প্রতিবাদ

শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে কাঁথি সেন্ট্রালে সংখ্যালঘুদের প্রতিবাদ সভা, জমায়েতের উন্মাদনা
শুভেন্দু দাবি করেছেন, ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪-এর প্রতিবাদে কাঁথি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডে আয়োজিত সভা নির্দেশ করে, তখন মনে হয়, রাজনীতির খেলার মাঠে বলের বদলে নাগরিকদের রুজির টানাটানি। সংখ্যালঘুদের প্রতিবাদ যেন সমুদ্রের ঢেউ, যা একদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, অন্যদিকে সামাজিক সুবিচারের আকাঙ্ক্ষায় ভাসিয়ে রাখে আমাদের।

নাবালিকা পাচারে চক্রের involvement উঠে এলো, সরকারের গাফিলতি না হলেও সমাজে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি।
রাজনৈতিক উত্তাল কূলে, ভারতবর্ষে নাবালিকার পাচার নিয়ে আলোচনার ঝড়। তদন্তকারীরা বলছেন, এর পিছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী চক্র, যারা অর্থের লোভে যুবতীদের অপমাৎসন করছে। তবুও, আমরা খোঁজ করি নির্লিপ্ত সরকারের গলিঘুপিতে, যেখানে নেতৃত্বের নীতির ছোঁয়া যেন এক অরণ্যের বুনো ফসলে ঠুনকো। কতগুলো টাকার বিনিময়ে, আমাদের ভবিষ্যৎ পণ হচ্ছেটা কি?

বিএনপি নেতার স্ত্রীর শাড়ি পুড়িয়ে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক, নতুন রাজনৈতিক সঙ্কটের সূচনা!
বৃহস্পতিবার বিএনপি নেতা রাহুল কবির রিজ়ভি বিতর্কিতভাবে তাঁর স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি প্রকাশ্যে পুড়িয়ে দিলেন, একদিকে বয়কটের ডাক দিয়ে যেন বিদেশি পণ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার, অপরদিকে নিজেদের গঠনমূলক রাজনৈতিক দুর্বলতা লুকানোর এক প্রচেষ্টা। এভাবে প্রশ্ন জাগে, সমাজের তথা রাজনীতির এই গাঢ় সংকট কি শুধুই শাড়ির আগুনে জ্বলবে, নাকি বাস্তবতার খড়কুটোও রক্ষা পাবে!

“সারাদেশে সাইরেনের শব্দ: রাজনৈতিক টালমাটাল ও জনগণের ক্ষোভের নতুন অধ্যায় শুরু!”
শনিবার বিকেলে সাইরেনের ঝঙ্কার যেন ভুলে যাবার মতো ছিল, কিন্তু কি বাস্তবে ঘটে গেল! সরকারী কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ জনগণের প্রতিবাদ মঞ্চস্থ হয়, যেখানে নেতাদের সময়োপযোগিতা আর জনগণের আশা যেন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এই দৃশ্যপটেই কতটা জটিল সমাজ এবং রাজনীতির পথচলা, আমরা কি মাঝে মাঝে শুধুই নীরব দর্শক?

“রত্নগর্ভা সমাজের মূর্তি: জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে সরকারের শিরদাঁড়ায় শক্তি ও দুর্বলতার খেলা”
রাজ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদের অঙ্গ হিসাবে মূর্তিটি প্রদর্শন করা হচ্ছে, যেন একদিকে চলমান প্রশাসনিক উদাসীনতার নিন্দা করা হয়, অন্যদিকে সমাজের অসংবেদনশীলতা প্রকাশ পায়। মনে হচ্ছে, রাজনীতির ক্রীড়াঙ্গনে চিকিৎসার আশা আজ শুধুমাত্র অভিনেতাদের খেলার ক্ষেত্র। জনতার মনের অন্তর্দৃষ্টি কি এক সময়ে সত্যিই মূর্তি পাবে?

“গুরুতর অভিযোগের মাঝে সায়ন্তিকার মিছিল: سياسية নাটকের একটি নতুন পর্বের সূচনা!”
তন্ময়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের আবহে সায়ন্তিকা যেন এক নতুন যাত্রায় পা রাখছেন, উত্তরের বারানগরে মিছিলের ডাক দিয়ে। বিকেল চারটেয় শুরু হবে তার নেতৃত্বে, এরপর দক্ষিণ বরানগরের মিছিলও অপেক্ষমাণ। এই রাজনৈতিক নাটকের পটভূমিতে প্রশ্ন উঠছে, নেতৃত্বের আসল মুখ কোনদিকে, এবং আমরা যাদের জন্য আশার আলো দেখছি, তারা কি সত্যি আমাদের প্রত্যাশার অগোয়াড়? রাজনৈতিক মহলের গেমপ্লে যেন এক দার্শনিক প্রশ্নের সম্মুখীন—ক্ষমতার চাতুরিতে কখনো মানবতা হারায়, অথবা মানবতার পথিকৃৎ হয়ে ওঠে?

“বিতর্কের আঁধারে সেলিব্রিটির নিরাপত্তা: বলিউডের আলোর বিচ্ছুরণ কি আদৌ সম্ভব?”
বল্লিউডের পরিস্থিতি বর্তমানে খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। সালমান খান ও তার পরিবারকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, কারণ গ্যাংস্টার লরেন্স বিশনোই খানের উপর প্রাণনাশের হুমকি देत्य করেছে। বিশনোই সম্প্রদায়ের সদস্য়রা জায়পুরে প্রতিবাদ করেছে, সালিম খানের জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে। তাদের অভিযোগ, ব্ল্যাকবাক হত্যাকাণ্ডের মামলায় সালমানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এই ২৬ বছর ধরে চলছে, তাতে তাদের ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট উলঙ্গ করা হয়েছে। কিভাবে সিনেমার গল্প, তারকাদের কর্মজীবন এবং তাদের দ্বারা সমাজে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলি চিত্রিত হচ্ছে, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।