বিজেপি

বিজেপি নেতা সত্যেন পঞ্চাধ্যায়ের ওপর তৃণমূলের হামলা, রাজনৈতিক সমতল ফের প্রশ্নবিদ্ধ
সম্প্রতি, রাজনীতির মঞ্চে ঘটে গেলো একটি অবস্থানবদল; বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সত্যেন পঞ্চাধ্যায়ী সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে শান্তির প্রলেপ দিতে গিয়ে সংঘাতের সম্মুখীন হলেন। তৃণমূল নেতা গৌতম জানারের নেতৃত্বে তাঁর ওপর যে অস্বস্তিকর হামলা হলো, তা কি কেবল বোটের ঢেউ, না কি রাজনৈতিক পরিস্থিতির আসল চেহারা? সমাজে এখন বক্তৃতামালার চেয়ে কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ—এটাই সত্য, যদিও কিছু নেতার গালে লেগে থাকা চড়ের শব্দ এখন ঢাকা পড়ছে শুধুমাত্র প্রচারের কণ্ঠস্বরের আড়ালে।

আগ্নিমিত্রার মন্তব্যে উত্তেজনা, বাবরি এবং রাম মন্দিরের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক গড়ে উঠছে
রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা যখন প্রবল, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল তুলেছেন নতুন এক বিতর্কিত ভাবনা। তিনি মনে করেন, বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দিরের সমাহার না ঘটিয়ে বরং ঐক্যের পথে এগোনো উচিত। তবে এ কি সংঘাতের উষ্ণতা, নাকি শান্তির স্রোত? সমাজের নীতি ও ধর্মে বিভেদ যখন গভীর, এমন কৌশলী কথাবার্তা কি সত্যিই আমাদের পথ দেখাবে, নাকি এটি শুধু আরেকটি রাজনৈতিক কৌশল?

দিলীপ ঘোষের সফর: উত্তরবঙ্গে সদস্য সংগ্রহের চেষ্টায়, মাদারিহাট ও সিতাইয়ে পরাজয়ের পর রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি
আলিপুরদুয়ারে দিলীপ ঘোষের হাঁটা যেন বাংলার রাজনৈতিক পিচ্ছিল পথ পাড়ি দেওয়ার এক চিত্র—যেখানে মাদারিহাট ও সিতাইয়ের পরাজয় পরবর্তীতে সংগঠকের মুখাবয়বে চাপ ফেলেছে। ফালাকাটায় সদস্য সংগ্রহ করে তিনি কি শুধুই সংখ্যা গড়ছেন, না কি বাস্তবতার এক গভীর অন্বেষণে? বর্তমানের আড্ডায় যখন জনগণের আশা এবং হতাশার মুখোমুখি, তখন তাঁর পদক্ষেপগুলো কি শুধুই কৌশল, না কি রাজনৈতিক জ্ঞানের এক নবীনতর পথ?

তৃণমূলের ভাইরাল প্রচারে উত্তাল রাজনীতি, বিজেপির পাল্টা পদক্ষেপ এখন দেখার!
বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে এক নতুন দ্বন্দ্বের জন্ম দিয়েছে একটি ভাইরাল ভিডিও; তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়ার অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নেটাগরিকদের কাছে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বিজেপির পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখার এখন শুভক্ষণ—কি সাহসিকতা! আমাদের সমাজে ভিডিও, মিম এবং GIF-এর মাঝে গণতন্ত্রের নবলীলায় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কতটা গভীর প্রতিফলন ঘটছে, তা ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে।

মহিলাদের টাকা ছাড়া ভোটে পালাবদলের নতুন রণনীতি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে!
নির্বাচন আজকের সুরে গাইছে, মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ অর্থের স্রোতে ভাসছে রাজনীতি। বিজেপি এবং কংগ্রেস, দুই দলের কৌশল যেন মহাজাগতিক নাটকের পাণ্ডাল, যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এক অলৌকিক আধার। কি কৌতূহল, মাদুরের আহ্বানে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, আর রাজনৈতিক নেতারা যেন তাঁদের পাশার খেলায় বর্ণময় সিঁদুর তুলছেন! সভ্যতার বিকাশের নাম করে, সরকারী অর্থে কেনা হচ্ছে ভোট, যেন মানবিকতার, সমাজের সুচারু অধ্যায় রচিত হতে যাচ্ছে কিনা।

