বিচার

কুলতলি ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় দ্রুত ফাঁসির রায়, ন্যায়বিচারের সাক্ষাৎকারে পুলিশের সাফল্য ও সমাজের প্রতিক্রিয়া
কুলতলির ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে ৬২ দিনের মাথায় ফাঁসি, আইনশৃঙ্খলার এমন দ্রুত প্রতিকার যেন হঠাৎ উদ্ভাসিত পৃথিবীর চাঁদ। রাজ্যের পুলিশ ও আইনজীবীদের চেষ্টায় কয়েকটি প্রশ্ন উঠছে—এই প্রশাসনিক তৎপরতা কি কেবল একটিমাত্র ঘটনার প্রতিক্রিয়া, নাকি সমাজের এই জঘন্য বাস্তবতার বিরুদ্ধে একটি চলমান সংগ্রামের নির্দেশিকা? শাস্তি পেলেও, হারিয়ে যাওয়া প্রাণের অশান্তি কি কখনো মোক্ষ পাবে?

নির্যাতিতার বাবার বিবৃতি: সঞ্জয়কে চিনতে না পারায় প্রশ্নে Governance ও বিচার ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা!
নির্যাতিতার বাবার মুখে সঞ্জয়কে চিনতে না পারার ঘটনাটি বিচারকের গম্ভীর আসনের নিচে যে কতটা অন্ধকারের আবরণ ফেলেছে, সে ভাবনা আমাদের আত্মাকে নাড়া দেয়। এর মধ্য দিয়ে গবর্নেন্সের অক্ষমতা, নেতাদের দায়বদ্ধতা আর সমাজের এ বিপন্ন দশা প্রতিফলিত হয়। রাজনৈতিক নাটকের এসব ক্রীড়ানক, একদিকে জনগণের যন্ত্রণা, অন্যদিকে ক্ষমতার খেলার সীমাহীন হাস্যরস, যেন পুরো প্রেক্ষাপটটাই এক ভোঁতা কৌতুক।