মানবিক সংকট

দক্ষিণ কলকাতায় ময়লার স্তূপে পল্লবিত মুন্ডু: পৌর ব্যবস্থাপনার খারাপ চিত্র সামনে এসেছে
দক্ষিণ কলকাতার গলফ গ্রিন এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এক ময়লার স্তূপ পরিষ্কার করতে গিয়ে যখন একটি প্লাস্টিকের প্যাকেট মোড়ানো মুন্ডু আবিষ্কার করলেন, তখন যেন গভীর রাজনৈতিক সমস্যারই প্রতিফলন ঘটল। সভ্যতার মুখোশ ও রাজনীতির অন্ধকার কূটচালগুলো এই একটি জিনিসেই পরিষ্কার হয়ে গেল। কি আশ্চর্য, আমাদের নেতৃত্বের জন্য এ হচ্ছে এক নতুন ‘মূল্যবোধ’, যেখানে মানুষের জীবন ও মরোনামার অন্তর্নিহিত গুরুত্ব কি ঠিক প্রশ্নবিদ্ধ!

“কলকাতা পুলিশ ‘কুণাল অস্ত্র’ ব্যবহারে, তরুণ চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনে রাজনৈতিক চাপের ছায়া!”
কলকাতা পুলিশের কুণাল অস্ত্রের ব্যবহার, যেন পুরনো দিনের কাহিনী আবার ফিরে এসেছে, তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং হত্যার মামলায় জনমনে হতাশার সাগর। সরকারের শাসনে মানবিকতার সংকট ফুটে উঠছে, আর প্রতিবাদের আওয়াজ চাপা পড়ছে যেন রবীন্দ্রনাথের গীতিতে—"দেখাও ঠাহর, যদি মোর কান্না শুরু হয়।" সত্যি কি বেঁচে থাকার অধিকারও এখন প্রশ্নবিদ্ধ?

নাবালিকার বিরুদ্ধে দাদুর ধর্ষণের অভিযোগ: সমাজের গতি ও নৈতিকতার সংকটের চিত্র ফুটে উঠল!
রবিবার একজন কিশোরী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার দাদুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছে, যা সমাজের গভীর অন্ধকারের প্রতিফলন। এই দুর্বিষহ ঘটনার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি, যেখানে দায়িত্বশীলতার অভাব, সেখানে আইন ও প্রশাসন কেবল কাগজে কলমে, কোনো মানবিক সত্তা নয়। কি বিস্ময়! সমাজের এই চিত্র আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, যখন টিভির পর্দায় সাজানো আলোচনায় অশান্তির পাবলিসিটি ফলো করা হচ্ছে।

নৃত্যশিল্পীদের উদ্ধার: শিল্পী সংগঠন বিএসএফইউ’র দাবি, রাজনীতির অন্ধকারে মানবিকতার আলোর সন্ধান!
নৃত্যশিল্পীদের উদ্ধারের ঘটনাটি যেন সমাজের অবস্থা নিয়ে এক শ্লোকের মতো। প্রবীণ পট্টনায়কের মাধ্যমে পুলিশের হস্তক্ষেপ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বিষয় না হয়ে একটি মানবিক সঙ্কটকে সামনে এনেছে। দু’জনের গ্রেফতারি সেই চিরন্তন প্রশ্ন তুলে ধরে—আমরা কি সত্যিই সভ্য? রাজনীতির নাট্যদলে সমাজের নৃত্যশিল্পীদের সদা উপেক্ষার যুগে, কেবল ঘটনাবলি প্রতিপালনের পরিবর্তে মানবিক মূল্যবোধের অনুসন্ধানে একটি নতুন সূচনা কি হতে পারে?