বিএসবির বিরুদ্ধে উত্তেজনা: বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে বোমাবাজির তাণ্ডবের মাঝে বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দৃশ্যপট
বেলা বাড়লে বিজেপি ও তৃণমূলের লড়াই যেন সন্ত্রাসের রূপ নেয়, বোমাবাজির মাঝে সমাজের রঞ্জনক ছবিটি স্পষ্ট। শক্তির সাধনায় মানবতার উন্মাদনা চাপা পড়ে যায়, এবং রাজনীতির খেলার মাঠে মানবিক মূল্যবোধের অবমূল্যায়ন হয়। জনগণের জন্য কি সত্যিই নেতৃত্ব, না কি সু-কৌশলগত ঝগড়ার নৃত্য?

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঋতব্রতকে বিজেপির সমালোচনা, বালিশ নেতা অভিধার বিতর্ক ছড়াচ্ছে রাজনীতিতে
তৃণমূল কংগ্রেস ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যসভায় প্রার্থী করতেই বিজেপির তৎপরতায় তাঁর অতীত খোঁছানোর খেলায় নতুন এক নাটক শুরু হয়েছে। "বালিশ নেতা" সম্বোধন করে কেয়া ঘোষের কটাক্ষ যেন আবার প্রমাণ করে দিল, আমাদের নেতাদের মধ্যে সত্য-মিথ্যা নির্ভয়ের প্রবাহ কোথায় গিয়েছিল। এ যেন বর্তমান রাজনৈতিক নাটকের মঞ্চে অভিনীত এক নতুন এক্ট, যেখানে সভ্যতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক নেতাদের অত্যাচারিত আত্মা কাতর করছে।

মমতার দাবি, ২০২৬ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল; রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি।
বাংলার রাজনৈতিক চিত্র যেন এক নাটক, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরুত্থান হবে। কিন্তু অতীতের আসন্ন নায়করা, যাঁরা একসময় বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের ফিরে আসার খেলা কি এবারও চলবে? গণতন্ত্রের এ এক অদ্ভুত নাট্যাভিনয়, যেখানে ভোটের রঙ্গমঞ্চে সবাই যেন নিজেদের স্বার্থের পালা করছে, আর জনগণের বোধ-বুদ্ধি ক্রমশ তালুবন্দী হয়ে যাচ্ছে।

বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে প্রশ্ন: সফলতা নাকি ক্ষমতার প্রদর্শন? ১ কোটি সদস্য সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ
বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান ৩০ নভেম্বরের শেষ দেখে এক কোটি সদস্যের লক্ষ্য পূরণ করা কি সত্যি সম্ভব? রাজ্যের নেতাদের বাস্তবতা অগ্রাহ্য করে, সংগঠনের অবস্থা বোঝাতে চাইছেন না। সত্যিই, গণতন্ত্রের মঞ্চে এমন নাটকীয়তা দেখে যেন রবীন্দ্রনাথের কল্পনাও লজ্জিত হবে। সদস্য গড়ার খেলা না হয়ে উল্টো জনগণের আস্থা অর্জনের পরীক্ষা এমন যেন!

সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন মমতা? তৃণমূলের দাবি নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
সিবিআই তদন্তের আবরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক 'সুবিধা' প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নীলাঞ্জন দাসের দাবি আয়নার মত প্রতিফলিত করেছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপট। সত্য-মিথ্যার মিছিলে নাগরিকের বার্তা কি সরকার বুঝতে পারছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নথির ঝলক দেখিয়ে নতুন কথার তালটি খুলে দেওয়া এই রাজনৈতিক নাটকে কিসে কি হবে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছেই। তখন মনে হয়, নেতারা ক্ষমতার চাঁদে যখন খোঁজে, সাধারণ মানুষের পথ হারাবার ভয় কি আরও বাড়ছে?