প্রশাসনিক উদাসীনতা

মেট্রো রেলে যাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা, পরিষেবা বিপর্যয়ে জনমানসে ক্ষোভ, সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি
মানুষের জীবনের অমোঘ নাটক আবার ঘটল এসপ্ল্যানেড স্টেশনে, যখন একজন যাত্রী ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়ার অযৌক্তিক ঘটনাটি ঘটাল। সিপিআরও রাকেশ কুমারের তথ্যমতে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, প্রশ্ন তো উঠছে—ক্ষমতার কেন্দ্রীয় দপ্তরগুলো কি এ ধরনের পরিণতি এড়াতে পারবে? সত্যি কথা কি, সমাজে কিছু পরিবর্তনের বদলে সংকটের যাত্রাই অব্যাহত।

“দরিদ্রের চাপে অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসায় টোটোয় কলকাতার পথে, সরকার কি সচেতনতার অন্তরালে?”
উপেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি টোটো চালিয়ে সংসার চালান, অসুস্থ স্ত্রী শিবানীকে কলকাতায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন, তাও আবার অ্যাম্বুলেন্স জোগাড়ের অভাবে। এ যেন রাজনীতির বাঁধনহীন অস্থিতিশীলতার সঙ্গী অসহায়তার প্রতীক; যেখানে সাধারণ মানুষের সহজ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন বরাবরই এক নগর কাব্যের মতো। সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাক্সিক্ষত উন্নয়ন তো বোধ হয় অন্য জগতের গল্প, কিন্তু এই মানুষগুলোর সংগ্রাম যেন আমাদের মানবিক জীবনের আসল গল্প।

“অশোকনগরের কিশোরীর চুল খাওয়া: সমাজের মানসিকতা এবং রাজনৈতিক চিন্তার প্রতিফলন”
উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে ১৬ বছরের এক কিশোরীর চুল খাওয়া নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই পড়াশোনা এবং বন্ধুবৃত্ত থাকলেও, তার এই অদ্ভুত অভ্যাসে বন্ধুরা তার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সমাজের প্রতিফলন এই যে, অস্বাভাবিকতা যখন সচেতনতার চেয়ে বেশি জায়গা করে নেয়, তখন আদর্শ-রাজনীতির মায়াগুলিও মান shattered হয়। বঙ্গের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভেতরেও কি এই মূর্তির সিঁড়ি?