বাংলার রাজনীতি

তৃণমূল কংগ্রেস মেট্রো রেলে ইউনিয়ন নির্বাচনে পরাজিত, সরকারের শাসন নিয়ে সরকারী আলোচনা বাড়ছে
বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস আবারও মেট্রো রেলের শ্রমিক ইউনিয়নে জয়ের স্বপ্নে চরম ব্যর্থতা، যেন প্রকৃতির কৌতুক—বারবার চেষ্টা করেও নষ্টালজিয়ায় আটকা। ৩২.৪৬ শতাংশ ভোটের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হলো, নিয়মের আদর্শ বর্মে মানুষ কতটা অভ্যস্ত হয়েছেন, আর নেতাদের চমকের অন্তরালে; সত্যিই সমসাময়িক রাজনীতি যেন এক নাটকের মঞ্চ, যেখানে দর্শকই মূল অভিনেতা।

মমতার বাণী, বাংলার মাটি ছাড়বে না; শাসন আর দায়িত্বের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক দেখা দিল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বাংলার প্রতি তার অটুট ভালোবাসার ছাপ ফেলে; তবে প্রশ্ন উঠছে, সেই ভালোবাসার সুরে কি সত্যি জনগণের কল্যাণ নিহিত? ক্ষমতার জন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর খেলা চলছে, আর জনগণ যেন এক দৃষ্টিহীন দর্শক। স্বদেশের মাটিতেই তার শেষ নিশ্বাস শেষ হবে, কিন্তু কবে ফিরবে সেই স্বার্থপরতা ছাড়া রাজনীতি?

হুমায়ূনের বিস্ফোরক অভিযোগ, দলের ভেতরে ফেরিঘাটের দখল নিয়ে নৈরাজ্য চলবে না
বাংলার রাজনীতিতে আবারও হুমায়ূনের তোপের মুখে পড়েছে দলের একাংশ। ফেরিঘাটের দখলদারি নিয়ে অর্থ গোজামি করার অভিযোগ তুলে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘আমি থাকতে তা হতে দেব না।’ এর মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক নৈতিকতা ও কর্পোরেট শোষণের এক শ্লীলতাহানির গল্প শুনিয়ে দিয়ে সমাজের নৈতিক পতনকে তুলে ধরেছেন, যেন আমাদের আরেকবার ভাবাতে চাচ্ছেন, এই প্রবাহিত নদীর তীরে দাঁড়িয়ে, কি ভীষণ বিস্ফোরক আমাদের চৎকৃতির নৌকায়!

মমতার দাবি, ২০২৬ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল; রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি।
বাংলার রাজনৈতিক চিত্র যেন এক নাটক, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরুত্থান হবে। কিন্তু অতীতের আসন্ন নায়করা, যাঁরা একসময় বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের ফিরে আসার খেলা কি এবারও চলবে? গণতন্ত্রের এ এক অদ্ভুত নাট্যাভিনয়, যেখানে ভোটের রঙ্গমঞ্চে সবাই যেন নিজেদের স্বার্থের পালা করছে, আর জনগণের বোধ-বুদ্ধি ক্রমশ তালুবন্দী হয়ে যাচ্ছে।

কুণাল ঘোষের সোশ্যাল মিডিয়া ফিরে আসা: লাল জামা ও জোড়াফুলের চিহ্নে রাজনৈতিক প্রেম-বিরোধের নতুন অধ্যায় শুরু?
সোশ্যাল মিডিয়ার উজ্জ্বল আলোতে কুণাল ঘোষ আবার জ্বলে উঠেছেন, লাল জামা পরে পেছনে জোড়াফুলের প্রতীক যেন রাজনৈতিক সটান বোঝায়। সরকারী শাসনের কিছুমাত্র বদলে গেছে কি? নাকি কেবল ভাসমান প্রতীকের বর্জ্য? জনতার ভাবনা আজ কাহিনীর গল্প, যেখানে নেতাদের অভিনয় এক যাত্রাপথ, আর সমাজের প্রতিধ্বনি—শুধু সুরটুকু ছাড়াই।

