রাজনৈতিক চাপ

কলকাতা হাইকোর্টের রামনবমী ছুটির বিতর্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকার কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেবে?
কলকাতা হাইকোর্টে ২০২৪ সালের রামনবমীতে ছুটি না থাকলেও, ২০২৫ সালে সেটি 'পাবলিক হলিডে' হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ পরিবর্তন কি রাজনৈতিক চাপের ফল, নাকি সরকারের খামের মধ্যে লুকায়িত ধর্মের ডিসকাউন্ট? রাজ্য সরকার কি সত্যি মুমূর্ষু রীতির পুনরুত্থান ঘটাতে চাইছে, নাকি এ ভয়াবহ নাটকের মধ্যে জনগণের অসন্তোষের সুরে গানের স্বর মেলাতে? অধিকার, ছুটি, আর ধর্মের চাঁদ—সকল কিছুই তো আজকের সরকারের নাট্যমঞ্চে রঙ্গমালার মতো, যেখানে প্রতিটি টানা লাইনেই লুকিয়ে রয়েছে গায়ের রঙ।

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের কারাবন্দী হওয়া: গভীর সংকটের প্রতীক!
বাংলাদেশের ইসকন সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে শাস্তি প্রাপ্তি, সরকারের অগ্রগতির মুখোমুখি প্রশ্ন তুলে দেয়। যেখানে নেতৃত্বের মহানুভবতা আশা করা হয়, সেখানে ঔদ্ধত্যের শৃঙ্খলে বন্দী এক সমাজের দুঃখজনক রেখাচিত্র। এই পরিস্থিতি দেখিয়ে দেয়, শান্তির ভাষণ এখন কেমন করে গলত্রে পরিণত হয়েছে!

মহিলা যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোনে খোঁজ নেবে পরিবহণ দফতর, নজরে সামাজিক আন্দোলন ও সরকারি পদক্ষেপ।
রাতের অন্ধকারে শেকল-বাঁধা নারী যাত্রীদের নিরাপত্তার খোঁজে পরিবহণ দফতরের ফোন কল, যেন এক নাটকীয় সুরে ভুলে যাওয়া শস্তা প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তি; এই উদ্যোগ কি সত্যি 'মা'র সুরক্ষার দাবি? চাপা অভিযোগের সম্ভাবনা, সরকারের সমাজ বাস্তবতার অপার ক্ষমতা। কেন যেন, কথার ফুলঝুরি অতীতের গা থেকে ঝরে গেছে।

বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য: সহমত ও প্রতারণার মাঝে যৌনতার দ্বন্দ্বে রাজনীতির মুখোশ খুলছে!
ব judges বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে এসেছে এক নতুন বিতর্ক। যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে সম্মতি এবং প্রতারণার সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাষ্ট্রের নীতি আর সমাজের ধ্যানধারণা উভয়েই যেন ক্রমশ ক্লিষ্ট, একটি দুষ্টচক্রের মধ্যে আটকে পড়েছে। কীভাবে আইন ও নৈতিকতার সংমিশ্রণে মানবিক মূল্যবোধ হারাচ্ছে, এ নিয়ে ঊর্ধ্বকণ্ঠের আলোচনায় রাজধানীর অলিরা উত্তাল।

“ত্রিধারার হুমকি: ডাক্তারদের জবাবদিহি নিয়ে তৃণমূলের রাজনীতির উজ্জ্বল বিস্ময়!”
তৃণমূল নেতাদের হুমকির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেবজিৎ ভৌমিক ও লতিফুল শেখকে শোকজ করায়, রাজনৈতিক চাপের নাটক আবারো স্পষ্ট। কি অদ্ভুত কথা! চিকিৎসকরা যেন ভিক্ষা চাইছেন, অথচ রোগীর পাশে থাকার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের হাতে শৃঙ্খলার মুখোশ, সমাজে নীতির বরজা, এ কী পরিহাস?

মেদিনীপুরের নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ: প্রশিক্ষণ শেষ, কিন্তু পদের জন্য কারা নেবে দায়িত্ব?
মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ নিয়ে গুঞ্জন নতুন মাত্রা পেয়েছে, যখন ৭৪ জন প্রার্থীর প্রশিক্ষণের পরও তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার পালা স্থবির হয়ে উঠল। কী বিচিত্র, একদিকে সরকার চাকরি দেবে, অন্যদিকে প্রয়োজনে লোকজনের আগ্রহও টানতে পারছে না! যেন নাদান নাটকের পাণ্ডিত্য; এখানে নেতৃত্বের গুণাবলী পরীক্ষার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।