মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতার ঘোষণার আগে সিবিআই হাতে মামলার তদন্ত, রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে আদালতের কাছে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছিলেন, তা রাজনৈতিক নাটকের সাক্ষী। একদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অপরদিকে জনগণের দৃষ্টিতে কতটা গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব! সত্যি, এ ধরণের ঘটনাবলিতে সমাজের প্রতিচ্ছবি মহৎ বা অমার্জিত, তবে রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাসে কখনো কখনো শাসকের পরিবেশিত প্রতিশ্রুতির সুর বদলায়, যা কাহিনীর মোড়ে একটি নতুন দিক নিয়ে আসে।

শুভেন্দু অধিকারী ইউনুস সরকারকে ‘তালিবানি’ আখ্যা দিয়ে মমতার সঙ্গেও তুলনা করলেন, আজ রানি রাসমণিতে ধর্মীয় সভা।
শুভেন্দু অধিকারী, ইউনুস সরকারকে 'তালিবানি' আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালের উদাহরণ টানলেন, যেন রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব শুরু হয়েছে। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে বাংলাদেশ ইস্যুতে সভায় তাঁর উপস্থিতির মাধ্যমে আবার যেন একবার নজর কাড়ার চেষ্টা, সত্তর ছুঁয়ে যে দেশীয় গুণাবলির ক্ষয়, তা উন্মোচনে। রাজনীতির অঙ্গনে এ যেন একটি করুণ কলোসিয়াম, যেখানে নেতারা নিজেদের নামের প্রতি কর্মফল টানতেই ব্যস্ত।

তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশে বিধায়কদের জনসংযোগ বাড়ানোর চাপ, উন্নয়ন প্রকল্পে সবার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতের আহ্বান
তৃণমূল সুপ্রিমো বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় শৃঙ্খলায় জোর দিয়ে বলছেন, ‘জনসংযোগ বাড়াও’। উন্নয়ন প্রকল্পের অভাবে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে, সেই চেতনায় সভ্যতার উন্নতি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, নেতাদের জাঁকজমক সভাতে কি সত্যিই জনগণের কণ্ঠস্বর শোনা যাবে, নাকি শুধুই আত্মপ্রসাদ?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের বাহিনী পাঠানোর দাবি, ইঙ্গিত সংঘাতের এবং ইউনুসের সরকারের অক্ষমতার দিকে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ বাহিনী পাঠানোর জন্য, যা মনে করিয়ে দেয় আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের দূরদর্শিতা কতোটা ক্ষীণ। যখন মহম্মদ ইউনুসের সরকারের গলার নালির অবস্থা সংকটাপন্ন, তখনই দেখা যায়, পাশের দেশে সংঘাতের প্রেক্ষাপট তৈরি হতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে, আমাদের নিজের সমস্যা সমাধানের বদলে তারা বিদেশী হাতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যেন রাজনীতির খেলা শুধুই একটি নাটক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব আর নেতৃত্বের মৌলিকত্বের সমস্যা এখানে স্পষ্ট, যেখানে জনগণই একটি বড় প্রশ্ন চিহ্ন।

ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন: মমতার নেতৃত্বে শিল্পপতিদের প্রশংসা, বাংলার শিল্পবান্ধব পরিবেশের উজ্জ্বল ছবি!
আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রস্তুতি বৈঠক করেছেন, যেখানে শিল্পপতিরা বাংলার শিল্পবান্ধব পরিবেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে, সরকারের এই হর্ষধ্বনি কি বাস্তবতার মুখে হাসির আলেখ্য, নাকি স্রেফ রাজনৈতিক নাটক? জনগণের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রশ্নে যে গভীর অন্ধকার, তা কি ভোগ্যপণ্য-বাণিজ্যের আলো ঢেকে দিতে পারবে?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে কি বোঝালেন একা অভিষেক, তৃণমূলের নেতৃত্বের আসল চেহারা কি প্রকাশ পেল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান যেন এক গড়পড়তা রাজনীতির মহাকাব্য, যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লান্ত কণ্ঠস্বর অচিরেই নিদর্শন করে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাঁড়ামি। ঝাড়খণ্ড থেকে ফিরে এসে কলকাতায় তিনি কেমন করে ‘বস’ শরীরে বার্তা দেন, তা বুঝতে কি সমাজের শৃঙ্খলাগুলো উন্মুক্ত হচ্ছে না? সঙ্গীতের মন্ত্রে বিভোর, সেই কর্তৃত্বের মায়াজাল ভাঙা হয় কি?

মমতা সরকারের নতুন বরাদ্দ: মূল্যবৃদ্ধির যুগে রাঁধুনি-হেল্পারদের ৫০০ টাকা বাড়ানোর লাভ কী?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যখন রাঁধুনি ও হেল্পারদের জন্য ৫০০ টাকা বাড়তি বরাদ্দের ঘোষণা দিল, তখন বাজারে মূল্যবৃদ্ধির তাকে যে কাজে লাগানো হবে সে প্রশ্ন থেকেই গেল। সরকারের বড় সংসারের ছোট্ট খরচে কি ভাঙা মনের দোলা মিটে? রাজনৈতিক নাটকে, গুনগুন করা কথাগুলো কি জনগণের দুর্দশা ঢাকার অভিনয়, নাকি সত্যিই কিছু পরিবর্তনের আভাস?

মমতার কৌশল: কয়লা পাচার মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েও অনুব্রতকে কেন পার্টির নেতৃত্বে রেখেছেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘ ২ বছর জেলবন্দি থাকা অনুব্রতকে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে সরাননি, কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁর বোলপুরে ফেরা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। কি হাসি! রাজনৈতিক ভবিষ্যত যেন এক নাটক, যেখানে নায়ক কবির অক্ষরশূন্য। জনতার মাঝে কি আসল সত্যি, নাকি মহাকাব্যের চরিত্রগুলি শুধুই প্রতীক?

সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন মমতা? তৃণমূলের দাবি নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
সিবিআই তদন্তের আবরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক 'সুবিধা' প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নীলাঞ্জন দাসের দাবি আয়নার মত প্রতিফলিত করেছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপট। সত্য-মিথ্যার মিছিলে নাগরিকের বার্তা কি সরকার বুঝতে পারছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নথির ঝলক দেখিয়ে নতুন কথার তালটি খুলে দেওয়া এই রাজনৈতিক নাটকে কিসে কি হবে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছেই। তখন মনে হয়, নেতারা ক্ষমতার চাঁদে যখন খোঁজে, সাধারণ মানুষের পথ হারাবার ভয় কি আরও বাড়ছে?

তৃণমূলে রদবদল: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্ত কি বদলাবে রাজনৈতিক চিত্র?
তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে রদবদলের গুজব যেন এক নাটকের চিত্রনাট্য, যেখানে সুব্রত বক্সি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক তাঁকে দেবে ভিন্ন মাত্রা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে পৌঁছানো তালিকার দেখা না পেলে, প্রশ্ন উঠছে—ছুরি কাঁচি চলে না কি শাসকশ্রী মৃন্ময়ী মূর্তির গোপনে সাজছে? রাজনীতির এই জটিল তাসের খেলায় জনগণের আশা কি অমলিনেই রবে?