মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলার ছাত্রদের সাফল্যে গর্বিত মমতা, শিক্ষা ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি কেমন পরিবর্তন আনবে?
বাংলার দুই ছাত্র ইউপিএসসির পরীক্ষায় অত্যাশ্চর্য ফলাফল করে রাজ্যের গর্ব বাড়িয়েছে, যখন কেন্দ্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ জুরিডিকাল সায়েন্সের সেরার তকমা মমতার মুখে হাসি ফেরায়। তবে, এই সাফল্যের ওপার সত্ত্বেও আমাদের সমাজের রাজনৈতিক নাটক যেন থামছে না; সত্যি, প্রতিযোগিতার এই আড়ালে কি আমরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রহসন ভুলে যাচ্ছি?

মমতার অভিনন্দন রাজ্য পুলিশের, নির্যাতিতার পরিবারের প্রতি সমর্থন, রাজনীতিতে নতুন আলোচনা ও ভাবনা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনন্দন বার্তায় রাজ্য পুলিশের কাজের প্রশংসা, অথচ মানবিক দিকগুলো যেন চাপা পড়ছে। বিচারপ্রক্রিয়া ও নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বক্তৃতায় রাজনীতির খেলায় কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সাহসী উদ্যোক্তা। আমরা কি আসলেই পরিবর্তনের পথ যাত্রা করছি, নাকি কেবল কথার ফুলঝুরি?

মহুয়ার বিরুদ্ধে বিধায়কদের অভিযোগ, মমতার প্রতিক্রিয়া: সরকার কোথায় ঠেকেছে?
মহুয়ার বিরুদ্ধে বিধায়কদের অভিযোগের গুঞ্জনে যেমন একদিকে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ ফুটে ওঠে, তেমনই হৃদয়ের খোঁজে থাকা মমতার চেতনার শাণিত উন্মেষ। নাগরিকদের আশা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে যখন বিতর্কের নৃত্য, তখন সরকার ও নেতৃত্বের কর্মকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিপরীতে, কি করে বাস্তবতার রূপে রূপান্তর ঘটে—এটাই তো সমাজের ঐশ্বর্য, যা আজ মলিন!

মুখ্যমন্ত্রী মমতার কড়া নির্দেশে প্রশাসনে অগ্রগতির প্রতিশ্রুতি, কর্মকর্তাদের উপর চাপ বাড়লো
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার পুলিশ সুপারদের সামনে সরকারী কাজের দুর্বলতা নিয়ে বক্তৃতা দিলেন, যেন তাঁরা রাষ্ট্রীয় কর্তব্যের সুরক্ষাকারী। অথচ, কোথাও যেন সেই সুরক্ষা প্রশ্নবিদ্ধ, জনগণের মনোভাবের সমুদ্রে ডুবতে থাকা রাজনীতির নৌকো—কী নিদারুণ কৌতুক! প্রশাসনের কঠোরতা জায়গা করে নিচ্ছে জাতীয় আলোচনায়, কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেল, সরকার জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে তো?

রাজ্যপালকে সায় দিয়েও উপাচার্য নিয়োগের বিষয় নিয়ে মমতার রাজভবনে উত্তেজনা
রাজ্যপালের সায় পাওয়ার পর, রাজভবনে মমতার উপস্থিতি যেন একটি নাট্যশালার দৃশ্য। প্রশাসনের খেলা, যেখানে উপাচার্য নিয়োগের সুত্রে রাজনৈতিক ফাঁদ পাতার খেলা আর মঞ্চে দুই নাটিকার কাহিনী। Governance-এর এই দোলাচলে, জনগণের সমস্যা কি শুধুই অন্তর্দৃষ্টি নয়, বরং উদ্ভূত সংকটের মূল? নেতৃত্বের সক্ষমতা কি সত্যিই জনগণকে আলোহীন করে দিচ্ছে, নাকি বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি?

মমতা বন্দ্যোপाध্যায়ের তুলোধোনা: বঙ্গ ও বিহারের বিতর্কিত দখলবাদ নিয়ে তীব্র মন্তব্য ও হুঁশিয়ারি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 최근 বাংলাদেশিদের প্রতি তীব্র বক্তব্য রেখেছেন, দাবি করেছেন তাঁদের কলকাতা দখলের হুমকি। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক শ্লগানে কবে হবে সুবোধের রাজনীতি? বৃহত্তর বাংলা, বিহার ও ওড়িশার স্মৃতিচারণে ফিরে যাচ্ছে সমাজ, যেখানে governance-এর মুখ কিছুটা আড়ালে পড়েছে, জনতার গলায় একটি নতুন সুর।

কলকাতায় ইসকনকে টার্গেটের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনুসের সরকারের ব্যর্থতায় ক্ষোভ বৃদ্ধি
কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাসের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের অন্তবর্তী সরকার পদ্মাপারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা জাঁকিয়ে বসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছেন, তবে ভারত-বিরোধী মন্তব্যের ঢেউয়ে ঈসকন আক্রান্ত। রাজনীতির অনুরাগে বিক্ষুব্ধ সমাজ, যেন ইতিহাসের মঞ্চে ন্যায়ের দাবিতে নৃত্যরত এক নির্বাক নাট্যশিল্পী!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিন্দায় উচ্চরশ্মি, সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কামদুনির মামলার খালাসের বিষে প্রশ্ন উঠছে
রাজনীতি আজ এক অদ্ভুত খেলা, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে আপত্তি তুলে সমালোচকেরা প্রশ্ন করছেন, কৃতিত্বের তাড়াহুড়ো কেন? দীর্ঘ দশক পরিণতিতে দোষী কি সত্যিই বিচার পাবে, নাকি কামদুনির মামলার মতো কেবল খালাসের গল্প বর্ণিত হবে? একদিকে মানুষের বিশ্বাস, অন্যদিকে শাসকের অপশাসন, এই দ্বন্দ্বে সমাজের রূপ বদলাচ্ছে।

মমতার বাণী, বাংলার মাটি ছাড়বে না; শাসন আর দায়িত্বের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক দেখা দিল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বাংলার প্রতি তার অটুট ভালোবাসার ছাপ ফেলে; তবে প্রশ্ন উঠছে, সেই ভালোবাসার সুরে কি সত্যি জনগণের কল্যাণ নিহিত? ক্ষমতার জন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর খেলা চলছে, আর জনগণ যেন এক দৃষ্টিহীন দর্শক। স্বদেশের মাটিতেই তার শেষ নিশ্বাস শেষ হবে, কিন্তু কবে ফিরবে সেই স্বার্থপরতা ছাড়া রাজনীতি?

মমতার দাবি, ২০২৬ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল; রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি।
বাংলার রাজনৈতিক চিত্র যেন এক নাটক, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরুত্থান হবে। কিন্তু অতীতের আসন্ন নায়করা, যাঁরা একসময় বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের ফিরে আসার খেলা কি এবারও চলবে? গণতন্ত্রের এ এক অদ্ভুত নাট্যাভিনয়, যেখানে ভোটের রঙ্গমঞ্চে সবাই যেন নিজেদের স্বার্থের পালা করছে, আর জনগণের বোধ-বুদ্ধি ক্রমশ তালুবন্দী হয়ে যাচ্ছে।