মিডিয়া ভূমিকা

দুষ্টু যুবকের হাতে শিশুরা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সমাজে।
সম্প্রতি একটি গভীর উদ্বেগের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রতিবেশীরা এক যুবককে ধরেন শিশুর জন্য অশালীন কাজ করতে গিয়ে। এ ঘটনা শাসকদের কার্যকলাপের প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে, সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে মূল বিষয়বস্তুর আলো ফেলছে। আমাদের নেতারা কি এসবের দায় মেনে নেবেন, নাকি চোখে বালির ঝাপড়ায় সন্ত্রাসী, নিরীহদের ভুল বুঝবেন?

অধ্যাপকদের আন্দোলনে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ১০০ জনের জোড়ে তীব্র প্রতিবাদ, সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ।
প্রকৃতির অমানবিক চাহিদার মাঝে ১০০ জন অধ্যাপক প্রশাসনিক ভবনের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ করে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। তাঁদের এই প্রতিবাদ যেমন সরকারের প্রতি আক্রোশের প্রতীক, তেমনি দেশের বিদ্যাচর্চার মানের দুরবস্থা ও গবেষণার সংকটের করুণ ছবি তুলে ধরছে। গোটা জাতির দৃষ্টিভঙ্গি কি শুধুই মুখরোচক কথায় সীমাবদ্ধ থাকবে, না কি গহনে প্রবাহিত চিন্তার তরঙ্গে বহমান হবে?

মেডিক্যাল কলেজে রোগী কল্যাণ সমিতির পদে রদবদল; সুদীপ্ত-শান্তনুর ক্ষতির মধ্য দিয়ে ক্ষমতার কূটনীতি প্রকাশিত
মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতিতে সদ্য ঘটে যাওয়া রদবদল যেন রাজনৈতিক নাটকের এক অধ্যায়, যেখানে সুদীপ্ত ও শান্তনুর মতো চরিত্রগুলো নেপথ্যে থাকলেও জনগণের দৃষ্টির আড়ালে সরে যাচ্ছে। এই বদলিয়া খেলায় governance-এর দুর্বলতা ও নেতৃত্বের আসন্ন সংকট ফুটে উঠছে, যেন সমাজের স্বাস্থ্য যেন রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে গেছে—এতটা অদ্ভুত, যে কল্যাণের নামে চলছে কুটনৈতিক রমণলীলা!

দার্জিলিং চা শ্রমিকদের জীবন সংগ্রাম: সঠিক মজুরি ও বোনাসের দাবিতে আন্দোলন গড়ে উঠছে।
দার্জিলিংয়ের চায়ের শ্রমিকদের জীবন যেন একটি দারুণ নাটক—গ্লানি আর আশা মিশ্রিত। সরকারের সোনালি প্রতিশ্রুতির ছায়ায় তাঁদের বোনাস ও মজুরির অভাবে কালো রাত আসে, যেন গীতের কলিতে বাজছে—"চা তো ভালো, কিন্তু জীবন?" রাজনীতির মাতৃস্নেহ এখানে অসহায়ের হাসি, এই নির্মল চা বাগানের আঁধারে।

“অবাক বাঁচা: দেবাশিসবাবুর কেনাকাটা সরকারের বাড়ি, টাকা গেল ভিন্নের কাছে—রাজনীতির হাস্যকর নাটক!”
বাড়ির জন্য সাজানো খেতাবের খাঁচায় দেবাশিসবাবুর নাম, অথচ তাঁর অধিকারী অর্থ অন্যের ব্যাঙ্কে! রাজনীতির এই মিশ্রণে বিশ্বাসের গন্ধ হারিয়ে যাচ্ছে, যখন জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিনতাই হচ্ছে। অস্তিত্বের সংকটে সঙ্গী হয় খোঁজখবর আর বাবুদের শাসন। কোথায় সদাসর্বদা সেবা, আর কোথায় সত্তা?

“মমতার নতুন উদ্যোগ: পাহাড়ের প্রতিভা বিকাশের পথে সরকারি পোর্টাল ও স্কিল সেন্টার, কিন্তু রাজনৈতিক নাটকের পর্দা উঠবে কবে?”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাক্য বাজছে পাহাড়ের করুণ সুরে, যেন প্রতিভার ঢেউয়ে তলিয়ে যাচ্ছে বেকারত্বের ভদ্রতাসহকারে। সরকারি পোর্টালের প্রতিশ্রুতি আর স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের স্বপ্নের মাঝে, কি তবে সমাজের এই কাঠগড়ায় এক নতুন আশা খুঁজে পাবে? নাকি এই পদক্ষেপগুলো কেবল রাজনৈতিক কথা, যেই ঠুনকো যানবাহনে চলায় শুধুই খুঁতখুঁত শুনতে পাওয়া যাবে?

“রতন টাটার কালীপুজোর শোভাযাত্রা: রাজনীতির নাটকীয় দৃশ্যে নতুন গল্প, জনগণের মনোজগতে প্রশ্নের ঢেউ!”
রতন টাটার কালীপুজোর ভাসানে তৃণমূল নেতার শোভাযাত্রা যেন এক রঙ্গীন নাটক, যেখানে রাজনীতির মঞ্চে জনতার অশ্রু-বর্ষণ চিরকালীন। ধর্মের পুজোতে যেন অবলম্বন, অথচ শাসকদের প্রতি বৈরাগ্যের বাতাস—শুভ এবং অশুভের মধ্যকার নাচনে কি সত্যিই মেলে সমাজের মেট গন্ধ? টাটার মুখে সুখের আলোকচ্ছবি, অথচ করুণার ছায়া কি অদৃশ্য?