মৌলিক অধিকার

বঙ্গভূমিতে হিন্দুদের ওপর মুসলমানদের অত্যাচার: রাজনৈতিক শঙ্কা ও সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে
বাংলাদেশের হিন্দু জনগণের ওপর অত্যাচারের বাড়বাড়ন্তে ধৃত আদো বর্মনের অভিযোগে নিছক সমালোচনা নয়, বরং গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটে। বাড়িঘর ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের এই শক্তিশালী ছবি যখন গণতান্ত্রিক সমাজের সুশাসনের কুহেলিকা উন্মোচন করে, তখন প্রশ্ন ওঠে—কোথায় রয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা? জনমত কি ক্রমেই ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোর অনীহা প্রকাশ করছে? সমাজে বিভেদ গড়ে তোলা এবং মৌলিক অধিকারের প্রতি এই অবহেলা একটি ভাবনাকে উসকে দেয়—আমরা কি সত্যিই সৌহার্দ্যপূর্ণ জনগণ হিসাবে নিজেদের চিনতে পারছি?

বড়দিনের উৎসবে বন্ধ চা-বাগান খুলে সরকারী উদ্যোগে শ্রমিকদের নতুন আশা, তবে কী আছে রাজনৈতিক দিক?
দেশের চা-বাগানগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি, একদিকে নির্বাচনী লাভের আশায় রাজ্যের মন্ত্রীগোষ্ঠীর উদ্যোগ, অন্যদিকে শ্রমিকদের হাতে কাজের সন্ধান। উৎসবের মৌলিকতায় যেমন নতুন করে উদ্যমের ছোঁয়া, এতসব পট পরিবর্তনে রাজনৈতিক নাটকের অভিনয়টাই ফুটে ওঠে; তবুও সামাজিক অবস্থা কী নতুন চা পাতায় বেঁচে উঠবে, তা সবার তীব্র প্রশ্ন।

আসানসোলের ট্রেন দুর্ঘটনায় আতঙ্ক: রেলওয়ে ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি নিয়ে অসন্তোষ বৃদ্ধি
যুগান্তকারী এই ঘটনার পর আসানসোলে ট্রেনযাত্রীদের মনে এক ভীতির ছায়া। নিরাপত্তার প্রশ্নে আবারও দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছি আমরা—সমাজ আর সরকারের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নবিদ্ধ। ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত এলো, কিন্তু প্রশ্ন রইল, রাজনীতি কি কখনো সঠিক সময়ে আসে? আতঙ্কের মাঝে মানুষের আহত হয়ে যাওয়ার গল্প বলছে, governance এর দায়িত্ববোধের অধঃপতন। আবার সেই পুরোনো নাটকের পুনরাবৃত্তি—যেখানে সরকার থাকে উপস্থিত, কিন্তু জনগণের নিরাপত্তা কী ম্লান, সে যাত্রা হিসেবে।

“তৃণমূলের বস্ত্রদান: নেতা ও বিডিওর মুখোমুখি চিত্রের মাঝে সমাজের বাস্তবতাও কি ফুটে উঠছে?”
তৃণমূলের বস্ত্রদান কর্মসূচিতে বিডিওর উপস্থিতি যেন এক নিকৃষ্ট নাটক, যেখানে শীতল পোশাকের মধ্য দিয়ে অভিনয় হচ্ছে জনগণের বোকামির। সুশৃঙ্খল শাসনের উদাহরণ হিসেবে হাজির হলেও, আসলে এ সব কিছুই তথাকথিত 'সমাজসেবা'র আড়ালে রাজনৈতিক স্বার্থের গন্ধ। জনতার দরদ দেখানোর কোলাহলে, আদর্শের স্তম্ভগুলো কেমন করে তার ভিত্তি খুঁজছে, তারই প্রতিফলন।