মিডিয়ার ভূমিকা

জাতীয় পতাকাকে অপমানকারীদের জন্য আলিপুরদুয়ারের হোটেলে প্রবেশ নিষিদ্ধ, রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র।
আলিপুরদুয়ারের হোটেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করা ব্যক্তিদের সেখানে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না। এই স্বাদু বিতর্কে একদিকে জাতীয়তাবাদের সমর্থন, অন্যদিকে রাজনীতির শিশু সুলভ বিচার—সত্যি কি আমাদের সমাজের মানসিকতার তবেনুবিভাগে চলছে? নেতাদের অভিনয় আর গণমানসে ক্ষোভ বৃদ্ধির মধ্যে, আমরা কি আসলে নতুন রূপের জাতীয়তাবাদে প্রবেশ করছি?

আন্দোলনের গুরুত্ব নিয়ে অভিযুক্তের মায়ের সতর্কবার্তা, সিবিআইয়ের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
গতকাল একটি আন্দোলনে নির্যাতিতার মায়ের আকুতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের নীতির প্রতি প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেছিলেন, যদি আন্দোলন থেমে যায়, তাহলে সত্যিকার তদন্তের আশা কি? এই প্রশ্ন বিজ্ঞতা ও বিদ্রূপের মিশ্রণে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকে আঙ্গুল তোলেছে, যেখানে ক্ষমতা কার্যকরীভাবে অগ্রসর হচ্ছে, কিন্তু জনগণের কণ্ঠস্বর কোথায়?

নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো পরিদর্শন: সরকার ও জনগণের মধ্যে নতুন আশা এবং বিতর্কের সূচনা
কলকাতা মেট্রোর ইয়েলো লাইনের নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট অংশের প্রস্তুতিমূলক দৌড়ে যেন এক নতুন ক্লাসিকের আবহ বিরাজমান। সোমবারের পরিদর্শনে মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি আসছেন, সেই কাহিনি পুরো শহরের রাজনৈতিক নাটকের মধ্যে এক চিত্কারের মতো। সাধারণ মানুষের যানবাহনের দুর্ভোগের মাঝে কীভাবে সরকারের নানামুখী প্রতিশ্রুতি রূপ নেয়, তা খুঁজে পাওয়ার জন্য এই দৌড়ের চেয়ে আহ্লাদী কি আর কিছু হতে পারে? সমাজের প্রগতির গতিতে নেতাদের পদক্ষেপের গতি, যেন এক অমলিন কবিতার ছন্দে—হাসির আড়ালে রয়ে যায় গভীর বিষাদ।

পীরজাদা সিদ্দিকিদের মুখ খুলতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন নাটক শুরু হলো।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে আবার উত্তেজনা, পীরজাদা নাজমুস সায়াদত ও পীরজাদা সাফেরি সিদ্দিকির বক্তব্যগুলো আজকের রাজনৈতিক কৌশল এবং নেতৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করছে। সঙ্কট, বিতর্ক এবং প্রত্যাশিত উন্নতি যেন জলফলারের মতো—সবকিছু বাইরে থেকেই ঝলমল করছে, অথচ ভেতরে সত্যিই কোনো গতি নেই। জনগণের বোধশক্তির দোলাচল কি একদিন তাদের দু'কথায় উত্তর খুঁজে পাবে?

লিটনের রহস্যময় মৃত্যু: রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক ও জনমতের পরিবর্তন
শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন লিটন, সৌজন্যে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বরাবরের মতো অদূরদর্শিতা। মাদারিপুরের এই যুবকের মৃত্যু প্রমাণ করে যে, শাসকদের অগুরুত্বের মাঝে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা অকিঞ্চিৎকর। কুয়াশার মাঝে নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও জনদুর্ভোগের ছবি কেমনভাবে বর্ধমানের মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত তাতেই আঁকা।

শিক্ষা সিলেবাসে পরিবর্তন: পড়ুয়াদের চাপ কমানোর নামেই কি চলছে রাজনৈতিক খেলা?
বাংলা ও ইংরেজি-সহ ১৯টি বিষয়ে সিলেবাসের পরিবর্তন, পড়ুয়াদের চাপ কমানোর অঙ্গীকার! কিন্তু শিক্ষার নামের পেছনে কি সরকারী তদারকির অভাব এই নতুন পাঠ্যক্রমের অন্তরাল? পরিবর্তন তো দরকার, কিন্তু বাস্তবে কি চাপ কমায়? নাকি কেবল নামমাত্র সংস্কারের খেলা?

