মানবাধিকার

ধনঞ্জয় মামলার নতুন মোড়ে গ্রামবাসীদের আন্দোলন, পুরনো কাহিনী আবার উঠে আসছে জনমত পরিবর্তনে।
ছাতনার গ্ৰাম কুলুডিহির মানুষের উত্থান আবারও প্রশ্ন তুলেছে আমাদের সমাজ ও রাজনীতির চেহারা নিয়ে। ব স রোজকার চাঞ্চল্যকর ঘটনাগুলির মাঝে ৩৪ বছর পুরানো একটি ঘটনার স্মৃতি পুরনো কাহিনীর মতো ফিরে এসেছে, যেখানে ধনঞ্জয়কে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। গ্রামবাসীদের তৈরি মঞ্চে উঠে আসছে নাগরিক সচেতনতার নতুন এক দিগন্ত, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—কতটা বদলেছে আমাদের বিচারতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান? আর কতদিন চলবে এই অন্ধকারের নাটক?

নির্যাতিতার বাবা-মার প্রতি শ্রদ্ধা, রাজনৈতিক স্বার্থের বিরুদ্ধে কুণাল ঘোষের কঠোর সঙ্কেত
রাষ্ট্রের সংকটের কালাত্মক চেহারায় কুণাল ঘোষের কথায় মিলেছে এক ভয়াবহ সনাক্ত—নির্যাতিতার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অপূরণীয় দায়িত্বের বোধ। শাসকের রাজনৈতিক খেলোয়াড়ি যেন ফাঁকা গৌরবের অবসান ঘটিয়েছে, যেখানে স্বার্থান্বেষী জোটের আদর্শ চাপা পড়ে গেছে মানবতার নিদারুণ চাহিদার নিচে। আমাদের নিঃশব্দ প্রবাহে কী এক হতাশা, রাষ্ট্রনায়করা হাতজোড় করে দায় মেটাতে নারাজ, যোগ্যতা ভুলে স্বার্থের ভিড়ে তলিয়ে।

শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে কাঁথি সেন্ট্রালে সংখ্যালঘুদের প্রতিবাদ সভা, জমায়েতের উন্মাদনা
শুভেন্দু দাবি করেছেন, ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪-এর প্রতিবাদে কাঁথি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডে আয়োজিত সভা নির্দেশ করে, তখন মনে হয়, রাজনীতির খেলার মাঠে বলের বদলে নাগরিকদের রুজির টানাটানি। সংখ্যালঘুদের প্রতিবাদ যেন সমুদ্রের ঢেউ, যা একদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, অন্যদিকে সামাজিক সুবিচারের আকাঙ্ক্ষায় ভাসিয়ে রাখে আমাদের।

বৃদ্ধের অত্যাচারের অভিযোগে দীপায়ন সরকার বিরুদ্ধে থানায় বাবামার আসা, পুলিশের হস্তক্ষেপে নতুন সংকটের সৃষ্টি।
রাজনীতির ভেতর যেন এক চিরন্তন নাটক, যেখানে বৃদ্ধ বাবা-মার অভিযোগের পর দীপায়ন সরকারের বিরুদ্ধে অত্যাচারের হুঙ্কার উভয়পক্ষেরই মুখোশ খুলে দেয়। বারাসত থানার অফিসার দুধ কুমার মণ্ডলের উপস্থিতিতে যে দুঃখ-কষ্টের পালা শুরু হয়, সেখানে ন্যায়-নীতি আর মানবতা যেন গলিত হচ্ছে, রঙ্গমঞ্চে কেবল ক্ষমতার অসৎ অভিনয়। জনতার হতাশার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় এ ঘটনা, যা প্রমাণ করে, নির্মম রাজনীতির চাঁদে আজও ছায়া পড়ছে।

মেয়ের নির্যাতনের বিচার চেয়ে বাবার আহ্বান, বৃন্দা গ্রোভার মামলার পেছনে কেন?
নির্যাতিতার বাবার ভাষ্যে ফুটে উঠেছে এক অদ্ভুত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, যেখানে তদন্তের ধারাবাহিকতা সবে চলছে। বৃন্দা গ্রোভার কেন পিছিয়ে গেলেন, তা স্বাদের মতো অজানাই রয়ে গেল। 'কলকাতা পুলিশের চার্জশিট' বলে কটাক্ষ করা সত্ত্বেও, বিচার পেলেই যেন সকল নাটক শেষ হবে, অথচ এ কী বিচারের খেলা? সমাজের এই অচল সংস্কৃতি কি কেবল অবসরে ভাসছে, নাকি সত্যিই কোনো নেতা মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন?

