প্রশাসনিক কৌশল

“পুরসভার উন্নয়নে নতুন উচ্চতা: কলকাতা-হাওড়া-শিলিগুড়িতে ক্রেশ তৈরির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত!”
পুলিশ ও প্রশাসনিক কৌশলে কলকাতা সহ সাতটি পুরসভায় ক্রেশ তৈরি করা হবে, এর মধ্য দিয়েই যেন বারবার শাসন ব্যবস্থা তাদের ওপর ভরসা করে চলছে। নেতাদের যুক্তি আর প্রশাসনের বিবৃতির মাঝে এক বিসদৃশ বিভক্তি তৈরি হয়েছে; যেন সরকার শুধুই বাস্তবতার ছদ্মবেশে আড়াল করতে চায় নাগরিকের মৌলিক চাহিদা। প্রশাসনের সভাগৃহে বৈঠকগুলো মানুষকে কতটা সুরক্ষা দেবে, তা নিয়ে তর্ক চলছে; মনে হচ্ছে, শাসনের গলপলির মধ্যে জনগণের আওয়াজ চাপা পড়ছে।

শুভেন্দুবাবুর মন্তব্য: “মমতার দার্জিলিং সফর, কি মুখোশ ঢাকা ছলনাময় রাজনীতির দৃশ্য?”
শুভেন্দুবাবুর কথায় যেন মূর্তিমান রাজনীতির নাটক, যেখানে জয় হাতের নাগালে অথচ বাস্তবতা অনুরাগী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দার্জিলিং সফর ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত, সরকারি এজেন্টদের মধ্যেও চলছে চুপচাপ রাজনৈতিক খোঁচাখুচি। তবে প্রশ্ন উঠছে—জনতায় আসল জয়ের ছবি কি, নাকি মুখোশের আড়ালে নষ্ট স্বপ্ন?

ভেদাভেদ আরেকবার: উত্তরবঙ্গের যানজট মুক্তির নাটক আর রাজনীতির স্রোতে ভেসে যাচ্ছে জনগণের আশা!
উত্তরবঙ্গের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নানামুখী উদ্যোগে ব্যস্ত, তবে কি প্রশাসনিক কৌশল, না কি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রতি সরকারের অগুরুত্ব? কলকাতার বাইপাস ও জাতীয় সড়কে যাতায়াতের এই পরিকল্পনার পিছনে গার্হস্থ্য রাজনীতির চালচলন কি প্রকাশ পায়? জনতার মনে বিবেকের আলো জ্বালতে পারলে, হয়তো প্রশাসনের এই ব্যস্ততা একটি সার্থক রাজনৈতিক কাহিনি হয়ে উঠতে পারে।