তর বিপন্ন, এবং আমাদের রাজনীতির শীর্ষ নেতারা অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। যেভাবে পরিবেশকর্মীরা ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, তাতে মনে হচ্ছে গভীর নলকূপের সঙ্গে বন্ধুত্বই সংকটের আসল কারণ। জল, যা জীবন—মাটি, যা মা, দুটোর প্রতি আজকের দায়িত্ব পালন করা কি আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আলস্যের মুখে হাসির পাত্র নয়?

যাত্রীদের দুর্ভোগে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ, সরকারী ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
বনগাঁ-শিয়ালদা ট্রেন পরিষেবা হঠাৎ বন্ধ, যাত্রীরা বিপাকে। এখন সড়কপথে যাতায়াত করছেন, কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি খোঁজেন। আশ্চর্য, গন্তব্যের খোঁজে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে গণমানস, অথচ নেতা-নেত্রীরা নিজেদের জীবনের ‘রেলপথে’ প্রসারিত স্বপ্নে বিভোর। কোথায় গেল রাষ্ট্রের দায়িত্ব, জনতার আশা?

তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশে বিধায়কদের জনসংযোগ বাড়ানোর চাপ, উন্নয়ন প্রকল্পে সবার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতের আহ্বান
তৃণমূল সুপ্রিমো বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় শৃঙ্খলায় জোর দিয়ে বলছেন, ‘জনসংযোগ বাড়াও’। উন্নয়ন প্রকল্পের অভাবে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে, সেই চেতনায় সভ্যতার উন্নতি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, নেতাদের জাঁকজমক সভাতে কি সত্যিই জনগণের কণ্ঠস্বর শোনা যাবে, নাকি শুধুই আত্মপ্রসাদ?

ছোটদের মাথার সুরক্ষায় হেলমেট জরুরি, কলকাতা পুলিশের প্রচারণা সত্ত্বেও অবহেলার চিত্র স্পষ্ট!
কলকাতা পুলিশের সচেতনতা অভিযান সত্ত্বেও, ছোটদের মাথায় হেলমেটের অভাব যেন সরকারের প্রতি স্ত্ৰীবদ্ধ নিন্দা। সমাজের সুরক্ষা বিষয়ক নীতি কি শুধু গল্পের পৃষ্ঠায়? কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা নগরে হারানো সারল্যের প্রতীক, যেখানে নিরাপত্তা আর সচেতনতা একে অপরের থেকে নির্বাসিত। এক সত্যে, এ যেন শাসক এবং জনগণের সম্পর্কের অলীক রূপে নতুন শৈলী।

বাইসনের হামলায় গুরুতর আহত নৃপেন: স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা সৃষ্টিকারী
নৃপেন বর্মনের উপর বাইসনের হামলা যেমন আমাদের সমাজের প্রাণীজগতের চিত্র উল্কার মতো স্পষ্ট করে তুলেছে, তেমনই রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি অদৃশ্য দায়িত্বহীনতারও রূপক। সমাজের এই অবক্ষয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা বাড়ার বদলে, নেতাদের হাত পরিবর্তনের খেলা এক ভিন্ন আঙিনায় প্রবাহিত হতে থাকে। কোথায় আমাদের মনুষ্যত্ব, যখন মানুষ তাঁদেরই সামনে নিপীড়িত?

গোটা রাজ্যে নাবালিকা প্রসূতির সংখ্যা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা নাকি সামাজিক অবক্ষয়? জরুরি আলোচনা প্রয়োজন।
গোটা রাজ্যে নাবালিকা প্রসূতির সংখ্যা বাড়ছে, আর স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান যেন বিরক্তির এক আড়ালে লুকানো চিত্র। শাসকেরা মুখে শুধু উন্নয়নের গুনগুন করেন, কিন্তু বাস্তবে সুস্থ সমাজ গড়ার দায়বদ্ধতা কোথায়? নেতাদের রাজনৈতিক নাটক আর কল্পনালোকের গল্পে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সমাজের এ জাগরণ কি শেষ পর্যন্ত কেবল কথা, না কি কোন পরিবর্তনের সূচনা?

নাবালিকার বিরুদ্ধে দাদুর ধর্ষণের অভিযোগ: সমাজের গতি ও নৈতিকতার সংকটের চিত্র ফুটে উঠল!
রবিবার একজন কিশোরী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার দাদুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছে, যা সমাজের গভীর অন্ধকারের প্রতিফলন। এই দুর্বিষহ ঘটনার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি, যেখানে দায়িত্বশীলতার অভাব, সেখানে আইন ও প্রশাসন কেবল কাগজে কলমে, কোনো মানবিক সত্তা নয়। কি বিস্ময়! সমাজের এই চিত্র আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, যখন টিভির পর্দায় সাজানো আলোচনায় অশান্তির পাবলিসিটি ফলো করা হচ্ছে।

“পুলিশের তদন্তে দুর্ঘটনা: নিরাপত্তার বেহাল দশা ও বন্দরের প্রশাসনিক ব্যর্থতার সামনে সমাজের প্রশ্নবোধক চিহ্ন!”
পুলিশ দুর্ঘটনার সময় উপস্থিত সবার সঙ্গে কথা বলে আসল কারণ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছে, যেন নিরাপত্তার অভাবের চিত্র পরিষ্কার হয়। কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রশ্ন উঠেছে; কিন্তু নেতাদের তালে তালে কি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, নাকি আবারও কেবল কসেরী কথা? রাজনীতির অঙ্গনে, যে সংকটগুলো খালি চোখে দেখা যায় না, সেগুলোই কি আমাদের সভ্যতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবল সংকট বয়ে নিয়ে আসছে?

কলকাতার হৃদয়ে আফশোস: অতিরিক্ত গতির কারণে দুই সাউ পরিবারের অকালমৃত্যু, নীরব শোকের মাঝে বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা।
কলকাতায় কালীপুজো ও দীপাবলির সীলমোহর বসন্তের উৎসবের মতোই উজ্জ্বল, কিন্তু সেদিনের দুর্ঘটনাটি যেন অন্ধকারের ছায়া ফেললো। ট্যাক্সির দ্রুতগতির খেলা এক পরিবারের দু’জনকে শোকের গভীরে নিয়ে গিয়েছে, আশ্চর্য, আধুনিকতার এই চৌকাঠে আমরাই কি অতিক্রান্ত হচ্ছি? নেতাদের কার্যকলাপে যেভাবে জীবনহানি ঘটে, তা কেবল কথার রাজনীতি, নাকি আমাদের জীবনের অমূল্য ক্ষতি? ভাবুন, এই শোক ও আতঙ্কের মধ্যে আমরা কি আমাদের ভবিষ্যৎকে খুঁজে পাবো?