বাংলাদেশ

বিভিন্ন মহলে ইসকন নিয়ে আলোচনা, রাধারমণ দাসের মুখ খোলায় নতুন বিতর্কের জন্ম!
বাংলাদেশে ইসকন নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না; নানা মহলের মন্তব্য চলছেই। এবার রাধারমণ দাসের মুখে ওঠে প্রশ্ন—শাসনের আড়ালে ধর্মীয় খেলোয়াড়ি কেমন? এই সময়ে সক্রিয় হওয়া সামাজিক আন্দোলনগুলো সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে উঠছে। রাজনৈতিক নাটকে, যেখানে গল্পের মূল চরিত্রই রহস্যময়, সাধারণ মানুষের অনুভূতির রং কতটা অদ্ভুত!

পীরজাদা সিদ্দিকিদের মুখ খুলতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন নাটক শুরু হলো।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে আবার উত্তেজনা, পীরজাদা নাজমুস সায়াদত ও পীরজাদা সাফেরি সিদ্দিকির বক্তব্যগুলো আজকের রাজনৈতিক কৌশল এবং নেতৃত্বের দুর্বলতা উন্মোচন করছে। সঙ্কট, বিতর্ক এবং প্রত্যাশিত উন্নতি যেন জলফলারের মতো—সবকিছু বাইরে থেকেই ঝলমল করছে, অথচ ভেতরে সত্যিই কোনো গতি নেই। জনগণের বোধশক্তির দোলাচল কি একদিন তাদের দু'কথায় উত্তর খুঁজে পাবে?

বঙ্গভূমিতে হিন্দুদের ওপর মুসলমানদের অত্যাচার: রাজনৈতিক শঙ্কা ও সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে
বাংলাদেশের হিন্দু জনগণের ওপর অত্যাচারের বাড়বাড়ন্তে ধৃত আদো বর্মনের অভিযোগে নিছক সমালোচনা নয়, বরং গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটে। বাড়িঘর ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের এই শক্তিশালী ছবি যখন গণতান্ত্রিক সমাজের সুশাসনের কুহেলিকা উন্মোচন করে, তখন প্রশ্ন ওঠে—কোথায় রয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা? জনমত কি ক্রমেই ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোর অনীহা প্রকাশ করছে? সমাজে বিভেদ গড়ে তোলা এবং মৌলিক অধিকারের প্রতি এই অবহেলা একটি ভাবনাকে উসকে দেয়—আমরা কি সত্যিই সৌহার্দ্যপূর্ণ জনগণ হিসাবে নিজেদের চিনতে পারছি?

গ্রন্থাগার মন্ত্রীর বক্তব্য: শিক্ষা না থাকলে নেতারা গালিগালাজই করবেন, ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ
বাংলার গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায়, বিজেপি নেতাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ যেন সুরে সুরে একটি নতুন নাট্যকাহিনী রচনা করছে। প্রণিধানীয় সাংবিধানিক জ্ঞানের অভাবে গালাগালির দৌরাত্ম্যের মাঝে, মহাভারত বা গীতার প্রতিধ্বনি নিশ্চয়ই নির্বাচনী নৈতিকতার একটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করবে—যেখানে পাঠ্যপুস্তক নয়, ধর্মীয় বর্ণনায় জাতির চরিত্র নির্মাণের যুক্তি শোনা যাবে। তবে, প্রশ্ন জাগে, এই পাঠদানে কি সত্যিই সভ্যতা ও নৈতিকতা ফিরে আসবে?