“বাস রেষারেষি আর কমিশনদারীর মাঝে ফিরহাদ হাকিমের নতুন এসওপি: নতুন শাসনের নাটক না কি স্রেফ ফাঁকা আওয়াজ?”
বাংলার রাজনৈতিক জগতে যে বাসের রেষারেষি চলছে, তা যেন রুপকথার বাস্তবতা। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্য, কমিশন সিস্টেমে দৌড়ানোর বিশ্লেষণ, শাসনের অবক্ষয়ের নিজস্ব প্রতিবিম্ব। এসওপি তৈরির আহ্বান যেন নিছক কথার ফুলঝুরি—সমাজের ভেতর পুঞ্জীভূত অসন্তোষের রেশ মুছে ফেলার এক অন্তহীন প্রচেষ্টা।

“রাজনীতির মঞ্চে মৌজার সংখ্যা: সংখ্যার খেলা নাকি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা?”
হাওড়া থেকে দার্জিলিং অবধি বাংলার ৪২ হাজার ৩০২ মৌজার রাজনীতিতে এখন উত্তপ্ত বাতাবরণ। প্রথম পর্যায়ে শাসনের খাঁচা, দ্বিতীয় পর্যায়ে বিতর্কের তাস, আর তৃতীয় পর্যায়ে এক সমাজের প্রতিফলন—শ্রেণী সংগ্রামের ছোঁয়া যেন সকলের ঘরে। নেতাদের মুখে ফুলের বাগান, অথচ জনতার মনে ফুটে উঠছে অসন্তোষের কাঁটা।

“বাঙালির নারীর নিরাপত্তায় প্রশ্ন, রাজ্যে মেডিক্যাল কলেজে র্যাগিংয়ের প্রেক্ষিতে আত্মপরিচয়ের খোঁজে ক্ষুব্ধ জনতা!”
গত অগস্টে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের রক্তাক্ত ঘটনায় বাংলার রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র তরঙ্গ। মেডিক্যাল কলেজে থ্রেট কালচারের অভিযোগে ৭ পড়ুয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে বিক্ষোভের ডাক। সমাজের মৃৎশিল্প, নেতৃত্বের অদূরদর্শিতা এবং মিডিয়ার বিচরণে আজ জনগণের মনে প্রশ্ন, ‘শিক্ষার প্রতি আমাদের এই তাজ্জব স্বীকৃতি কি কেবলই ছল?'

“সুকান্তের তীর্যক মন্তব্য: বিজেপি এলে কীভাবে বদলাবে পশ্চিমবঙ্গের ধর্ষকবিরোধী লড়াই!”
বাংলার রাজনৈতিক দৃশ্যে আজের আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে সুকান্তর এমন কড়া মন্তব্য, যেখানে তিনি বিএনপি সরকারের উপর আক্রমণ চালিয়েছেন। ‘ধর্ষকের বাড়ির সামনে বুলডোজার’ দাঁড় করানোর সুস্পষ্ট অঙ্গীকারে যেন গোঁড়া শাসনের নতুন মন্ত্র খুঁজছেন তিনি। অদ্ভুত এই পথে, কি মানুষের নিরাপত্তা, কি সরকারি দৃষ্টিভঙ্গি—সমস্ত কিছুই যেন ঝুঁকিতে, আর গুণগানগীদের কণ্ঠে সমাজের অবসন্নতা প্রকাশ পাচ্ছে।

“রাজ্য সরকারের ওপর কেন্দ্রের বঞ্চনা: মানস ভুঁইয়া ও শুভঙ্কর সরকারের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মাঝে জনমানসে কাটছে উৎকণ্ঠা!”
রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারকে আঘাত করে চলা এই বঞ্চনা বরদাস্ত করা যায় না। শুভঙ্কর সরকারকে প্রত্যায়িত করেছেন, রাজনৈতিক ঐক্যের গান গেয়ে, বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিশ্বাকাশি করার সময় এসেছে; যেন নয়া দিল্লি থেকে ধর্মের বুলি অর্থহীন হয়ে না যায়।