মিডিয়ার ভূমিকা

চুঁচুড়ায় শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু, সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির বিরুদ্ধে উঠছে প্রশ্ন
অস্বাভাবিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যখন ময়নাতদন্তের আগে প্রমাণহীন গাফিলতির দায় চাপানো হচ্ছে। বাবা-মায়ের অবহেলার গল্প শুনে মনে হচ্ছে, সমাজের কাছে নিরাপত্তার নমনীয়তার খোঁজ পাওয়া অসম্ভব। রাজনীতির উনাগুঁতি ও প্রতিশ্রুতি আজ কি আর আমাদের বাচ্চাদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম?

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি: অভিষেকের নাম উঠলো নতুন চার্জশিটে, তৃণমূলের উপর চাপ বাড়ছে
প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তীব্র অভিযোগে ইডির নতুন চার্জশিটে উঠে এসেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নাম, যে সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে। এ যেন এক নাটক, যেখানে গণতন্ত্রের খেলার মাঠে শোভা পাচ্ছে স্বার্থের চাকা। সাধারণ মানুষের চোখে রাজনৈতিক নেতাদের মুখোশ উন্মোচন হচ্ছে আর প্রশ্ন উঠছে—সত্যিই কি শুদ্ধির পথে হাঁটছে রাজনীতি, না কি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুরনো কান্না?

মোদীর দায়বদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক: রাজনীতিতে ক্রিয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া কি সমাজে পরিবর্তন আনছে?
মূলত ক্ষমতার খেলায়, বিদ্যুতের গতিসূত্রের মতোই, একজন নেতার কর্মকাণ্ডে বোঝা যায় সমাজের অবস্থান। মোদীকে ২০০২ এর দাঙ্গায় দায়ী করা নিয়ে বিতর্ক চললেও, ইতিহাসের এই পাতা যেন ক্রিয়ার পরিণামকেই পুণরাবৃত্তি করছে। সমাজের বিরোধিতা, মতভেদ—সব কিছুর বিপরীতে কিছু প্রভাবশালী এখনও নিজের সুর বদলাতে চায়। কিন্ত সমাজ তো দেখছে, গণতন্ত্রের নাটকে মুখোশের বদলে আসল সম্পর্কের থেকেও বড় বিষয় হলো, সবার করাতের দঁড়ে।

আর্থিক বছরের জন্য সাংসদদের পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ: উন্নয়ন না দুর্নীতি, জনমনে শঙ্কা!
বাংলা রাজনীতির মঞ্চে সাংসদদের পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে কারবার যেন এক অভিনব নাটক। বছরের পর বছর তারা এলাকাবাসীর স্বপ্নে জল ঢেলে নতুন উন্নয়নের ললিত গাথা গঠন করেন, কিন্তু বাস্তবে সেই টাকার পরিবর্তে শুধুই নিদর্শন—সময়ের ব্যর্থতা। জনগণের কান্না কি কখনো শুনবে তাদের অশ্রুত পুঁটলি?

কলকাতার মিনি বাংলাদেশে ব্যবসায় ডাউন; সম্প্রীতির আবার্তা, সংকট ও সমাজের চিত্র প্রকাশ পায় HT বাংলার প্রতিবেদনে।
কলকাতার মিনি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক বিরম্যতা আর আধপেটা জীবনের বাস্তবতায় খুব একটা সম্প্রীতির শিক্ষা মিলছে না। রাজনীতি সেখানে যেন খেলা, যেখানে নেতারাই নিজেদের স্বার্থে জনগণের দৃশ্যপটকে তাচ্ছিল্য করে চলেছেন। কিছু হলেও খবর চাউর হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথায় কি জনগণের ক্ষুধা মেটানো যাবে?

মহিলার মৃত্যু: পুলিশ আত্মহত্যার থিওরি মানছে না, ময়নাতদন্তে জমে উঠছে রহস্য
নির্ভীক পুলিশের বুদ্ধিমত্তায় উঠে এসেছে এক রহস্য; আত্মহত্যার তত্ত্ব তো স্রেফ দুর্বোধ্য রূপকথা! শরীরের আঘাতের দাগ বলছে, এখানে কিছু তৎপরতা আছে। সমাজের এই দৃশ্যপট যেন একটি নাটকের পাতা, যেখানে সত্য ও নির্মমতার মাঝে চলছে এক অদ্ভুত খেলা। ময়নাতদন্তের ফলাফল অপেক্ষায়, সরকারও দেখছে, নিত্যদিনের গণতন্ত্রের নাটক কোনদিকে মোড় নেয়, আর জনগণের মনোভাব কি পালটে ওঠে।

শওকত মোল্লার অনুগামীদের হামলায় আতঙ্কিত স্বপন মণ্ডল, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে Crescendo সংঘাত
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আরাবুল অনুগামী স্বপন মণ্ডলের ওপর শাওকতের অনুসারীদের হামলা, রাজনৈতিক আধিপত্য ও বিক্ষোভের এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করছে। প্রশাসন কতটা নিষ্ক্রিয়; নেতা ও গুণচরিত্রের নৈতিকতার সংকট কী প্রতিফলিত করে—এ প্রশ্ন আজ বাংলার ঘরে ঘরে। সত্যি, রাজনীতির এই নাটকীয়তার মাঝে মানুষের জীবনও কি শুধুই একটি ভোটের মরীচিকা?

ধর্মঘটের কারণে রাজ্যে আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শাসকের ব্যর্থতা স্পষ্ট হচ্ছে।
রাজ্যের আলুর দাম এক মাস্তিতে বেড়ে চলেছে, যখন মুখ্যমন্ত্রী দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ভিনরাজ্যে রফতানি বন্ধ করলেন। জনগণের ক্ষোভে ধর্মঘটের ডাক, যেন অসহায় কৃষকরা দাম বাড়ানোর নতুন কৌশল। এখানে শাসকের কর্মসূচি আর জনতার ভাবনার মধ্যে বিস্তীর্ণ একটি শূন্যতা, যা গভীর হাস্যরসের দ্বারা ফুটে ওঠে। কতটা অদ্ভুত যে, কৃষকের হাতের আলু এখন যেন রাজনৈতিক খেলার প্যাদানি!

বিচারপতি সূর্যকান্তের মন্তব্য: আদালতে কর্মসংস্কৃতি প্রয়োজন, রিপোর্ট জমা না হওয়ায় চাঞ্চল্য!
বিচারপতি সূর্যকান্তের মন্তব্যে গৃহীত হল রাজনৈতিক অচলাবস্থার এক চিত্র—আদালতের কর্মসংস্কৃতির অভাব, রিপোর্ট জমাদানে অবহেলা। এমন একটি পরিস্থিতিতে সরকারী গণতন্ত্রের চেতনাও যেন হারিয়ে যাচ্ছে, যদিও সভ্যতার চলমান কলকশা এখনও কিছুমাত্র সজাগ। সমাজের আবেগগুলোর সঙ্গে রাজনীতির সিনক্রেনিজম যেন নিয়তির প্রতিযোগিতা।

“সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে নেতাদের কার্যক্রমে জনগণের মনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি”
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বিদ্যাভারতী ও সহকার ভারতীর মতো সংগঠনগুলি সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিচরণ করছে, যেন রাষ্ট্রীয় নীতি একেকটি নাটকের প্যারোডি। নেতাদের বিপরীতে মানুষের ভরসার আশ্রয়খণ্ড, কোথায় চলেছি আমরা? সমাজের মুখে রাজনৈতিক সংস্কৃতির থাপ্পড়, যে সংস্কৃতি আজ যেন কারিগরি খোয়াবের মতো।