পঞ্চগড়ে সীমান্ত পেরিয়ে আসা নাবালিকা: রাজনৈতিক বিতর্ক ও মানবিক সংকটের নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের একটি নাবালিকা পায়ের জোরে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করে, বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে। এই ঘটনায় সরকারের সীমান্ত নিরাপত্তার প্রতি প্রশ্ন উঠছে, যেন নেতাদের প্রতিজ্ঞা, আদর্শের পিছনে খোঁজার মতো। সমাজের দুর্দশা আর নাবালিকার নিরাপত্তাহীনতা যেন রাজনীতির নির্বিকার মুখোশের আড়ালে মায়ার জন্ম দেয়।

ভারতের বিদেশ সচিবের উদ্যোগে ইসকনের আশার আলো, বাংলাদেশে শান্তির প্রত্যাশা
ভারতের বিদেশ সচিবের উদ্যোগের সাথে সমান্তরালভাবে ইসকনের উচ্ছ্বাস, বাংলাদেশে শান্তির সম্ভাবনার নতুন আলো দেখাচ্ছে। যেন রাজনৈতিক কোলাহলে মানবিক সংবেদনশীলতার এক চমৎকার উপস্থাপনা। কিন্তু এই উদ্যোগ কি সত্যিই গভীর পরিবর্তনের সূচনা দেবে, নাকি অস্থিরতার যাত্রাপথে আরেকটি প্রতীকী কদম? জনগণের মনোভাব ও রাজনৈতিক জটিলতা এ প্রশ্নের সঙ্গী।

মমতা বন্দ্যোপाध্যায়ের তুলোধোনা: বঙ্গ ও বিহারের বিতর্কিত দখলবাদ নিয়ে তীব্র মন্তব্য ও হুঁশিয়ারি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 최근 বাংলাদেশিদের প্রতি তীব্র বক্তব্য রেখেছেন, দাবি করেছেন তাঁদের কলকাতা দখলের হুমকি। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক শ্লগানে কবে হবে সুবোধের রাজনীতি? বৃহত্তর বাংলা, বিহার ও ওড়িশার স্মৃতিচারণে ফিরে যাচ্ছে সমাজ, যেখানে governance-এর মুখ কিছুটা আড়ালে পড়েছে, জনতার গলায় একটি নতুন সুর।

বিপদে বাংলাদেশ: প্রাক্তন সেনা কর্তাকে কেন্দ্র করে কলকাতা দখলের বিতর্কিত দাবি
সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একটি প্রাক্তন সেনা কর্তাকে কলকাতা দখলের সাহসিকতার কথা বলতে শোনা গেল। চার দিনের পরিকল্পনা! রাষ্ট্রের সূক্ষ্ম সুতোর খেলা যেন লীলার একটি নাট্য নির্দেশিকা, যেখানে নেতৃত্বের অক্ষমতা এবং গণমানুষের বিকার এক সূত্রে গাঁথা। কৌতুক আর অবজ্ঞায়, এ যেন চলমান রাজনৈতিক উনমননের একটি প্রহসন।

বাংলাদেশের পরিস্থিতির প্রভাব: পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি কার্যকলাপের আশঙ্কা সরকারকে ভাবাচ্ছে
ফিরে দেখা যাক, নবান্নের বৈঠকে যখন রাজীব কুমার ও সদানন্দ দাতের মধ্যে আলোচনা হয়, তখন পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রচর্চা যেন এক লহরী রক্তের স্রোতে চাহিদা পায়। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা এখানে জঙ্গি কার্যকলাপের সম্ভাবনা উঁকি দেয়, কিন্তু আমাদের নেতারা কি সেই স্রোতে ভেসে যাবেন, নাকি কেবল মুখে সুর বেঁধে চলবেন? সাংবাদিকতার কলম এবং রাজনৈতিক নাটকের গতি নিয়ে এই সমাজের ঐতিহ্যও আজকে প্রশ্নবিদ্ধ।

শুভেন্দুর নেতৃত্বে শৌর্য মিছিল: হিন্দুদের অধিকার ও বাংলাদেশে অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আগ্রহ সৃষ্টি করছে
রাজনীতির অঙ্গনে এখন মহাকাব্যের তুল্য নাটক চলছে; শুভেন্দু বাবুর শৌর্য মিছিল মানে যেন রামের আসঙে রাজনীতি, কিন্তু মূল সুর হলো বাংলাদেশে হিন্দুদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। הציבורের মুখে প্রশ্ন, কখন এই শৌর্য শুধু ঢকার চেয়েও গভীর হবে? চিন্ময়কৃষ্ণের মুক্তির বিলাসিতায় কি ভেসে যাবে বাস্তবের স্রোত?