সুপ্রিম কোর্টে সিবিআইয়ের দাবি: নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রশ্নে উত্তপ্ত বিতর্ক
সুপ্রিম কোর্টে আরজি শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার কথা শুনে মনে হলো, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রণা যেন একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট। নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি সামনে আসার পর বিচারক কেচ্ছার দিকে তাকালেন। সত্যি কি বিচার, নাকি কেবল প্যাঁচ? বৃন্দা গ্রোভার মনে করিয়ে দিলেন, সরকারের নৈতিকতার আকাশে ভারী মেঘ। কবে হবে সেই সুবর্ণ দিন?

দুষ্টু যুবকের হাতে শিশুরা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সমাজে।
সম্প্রতি একটি গভীর উদ্বেগের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রতিবেশীরা এক যুবককে ধরেন শিশুর জন্য অশালীন কাজ করতে গিয়ে। এ ঘটনা শাসকদের কার্যকলাপের প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে, সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে মূল বিষয়বস্তুর আলো ফেলছে। আমাদের নেতারা কি এসবের দায় মেনে নেবেন, নাকি চোখে বালির ঝাপড়ায় সন্ত্রাসী, নিরীহদের ভুল বুঝবেন?

সুনামগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হামলা, বিপ্র দাসের গ্রেফতার; ধর্মীয় সহিংসতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম।
গত বুধবার সুনামগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হামলা, কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর নৃশংসতার এক নতুন দৃষ্টান্ত। বিদ্রূপের মতোই, ভিডিওটি সচেতনতা বাড়ানোর পরিবর্তে বিশ্বজুড়ে বিভাজনের রাজনীতির নগ্ন ছবি ফেলে। বিপ্র দাসের গ্রেফতার, তথ্যের স্বাধীনতা ও সরকারের কার্যকারিতার প্রশ্ন নাটকীয়ভাবে উত্থাপন করে, যেন মানবতা আজও ভাসছে অর্থহীন নীরবতায়।

নাগরিক সমাজে তোলপাড়: মহিলার যৌন নিগ্রহের ঘটনায় নতুন প্রতিবাদের স্রোত
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আজকাল শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্ন যেন অবহেলিত। একটি নিরীহ শিশুর উপর ধর্ষণের মতো নৃশংসতার উদাহরণ আমাদের ঔদাসীনতার এক চিত্র তুলে ধরে। এ কোন সভ্যতার পরিচয়? প্রশাসনের অক্ষমতায়, প্রতিবাদীরাও এখন স্রোতের গতি এমনভাবে হারায় যে, ঐ হৃদয়বিদারক ঘটনার প্রতিবাদ যেন এক ক্ষণস্থায়ী আবেগ হিসেবে রয়ে যায়।

মাংস বিক্রেতার শ্বাসনালিতে আঘাত, পুলিশ তদন্তে নামে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা শুরু
পুলিশের হাসপাতালে আসা সেই মাংস বিক্রেতা আঘাতের কাহিনি বলার অধিকারই যেন হারিয়ে ফেলেছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হচ্ছে—প্রশ্ন ওঠে, ভাষার রূপে রূপান্তরিত দহন কিসের ফল? সমাজের এই অসঙ্গতি, স্বাভাবিকের খুলে থাকা আঘাতে চালাচ্ছে সরকার, আর নেতাদের মুখে প্রতিশ্রুতির মায়া। এই তো আমাদের রাজনীতির নাটক—এক পা এগোলে, সমাজের শ্বাসনালি আরো একবার জর্জরিত!