রাজনৈতিক অস্থিরতা

আন্দোলনের গুরুত্ব নিয়ে অভিযুক্তের মায়ের সতর্কবার্তা, সিবিআইয়ের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
গতকাল একটি আন্দোলনে নির্যাতিতার মায়ের আকুতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের নীতির প্রতি প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেছিলেন, যদি আন্দোলন থেমে যায়, তাহলে সত্যিকার তদন্তের আশা কি? এই প্রশ্ন বিজ্ঞতা ও বিদ্রূপের মিশ্রণে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকে আঙ্গুল তোলেছে, যেখানে ক্ষমতা কার্যকরীভাবে অগ্রসর হচ্ছে, কিন্তু জনগণের কণ্ঠস্বর কোথায়?

লিটনের রহস্যময় মৃত্যু: রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক ও জনমতের পরিবর্তন
শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন লিটন, সৌজন্যে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বরাবরের মতো অদূরদর্শিতা। মাদারিপুরের এই যুবকের মৃত্যু প্রমাণ করে যে, শাসকদের অগুরুত্বের মাঝে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা অকিঞ্চিৎকর। কুয়াশার মাঝে নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও জনদুর্ভোগের ছবি কেমনভাবে বর্ধমানের মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত তাতেই আঁকা।

কলকাতায় ইসকনকে টার্গেটের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনুসের সরকারের ব্যর্থতায় ক্ষোভ বৃদ্ধি
কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাসের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের অন্তবর্তী সরকার পদ্মাপারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা জাঁকিয়ে বসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছেন, তবে ভারত-বিরোধী মন্তব্যের ঢেউয়ে ঈসকন আক্রান্ত। রাজনীতির অনুরাগে বিক্ষুব্ধ সমাজ, যেন ইতিহাসের মঞ্চে ন্যায়ের দাবিতে নৃত্যরত এক নির্বাক নাট্যশিল্পী!

বাংলাদেশের পরিস্থিতির প্রভাব: পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি কার্যকলাপের আশঙ্কা সরকারকে ভাবাচ্ছে
ফিরে দেখা যাক, নবান্নের বৈঠকে যখন রাজীব কুমার ও সদানন্দ দাতের মধ্যে আলোচনা হয়, তখন পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রচর্চা যেন এক লহরী রক্তের স্রোতে চাহিদা পায়। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা এখানে জঙ্গি কার্যকলাপের সম্ভাবনা উঁকি দেয়, কিন্তু আমাদের নেতারা কি সেই স্রোতে ভেসে যাবেন, নাকি কেবল মুখে সুর বেঁধে চলবেন? সাংবাদিকতার কলম এবং রাজনৈতিক নাটকের গতি নিয়ে এই সমাজের ঐতিহ্যও আজকে প্রশ্নবিদ্ধ।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতায় জনগণের আহ্বান, হাসিনার ফিরে আসার দাবি শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশে অশান্তির মধ্য দিয়ে গণজাগরণের ঢেউয়ে উঠে এসেছে হাসিনা সরকারের ফের ফিরে আসার চাওয়া। উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিবেশে জনগণের অসন্তোষ যেন এক অবিরাম গানের তরঙ্গে গতি পাচ্ছে। তবে, ক্ষমতার লোভে যখন তিমিরে আলো খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন কি রাজনৈতিক দর্শনের অভাবটি কেবলই বিদ্রূপাত্মক একটি নাটকের অংশ নয়?

সীমান্তে জমি ও অভিবাসন নিয়ে শুভেন্দুর উদ্বেগ, NIAর হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান
শুভেন্দুবাবুর মন্তব্যে সুস্পষ্ট হলো, নেতৃত্বের ছায়ায় গুমট অস্থিরতা। সীমান্তে জমি নিঃশ্বাস ফেলছে, আর উদ্বাস্তুদের ঢল দেশে অবাধ প্রবেশ। পারদরশিতা কোথায়, যখন গোপন চক্রান্তের অসম্ভব প্রতীক নিয়েই চলছে আজকের গণতন্ত্র? একদিকে ভাঙতেছে আস্থা, অন্যদিকে খয়েরি তারে গাঁথা রাজনৈতিক নাট্যকলা, সমাজ কি সেই অঙ্গনেরই দর্শক?

“মঙ্গলবার রাতে আবাসনে যুবকের বর্বর হত্যাকাণ্ড: নিরাপত্তা প্রশ্নে গভীর উদ্বেগ উত্থাপন”
মঙ্গলবার রাতে একটি আবাসনে ঢাকার নাগরিক জীবনের অচেতন প্রতিফলন ঘটল, যখন আচমকা ভারী কিছু পড়ে যাওয়ায় সবার নজরে এল একটি খুনের দৃশ্য। যুবকের রক্তাক্ত লাশ সরকারের নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রশ্ন তুলেছে, যেখানে জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের রাজনৈতিক নাটকের মাঝে আটকা পড়েছে। সত্যি, কখনও কি এই রাজনৈতিক কুম্ভীলকের মধ্য থেকে উঠে আসবে কার্যকরী নেতৃত্ব?

রাজ্যপালের বর্ষপূর্তিতে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি: রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভাব নাকি সামাজিক আলোচনার সূচনা?
রাজ্যপালের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজভবনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অনুপস্থিত। রাজনৈতিক নেতাদের এড়িয়ে গিয়ে কি রাজ্যপাল কর্তৃক গণতন্ত্রের গান বাজানো হচ্ছে, না আত্মমহিমার সুর? সমাজের পরিবর্তিত মানসিকতার চিত্র যেন রাজনীতির আড়ালে গাঢ় এক দুর্বোধ্য কথার আবরণ।

বিধায়কের হুমকি: বিদ্যুৎ দফতরের কড়া আইন এড়িয়ে চলছে কারা? স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি কেন?
প্রভাবশালী বিধায়কের মা-ছেলের কথাবার্তায় সামঞ্জস্য না থাকায় স্থানীয়দের বিভ্রান্তি বেড়েছে, যেন জনগণের দুর্ভোগ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা একটি নাটকের পাণ্ডুলিপি। বিদ্যুৎ দফতরের এ অবহেলা প্রশ্ন তোলে—কীভাবে কিছু মানুষ আইনবহির্ভূত সুবিধা গ্রহণ করে, যখন সাধারণের জন্য আইন থাকে কঠোর। সমাজের এই দ্বিচারিতা কি প্রদর্শন করছে আমাদের শাসনব্যবস্থার প্রকৃত চেহারা?

বিশ্বভারতীতে শ্রীবিদ্যুত চক্রবর্তী যুগে ফের বিক্ষোভ, বিজেপি-আরএসএসের আলোচনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে!
বিশ্বভারতীতে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর অধীনে গর্জনসংক্রান্ত আন্দোলন যেন এক অদ্ভুত চিত্রায়ণ, যেখানে বিজেপি ও আরএসএসের নেতাদের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হয়ে উঠেছিল কালো ছায়ার মতো। জাদুকরি নেতৃত্বের অবসানে সেখানকার আন্দোলনের তীব্রতা কমলেও, রাজনীতির মঞ্চে সামাজিক মননশীলতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তো উঠছেই। কেমন যেন শূন্যতা, যেন কথা বলার জন্য জীবনের কাদায় ধাক্কা খাচ্ছে প্রতিবাদ।