সল্টলেকের কাউন্সিলারদের বৈঠকে পুরমন্ত্রীর সতর্কতা, রাস্তাঘাটের অবস্থা ও জঞ্জাল সাফাইয়ে নবীন চ্যালেঞ্জ
সল্টলেকের পুরসভা বৈঠকে পুরমন্ত্রীর ফাঁদে রাজনীতির আড়ালে এক চিত্র ফুটে ওঠে, যেখানে কাউন্সিলারদের করুণ দশা প্রতিফলিত। ‘কাজ না করলে কোপ’—মেয়র সাহেবের এই বাক্যে এ যেন শুধু সতর্কবাণী নয়, বরং গর্জনের ইঙ্গিত। রাস্তাঘাটের খারাপ দশা, অপরিষ্কার পরিবেশ, আর নবান্নে অভিযোগের রোল রিহার্সেল—দেশটির শাসন ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা যেন গভীর ক্ষণের গান। জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গড়িমসি আর দায়িত্বহীনতার মাঝে কি তবে মূর্তিমান এক রাজনৈতিক নাটকের আবহ?

দক্ষিণ কলকাতায় ময়লার স্তূপে পল্লবিত মুন্ডু: পৌর ব্যবস্থাপনার খারাপ চিত্র সামনে এসেছে
দক্ষিণ কলকাতার গলফ গ্রিন এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এক ময়লার স্তূপ পরিষ্কার করতে গিয়ে যখন একটি প্লাস্টিকের প্যাকেট মোড়ানো মুন্ডু আবিষ্কার করলেন, তখন যেন গভীর রাজনৈতিক সমস্যারই প্রতিফলন ঘটল। সভ্যতার মুখোশ ও রাজনীতির অন্ধকার কূটচালগুলো এই একটি জিনিসেই পরিষ্কার হয়ে গেল। কি আশ্চর্য, আমাদের নেতৃত্বের জন্য এ হচ্ছে এক নতুন ‘মূল্যবোধ’, যেখানে মানুষের জীবন ও মরোনামার অন্তর্নিহিত গুরুত্ব কি ঠিক প্রশ্নবিদ্ধ!

হাবরা থানায় ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ, মহিলা আতঙ্কিত, পুলিশ তদন্তে নামলো।
হাবরায় এক মহিলা ধর্ষণের হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন, তার অভিযোগের পর পুলিশ তদন্তে নেমেছে; কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজের এক কোণে নানা ভয়াবহতা চালিয়ে যাচ্ছে কতিপয় অন্ধকার প্রভাবশালী। নেতাদের প্রতি ভক্তি আর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা—এই দুইয়ের আধিক্য কি কখনো একীভূত হবে, নাকি আমরা শুধু প্রতিবাদ আর আতঙ্কের মাঝে লুকিয়ে রইব?

গ্রন্থাগার মন্ত্রীর বক্তব্য: শিক্ষা না থাকলে নেতারা গালিগালাজই করবেন, ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ
বাংলার গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায়, বিজেপি নেতাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ যেন সুরে সুরে একটি নতুন নাট্যকাহিনী রচনা করছে। প্রণিধানীয় সাংবিধানিক জ্ঞানের অভাবে গালাগালির দৌরাত্ম্যের মাঝে, মহাভারত বা গীতার প্রতিধ্বনি নিশ্চয়ই নির্বাচনী নৈতিকতার একটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করবে—যেখানে পাঠ্যপুস্তক নয়, ধর্মীয় বর্ণনায় জাতির চরিত্র নির্মাণের যুক্তি শোনা যাবে। তবে, প্রশ্ন জাগে, এই পাঠদানে কি সত্যিই সভ্যতা ও নৈতিকতা ফিরে আসবে?