রাজনীতির নাটক

নির্বাচনী প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ড: স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের অকার্যকর ব্যবস্থা!

নির্বাচনী প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ড: স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের অকার্যকর ব্যবস্থা!

NewZclub

প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ডের ঘটনার মাধ্যমে আমাদের সমাজের অদ্ভুত রাজনীতির নাটক খোলসে আসে। স্থানীয়দের বিডিওকে লেখা চিঠি যেন শুধুই একটি হাস্যকর দৃশ্যে পরিণত, যেখানে ক্ষমতার খেলায় জনগণের জন্য কোনো বাস্তব পরিবর্তন হয়নি। এই সংকট সত্যিই ঠুনকো, অথচ আমাদের নেতাদের গৌরবময় মুখাবরণে ফোটে বিতৃষ্ণার ফুল।

“বাংলায় জয়ের জন্য নানা অঙ্গীকার, বিতর্কিত বক্তৃতায় মিঠুন বললেন – ‘বিজেপি প্রস্তুত যেকোনও কিছুর জন্য'”

“বাংলায় জয়ের জন্য নানা অঙ্গীকার, বিতর্কিত বক্তৃতায় মিঠুন বললেন – ‘বিজেপি প্রস্তুত যেকোনও কিছুর জন্য'”

NewZclub

অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপির সদস্যপদ অভিযানের সূচনা, মিঠুন চক্রবর্তীর কথায় যেন এক অমোঘ সংকেত, ‘বাংলায় জয়ের জন্য প্রস্তুত যেকোনও কিছুর জন্য’, পর্যবেক্ষকরা ভেবে দেখেন, কতটা গভীর হতে পারে রাজনীতির এই চরিত্র। এই চলমান নাটকের জন্য কি আমন্ত্রিত হয়েছে সমাজ? প্রশ্ন উঠেছে, হানাহানি আর প্রতারণার মাঝে বাংলার দরজায় কী প্রত্যাশা নিয়ে যেতে চায় বিজেপি?

“অনুব্রতের হাত ধরে মমতার জয়ের থমথমে যাত্রা: কর্মী থেকে নেতা, রাজনীতি কি আদৌ দামি?”

“অনুব্রতের হাত ধরে মমতার জয়ের থমথমে যাত্রা: কর্মী থেকে নেতা, রাজনীতি কি আদৌ দামি?”

NewZclub

বর্তমানে অনুব্রত মণ্ডল ভেবে দেখছেন, নেতা তো হওয়ার নয়, বরং তিনি তৃণমূলের এক সাধারণ সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়ে, রাজনীতির মায়া কাটিয়ে চলে যেতে চান—এ যেন এক নতুন গান! কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, নেতার পদ থেকে বিদায়ের সুরটা কি আসলেই ভিন্ন। এ ভাবে জনগণের সেবা নিয়ে কতদিনের এই নাটক? সমাজের দাবি কি সংবাদমাধ্যমের চেয়ে বেশি নয়? শাসকের রাজনীতির চালে সমাজ সঙ্কটে আর কত দিনের নীরব প্রহর?